ads

মঙ্গলবার , ১৭ মার্চ ২০২৬ | ১৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শেরপুরে এতিম শিশুদের নিয়ে মেহেদী উৎসব ও প্রসাধনী বিতরণ

জুবাইদুল ইসলাম
মার্চ ১৭, ২০২৬ ৬:১২ অপরাহ্ণ

পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে শেরপুরে এতিম শিশুদের নিয়ে মেহেদী উৎসব ও তাদের মাঝে প্রসাধনী বিতরণ করা হয়েছে। ১৭ মার্চ মঙ্গলবার দুপুরে শহরের চাপাতলী সরকারি বালিকা শিশু পরিবার প্রাঙ্গনে ওই মেহেদী উৎসব পালন করেন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন রক্তসৈনিক বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের সদস্যরা। ওইসময় এতিম শিশুদের হাতে মেহেদী পরিয়ে দেন সংগঠনের সদস্যরা। পরে তাদের মাঝে ঈদ উপহার হিসেবে প্রসাধনী বিতরণ করা হয়।

Shamol Bangla Ads

মেহেদী উৎসব অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রক্তসৈনিক বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট সমাজসেবী রাজিয়া সামাদ ডালিয়া। ওইসময় তিনি বলেন, করোনাকাল থেকে রক্তসৈনিক বাংলাদেশের উদ্যোগে প্রতিবছরই এতিম শিশুদের নিয়ে মেহেদী উৎসব করা হচ্ছে। এসব শিশুদের মুখে হাসি ফোটাতে পেরে আমরাও আনন্দিত। সমাজের সবাই যদি এসব অসহায়, সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পাশে এগিয়ে আসে তাহলে তাদের মলিন মুখেও হাসি ফুটে উঠবে।

সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মো. আল-আমিন রাজুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সংগঠনের উপদেষ্টা ডা. ফয়জুল আলম, ডা. মোছা. মনিকা, শেরপুর প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক মহিউদ্দিন সোহেল, কোষাধ্যক্ষ জুবাইদুল ইসলাম, বিশিষ্ট সমাজসেবী তাহমিনা জলি, রক্তসৈনিক শেরপুর শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. আশরাফুল ইসলামসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

Shamol Bangla Ads

এদিকে ঈদের আগে প্রসাধনী উপহার পেয়ে এবং হাতে মেহেদী পরে এতিম শিশুরা খুশিতে মেতে ওঠে। এদিন ৮০ জন শিশুর হাতে মেহেদী পরিয়ে দেওয়া হয়। শিশু মিম জানায়, আমার বাবা নেই। মা ঢাকায় থাকেন। প্রতি ঈদের এই আপুরা এসে আমাকে মেহেদী দিয়ে দেয়। এতে আমার খুব ভালো লাগে। শিশু সাবিনা জানায়, আজকে এক আপু আমার হাতে সুন্দর করে মেহেদী দিয়েছে। আমার খুব আনন্দ লাগছে।

মেহেদী উৎসবে অংশ নেওয়া স্বেচ্ছাসেবী মোছা. মনি জানান, ঈদে আমরা পরিবারের সবাইকে নিয়ে আনন্দ করলেও এই এতিমরা আনন্দ বঞ্চিত থাকে। তাই আমরা চেষ্টা করছি ঈদের আনন্দ সবাই ভাগাভাগি করে নিতে পারি। আজ এতিম এই শিশুদের হাতে মেহেদী পরিয়ে নিজেদেরও খুব ভালো লাগছে।

রক্তসৈনিক বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মো. আল-আমিন রাজু জানান, ঈদকে কেন্দ্র করে শিশুদের আগ্রহের শেষ থাকে না। তাদের অভিভাবকরাও সাধ্যমত চেষ্টা করেন শিশুদের সমস্ত বায়না মেটাতে। কিন্তু এ আনন্দ থেকে বঞ্চিত রয়ে যায় অসহায় এতিম শিশুরা। সেটিকে লাঘব করতেই প্রতিবছর এতিম শিশুদের নিয়ে এমন আয়োজন অব্যাহত রাখতে চাই।

Need Ads
error: কপি হবে না!