ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে সুপার ওভারে গিয়ে হেরেছে বাংলাদেশ। এমন হারের পর বাংলাদেশ দলের একটি সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে। কেনো দিনের সেরা পারফর্মার রিশাদ হোসেনকে সুপার ওভারে ব্যাট করতে পাঠায়নি বাংলাদেশ? এই সিদ্ধান্তে অবাক হয়েছেন খোদ প্রতিপক্ষ দলের স্পিনার আকিল হোসেইনও।

মঙ্গলবার মিরপুরে অনুষ্ঠিত ম্যাচে রিশাদের ১৪ বলে অপরাজিত ৩৯ রানের ঝড়ো ইনিংসে ভর করেই বাংলাদেশ ২০৭ রানের লড়াকু পুঁজি পেয়েছিল। বল হাতেও তিনি নেন ৩টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট। অথচ জয়ের জন্য সুপার ওভারে ১১ রান তাড়া করতে নামানো হয় সৌম্য সরকার, সাইফ হাসান ও নাজমুল হোসেন শান্তকে, যারা ৯ রানের বেশি করতে পারেননি।
ম্যাচ শেষে প্রতিপক্ষ স্পিনার আকিল হোসেইন বলেন, আমি কিছুটা অবাক হয়েছি। ম্যাচে সবচেয়ে আক্রমণাত্মক ছিল রিশাদ, ১৪ বলে ৩৬ করেছে। তাকে সুপার ওভারে পাঠায়নি! বাউন্ডারির ছোট পাশটায় সে মারতে পারত, দুটি ছক্কা তো ওদিক দিয়েই মেরেছিল। আমরা সবাই কিছুটা অবাক হয়েছি, কিন্তু এ সিদ্ধান্ত আমাদের পক্ষেই এসেছে। রিশাদ লম্বা, হাতে মার আছে, কিন্তু তারা তাকে ব্যাটিংয়ে পাঠায়নি!

অন্যদিকে, এই সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দিয়েছেন সুপার ওভারে ব্যাট করতে নামা সৌম্য সরকার। তিনি জানান, টিম ম্যানেজমেন্টের পরিকল্পনাতেই এমনটা করা হয়েছে। সৌম্য বলেন, এটি কোচ ও অধিনায়কের সিদ্ধান্ত ছিল। মূল ব্যাটারদের পাঠানোর চিন্তা থেকেই এমনটা করা হয়েছে।
তবে শেষ পর্যন্ত সৌম্য জানিয়েছেন, বাঁহাতি নাজমুলকে তিনে পাঠানোর কারণ নাকি সুপার ওভারে বোলার বাঁহাতি আকিল ছিলেন বলে, এখানে বাঁহাতি স্পিনার বল করছিল। বাঁহাতি ব্যাটসম্যান (নাজমুল) যাওয়াটাই সবচেয়ে ভালো। এটাই তাদের (কোচ–অধিনায়ক) মনে হয়েছে যে বাঁহাতি গেলেই ভালো হবে দলের জন্য। তবে বাউন্ডারি মারতে না পারাকে নিজের ব্যর্থতা হিসেবে স্বীকার করে তিনি আরও বলেন, উইকেটটা খুব কঠিন ছিল, বল টার্ন করছিল এবং ব্যাটে আসছিল ধীরে। বাউন্ডারি মারা সহজ ছিল না।




