ads

সোমবার , ১৫ জুলাই ২০১৯ | ২৭শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে শ্রীবরদীর ১৫ গ্রাম প্লাবিত

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
জুলাই ১৫, ২০১৯ ৭:১৮ অপরাহ্ণ

শ্রীবরদী (শেরপুর) প্রতিনিধি ॥ ক’দিন ধরে টানা বর্ষণ ও ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের ১৫টি গ্রামের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। ১৪ জুলাই রবিবার রাত থেকে প্রবল বর্ষণের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে কমপক্ষে ৪ হাজার পরিবার। প্লাবিত গ্রামগুলোর কাঁচা ঘর-বাড়ি, রাস্তাঘাট, রোপা আমন ধানের বীজতলা, সবজি, পুকুরের মাছ পানিতে তলিয়ে গেছে। আবহাওয়া অপরিবর্তিত থাকলে বন্যা পরিস্থিতি আরও অবনতি ঘটবে বলে আশংকা করছেন স্থানীয়রা।
জানা যায়, গত এক সপ্তাহের যাবত চলছে থেমে থেমে প্রবল বর্ষণ। সেই সাথে দফায় দফায় পাহাড়ি ঢলে শ্রীবরদীর কাকিলাকুড়া, তাতিহাটি, গোসাইপুর, ভেলুয়া ও খড়িয়াকাজীরচর ইউনিয়নের ১৫টি গ্রামের প্রায় ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। প্লাবিত গ্রামের রাস্তাঘাট, আমন ধানের বীজতলা ও সবজির ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। ভেসে গেছে দুই শতাধিক পুকুরের মাছ। এতে গৃহপালিত পশু নিয়ে পড়েছেন চরম বিপাকে। বাড়িতে পানি উঠায় চুলা জ¦ালাতে পারছেন না প্লাবিত এলাকার মানুষ। শুকনো খাবার খেয়েই দিন পার করছেন তারা।
সরেজমিন গেলে দেখা যায়, উপজেলার কাকিলাকুড়া ইউনিয়নের ভুতনিকান্দা, রানীশিমুল ইউনিয়নের বাঘহাতা, খোশালপুর, তাতিহাটি ইউনিয়নের পুটল, গেরামারা, ঘোনাপাড়া, বকচর, ষাইটকাকড়া, জানকিখিলা, শালামারা, গোসাইপুর ইউনিয়নের গিলাগাছা, গড়গড়িয়া, ভেলুয়া ইউনিয়নের চকবন্দি, কাউনেরচর, ঝগড়ারচর ও খড়িয়াকাজীরচর ইউনিয়নের লংগড়পাড়া, রুপারপাড়া, ঢনঢনিয়াসহ ১৫টি গ্রামের প্রায় ৪ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
পানিবন্দি এলাকার অনেকে জানান, বন্যার পানিতে তাদের এলাকার রাস্তাঘাট ডুবে গেছে। তলিয়ে গেছে আমন ধানের বীজতলাসহ সবজি ক্ষেত। ভেসে গেছে পুকুরের মাছ। তবে গতকাল রবিবার রাতভর প্রবল বর্ষণে নতুন করে পাহাড়ি ঢলের পানিতে প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা। বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ার আশংকা করছেন বন্যার্ত এলাকার লোকজনেরা। তবে বন্যার পানি দ্রুত নেমে গেলে কৃষি ক্ষেত্রে তেমন ক্ষতি হবে না বলে জানান উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাজমুল হাছান। তিনি বলেন, কিছু বীজতলা ও সবজি ক্ষেত ডুবে গেছে। বন্যার সার্বিক পরিস্থিতি পরিদর্শন করে ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ বলা যাবে।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেঁজুতি ধর জানান, বন্যার্ত এলাকার মানুষের খোঁজ-খবর নেয়া হচ্ছে। প্রয়োজনে ত্রাণের ব্যবস্থা করা হবে।

Need Ads
error: কপি হবে না!