সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি : ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি-চৌহালী) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বহিস্কৃত আওয়ামীলীগ নেতা আতাউর রহমান রতন সরকার দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট ডাকাতির অভিযোগ এনে নির্বাচন বর্জনের ঘোষনা দিয়েছেন। এদিকে প্রায় তিনটি ভোট কেন্দ্রে ককটেল বিস্ফোরন ও বাড়িঘর ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। ককটেল বিস্ফোরন ঘটাতে গিয়ে হাত উরে গেছে এক যুবকের। রবিবার বেলা সাড়ে বারটার দিকে সংবাদ সম্মেলন করে রতন ভোট বর্জনের ঘোষনা দেন এবং ভোর থেকে বারটা পর্যন্ত ককটেল বিস্ফোরনের ঘটনাগুলো ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শি ও স্থানীয়সুত্রে জানা যায়, বরিবার নির্বাচনের ভোট গ্রহন শুরুর সারে চারঘন্টা পর বেলকুচির সোহাগপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তাৎক্ষনিক এক সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচন বর্জনের ঘোষনা দেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আতাউর রহমান রতন। এসময় রতন উপজেলা রিটার্নি অফিসার ও সরকারদলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র থেকে রতনের এজেন্টদের বের করে দেওয়া হচ্ছে। এর প্রতিকার চাওয়া হলে উপজেলা রিটানিং অফিসার এর কোন ব্যাবস্থা গ্রহন করেনি। এর আগে রবিবার ভোররাতে বেলকুচি উপজেলার গাবগাছি এলাকায় ককটেল বিস্ফোরন ঘটাতে গিয়ে হাতের কব্জি উড়ে যায় সুজন (২৫) নামে এক যুবকের। সে উপজেলার শেরনগর গ্রামের জাহাঙ্গির হোসেনের ছেলে ও শিবির কর্মি বলে জানা গেছে। পরে তাকে উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সকাল নয়টার দিকে একই উপজেলার চরনবিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে পরপর দুটি ককটেল বিস্ফোরন ঘটায় নির্বাচন বিরোধীরা। এর পরে সকাল সাড়ে দশটার দিকে কল্যানপুর দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে প্রায় তিনটি ককটেলের বিস্ফোরন ঘটায়। এর কিছুক্ষন পর বেলা বারটার দিকে একই উপজেলার বওড়া ১নং সোহাগপুর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দে ও এর আশপাশে প্রায় পাচটি ককটেলের বিস্ফোরন ঘটানো হয়। বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হাই এ ঘটনাগুলোর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।




