এম. এ করিম মিষ্টার, নীলফামারী : উত্তর জনপদের নীলফামারীতে শীত পড়তে শুরু করেছে। ফলে জেলার সর্বত্র খেজুরের গাছ কেটে রস সংগ্রহের জন্য গাছিরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। ইতোমধ্যে গাছিরা খেজুর গাছের মালিকের সাথে চুক্তি করে গাছ নিয়েছেন। তারা এখন এসব খেজুর গাছ কেটে রস আহরণের প্রস্ততিতে কাজ শুরু করেছেন।
শীত মৌসুমের শুরুতেই খেজুরের রস আহরণের জন্য এলাকার গাছিরা সেই গাছগুলো প্রস্তত করতে শুরু করেছেন। গাছিরা হাতে দা নিয়ে ও কোমড়ে দড়ি বেঁধে খেজুর গাছে ওঠে নিপুণ হাতে গাছের ছাল তোলা, চাঁছা ও নলি বসানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এর মধ্যে অধিকাংশ গাছই প্রায় কাটা হয়ে গেছে। অগ্রহায়ন মাসে পুরোপুরি গাছগুলো কাটা শেষ করে শুরু হবে রস সংগ্রহের প্রতিযোগিতা। অগ্রহায়ন, পৌষ, মাঘ এই তিন মাস খেজুরের গাছগুলো থেকে রস আহরণ করা হবে। অনভিজ্ঞ গাছিরা গাছ কাটার সময় ভুল করায় অনেক স্থানে গাছ মরেও যাচ্ছে। ইটভাটায় খেজুরের গাছের চাহিদা বেশি হওয়ায় এবং অব্যাহতভাবে ইটভাটা বেড়ে যাওয়ায় গ্রামের সাধারণ মানুষ অভাবের তাড়নায় অবাধে গাছ বিক্রি করে দিচ্ছেন। পুরো শীত নামার সাথে সাথেই প্রতিঘরে খেজুরের রস দিয়ে পিঠা-পুলি আর পায়েস তৈরির ধুম পড়বে। চিড়া- মুড়ি, পিঠা খাওয়া কৃষক পরিবার থেকে শুরু করে সবার কাছে প্রিয়।




