শ্যামলবাংলা ডেস্ক : বরাবরের মতোই উপচে পড়া ভিড়, টিকেট পেতে বিলম্বের অভিযোগ আর ভোগান্তির মধ্য দিয়ে ঈদ-পূজায় ট্রেনের আগাম টিকেট বিক্রি শুরু হয়েছে। ২৬ সেপ্টেম্বর শুক্রবার ভোররাত থেকেই কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে টিকেট প্রত্যাশীদের অপেক্ষা শুরু হয়। টিকিট বিক্রি শুরু হয় সকাল ৯টা থেকে। কমলাপুর স্টেশনে মোট ১৫টি কাউন্টারে প্রতিদিন ১৮ থেকে ২০ হাজার আগাম টিকেট বিক্রি করা হবে বলে জানিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ।
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর টিকেট পেয়ে অনেকের মুখে যেমন হাসি দেখা গেছে, তেমনি শোনা গেছে টিকেট বিক্রির ধীর গতি নিয়ে আপত্তি। বৃহস্পতিবার গভীর রাত থেকে কমলাপুর স্টেশনে অপেক্ষা করা ময়মনসিংহের যাত্রী মোকসেদ রহমান বলেন, রাস্তার যে অবস্থা, আতঙ্কিত ছিলাম, টিকেট পাওয়ার পর স্বস্তি পেয়েছি।
শীতাতপনিয়ন্ত্রিত (এসি) আসন ও বার্থ টিকেট না পাওয়ার অভিযোগও করলেন টিকেট প্রত্যাশী অনেকে। এ প্রসঙ্গে রেলওয়ের মহাপরিচালক তফাজ্জল হোসেন বলেন, কেবিন বা এসি প্রথম শ্রেণির টিকিট সীমিত হওয়ায় কিছুটা সমস্যা হতে পারে। তবুও বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।
স্বাভাবিক অবস্থায় প্রতিদিন এক লাখ ৮০ হাজার টিকেট বিক্রি হলেও ঈদ-পূজা সামনে রেখে প্রতিদিন সব ট্রেন মিলিয়ে দুই লাখ ৫০ হাজার টিকেট বিক্রি করা হবে। প্রতিবারের মতো এবারও একজনকে ৪ টির বেশি টিকেট দেয়া হবে না।
হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিজয়া দশমীর ছুটি আগামী ৪ অক্টোবর। এর একদিন পর ৬ সেপ্টেম্বর মুসলমানদের অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব কোরবানির ঈদ। ৫ থেকে ৭ অক্টোবর ঈদের ছুটি হলেও ৩-৪ অক্টোবর শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি রয়েছে।
শুক্রবার প্রথম দিন কমলাপুর থেকে ঈদের ৫ দিন আগের টিকেট বিক্রি হয়েছে। রেল মহাপরিচালক তফাজ্জল হোসেন জানিয়েছেন, ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ধারাবাহিকভাবে ১ থেকে ৫ অক্টোবরের টিকেট বিক্রি হবে। আর ৩ অক্টোবর পাওয়া যাবে ৭ তারিখের ফিরতি টিকেট।




