আমিনুর ইসলাম, গাবতলী (বগুড়া) : আগামী ৪ জুন গাবতলী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নির্বাচনে ৩ প্যানেল প্রার্থীদের প্রচার প্রচারনা জমে উঠেছে। উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারের দোকান, ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা অফিস গুলোতে নানা রং এর পোষ্টার ব্যানারে ভরে গেছে। দীর্ঘ দিন পর সংসদের নির্বাচন হওয়ায় সাধারন মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে আনন্দের বন্যা বইছে। প্রার্থীরাও জোরে সোরে তাদের প্রচার অভিযান চালাচ্ছে। ভোটারদের আকৃষ্ট করতে প্রার্থীরা বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। প্যানেলের ছবি সম্বলিত পোস্টার ছাপিয়ে তাদের প্রচার চালাচ্ছে। আগামী ৪ জুন উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নির্বাচনে মোট ২৯৮ জন মুক্তিযোদ্ধা তিন বছরের জন্য তাদের নেতা নির্বাচন করবেন। কমান্ডার প্রার্থীরা হলেন হুমায়ন আলম চান্দু (কলস প্রতীক), আনোয়ারুল ইসলাম রন্টু(ঘোড়া প্রতীক) ও খাজা নাজিমদ্দিন(হাতি প্রতীক) নিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন। এদের প্যানেলে ডেপুটি কমান্ডার, সহকারী কমান্ডারসহ ১১ জন নির্বাচিত হবেন। উপজেলার বিভিন্ন চায়ের দোকানে মুক্তিযোদ্ধাদের এই ভোট নিয়ে আলোচনা ঝড় উঠেছে তাদের প্রশ্ন কে হবে মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার। তবে এদের মধ্যে হুমায়ন আলম চান্দু- মোতাহার পরিষদের জয় দেখতে চায় অনেক মুক্তিযোদ্ধারা । এ বিষয়ে মুক্তিযোদ্ধা আতোয়ার রহমান জানায় পুরাতনকে পিছনে ফেলে নতুনের আগমন দেখতে চাই, দূর্নীতি মুক্ত সংসদ চাইলে চান্দু-মোতাহার পরিষদের বিকল্প নাই। এ বিষয়ে যুদ্ধকালীন প্লাটুন কমান্ডার হুমায়ন আলম চান্দু জানায় মুক্তিযোদ্ধাদের পাশে থেকে সাধ্যমত উপকার করেছি। তারা যদি আমাকে নির্বাচিত করে তাহলে তাদের কল্যানে কাজ করবো এবং দূর্নীতি মুক্ত সংসদ গড়বো। তবে সকল প্রার্থীর কথা মুক্তিযোদ্ধারা গোপন ভোটে যে পনিষদকে নির্বাচিত করবে সেই রায় সবায় মেনে নেবেন।




