রামগঞ্জ (লক্ষীপুর) প্রতিনিধি : রামগঞ্জে উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়নের দক্ষিন চাঙ্গিরগাঁও গ্রামের যামিনি ঠাকুর বাড়ির ঠাকুর মন্দিরে সম্প্রতি দুর্বৃত্তদের অগ্নিসংযোগ করে পুড়িয়ে দেয়। সৃষ্ট ঘটনার প্রতিবাদে ও দোষীদেরকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবীতে শনিবার ১৯ এপ্রিল বিকেল ৪টায় রামগঞ্জ পৌরসভা পরিষদ সংলগ্ন বাইপাস সড়কের দুই পাশে উপজেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ ও পূজা উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে এক মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করে । অনুষ্ঠিত মানব বন্ধনে বক্তব্য রাখেন রামগঞ্জ পৌর সভার মেয়র বেলাল আহম্মদ,উপজেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি অপূর্ব কুমার সাহা(অপু),সহ-সভাপতি দিলীপ কুমার পাল, সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক সমর দাস, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি যুগল প্রসাদ বনিক, সাধারন সম্পাদক সমীর রঞ্জন সাহা, সাংগঠনিক সম্পাদক পিযুষ কান্তি সাহা লিটন, ছাত্র ও যুব পরিষদের সভাপতি জয়ন্ত কুমার বনিক, সাধারন সম্পাদক সঞ্জয় দাস প্রমূখ।
অনুষ্ঠিত মানব বন্ধনে বক্তরা বলেন গত ৩০ মার্চ গভীর রাতে একদল দুবৃর্ত্ত উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়নের দক্ষিন চাঙ্গির গাঁও গ্রামের যামিনি ঠাকুর বাড়ির ঠাকুর মন্দিরে অগ্নিসংযোগ করে পালিয়ে যায়। এতে ঠাকুর বাড়ির ৩টি ঘর,ঠাকুর মন্দিরে রক্ষিত ২টি পিতলের মূর্তি,আসবাবপত্র,ধর্মীয় বই পুস্তক ও মূল্যবান জিনিসপত্রসহ ঠাকুর মন্দিরটি সম্পূর্ন পুড়ে ভম্মিভুত হয়ে যায় । এ ঘটনায় ঠাকুর বাড়ির শিতল চক্রবর্তীর স্ত্রী প্রতিমা চক্রবর্তী রামগঞ্জ থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করেন। মানববন্ধন অনুষ্ঠান শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে রামগঞ্জ থানা পুলিশ শহরের নুরপ্লাজা মার্কেট থেকে মন্দিরে অগ্নিসংযোগের মূল হোতা চাঙ্গিঁরগাঁও গ্রামের শামছুল নুর পাটওয়ারীর ছেলে রফিকুল ইসলাম রবিনকে ৫টি হাত বোমাসহ গ্রেফতার করে । থানা ওসি লোকমান হোসেন জানান, গ্রেফতারকৃত রফিকুল ইসলাম রবিন মন্দিরে অগ্নিসংযোগের প্রধান আসামী । তাকে থানা এস আই মোঃ সেলিম ৫টি হাত বোমা ও একটি মোটর সাইকেলসহ গ্রেফতার করে । ধারনা কর হয়েছে অনুষ্ঠিত মানব বন্ধনে হামলা করার জন্য বোমা গুলি আনা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।




