মাহফুজার রহমান মনু, রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) : কুড়িগ্রামের রাজারহাটে নারী শ্রমিকের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে। ইটভাঙ্গা ইমারত নির্মান, পাথর ভাঙ্গা, রাজমিস্ত্রির জোগালি ছাড়াও আবাদ মৌসুমে ধান কাটা মাড়াই আলু তোলা, নিড়ানি প্রভৃতি শ্রমের কাজে এরা নিয়োজিত। কিন্তু নারী শ্রমিকের চাহিদা বাড়লেও সেই অনুপাতে এদের মজুরী বাড়ছে না। একই কাজে নিয়োজিত এক নারী শ্রমিককে পুরুষের অর্ধেক মজুরী দেয়া হচ্ছে। উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের ৮ হাজার নারী শ্রমিক বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত। এসব নারী শ্রমিকের মধ্যে স্বামী পরিত্যাক্ত বিধবারাই বেশী। এছাড়া প্রাকৃতিক দূর্যোগ ও নদী ভাঙ্গনে জমা-জমি হারিয়ে নিঃস্ব পরিবারের মহিলারাও পেটের দায়ে মাঠে কাজ করছে। রাজমিস্ত্রির যোগালী, মাটি কাটা, সাবান কারখানায়, জুতা ও গুল ফ্যাক্টরীতে পুরুষের পাশাপাশি সমান তালে কাজ করলে মজুরী পায় সামান্য। একজন পুরুষ শ্রমিককে প্রতিদিন ২শ’ টাকা মজুরী দেয়া হলেও নারী শ্রমিককে দেয়া হচ্ছে ১শ’ টাকা। অনেক সময় ঠিকাদারের অধীনে কাজ করলেও মহিলা শ্রমিকদের আরো কম মজুরি দেয়া হয়। ঘরের বাইরে কাজ করতে এসে মহিলারা নানা হয়রানির শিকার হয়। মহিলা শ্রমিকদের ছোট সন্তান থাকলে সহজে কেউ কাজ দিতে চায় না। তারপর জীবনের প্রয়োজনে নারী শ্রমিকরা হাটে ঘাটে মাঠে শ্রম বিক্রি করছে।




