শ্যামলবাংলা ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে মন্ত্রী পরিষদের অন্যান্য সদস্যরা তাদের পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। ১১ নভেম্বর সোমবার মন্ত্রী পরিষদের বৈঠকের পর তারা একযোগে ওই পদত্যাগপত্র জমা দেন। এরপর তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু উপস্থিত সাংবাদিকদের ওই তথ্য নিশ্চিত করেন। এসময় তিনি বলেন, মন্ত্রী পরিষদের বৈঠকে আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে অগ্রিম পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছি। তবে তিনি জানান, মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা পদত্যাগপত্র জমা দিলেও নির্বাচনকালীন সর্বদলীয় সরকার গঠনের পূর্ব পর্যন্ত দাফতরিক কাজ করে যাবেন। সেইসাথে তারা নির্বাহী ক্ষমতাও প্রয়োগ করতে পারবেন।
তবে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকালীন সর্বদলীয় সরকার কবে গঠিত হবে- সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী তা স্পষ্ট করতে পারেননি। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সংলাপের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। আমরা আশা করছি, বিরোধীদলকে অন্তর্ভুক্ত করেই সর্বদলীয় সরকার গঠিত হবে।
তিনি বিরোধী দলের অভিযোগের প্রেক্ষিতে জানান, বিরোধীদলীয় নেতা ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে গৃহবন্দি করা হয়নি। তার খাবার ও পানীয়ও বন্ধ করা হয়নি।
উল্লেখ্য, নির্বাচনকালীন সর্বদলীয় সরকার গঠনের লক্ষ্যে গত সপ্তাহে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী এবি তাজুল ইসলাম, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেই পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত রবিবার সাংবাদিকদের বলেছেন, তিনি আগেই পদত্যাগপত্র দিয়ে রেখেছেন।
অন্যদিকে যেদিন নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করা হবে, ওই দিনই পদত্যাগপত্র গৃহীত হবে। তবে নির্বাচনকালীন সর্বদলীয় সরকারের মন্ত্রিসভায় যারা সদস্য হবেন, শুধু তাদের পদত্যাগ কার্যকর হবে না। আগামী ২১ নভেম্বরের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে নির্বাচনকালীন সর্বদলীয় সরকার গঠিত হতে পারে।




