ads

শুক্রবার , ১৩ নভেম্বর ২০১৫ | ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

প্রেমে ব্যর্থ হয়ে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে হত্যা

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
নভেম্বর ১৩, ২০১৫ ৫:৪৯ অপরাহ্ণ

nadiraময়মনসিংহ প্রতিনিধি : প্রেমে ব্যর্থ হয়ে নাদিরা আক্তার নামে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে হত্যা করেছে তারই ফুফাতো ভাই মুন্না। আর এ হত্যাকাণ্ডের ৭/৮ ঘণ্টা পর ময়মনসিংহ শহরের হেলথ অফিসার অভিযুক্ত শাহজাহান হাবিব মুন্নাকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছে মুন্না। নিহত নাদিরা ময়মনসিংহ শহরের গনশার মোড় এলাকার বাসিন্দা ভ্যানচালক ইউনুছ আলীর মেয়ে।
পুলিশ জানায়, নাদিরা আক্তার মাসকান্দায় জেলা পরিষদ উচ্চ বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণিতে লেখাপড়া করে। নাদিরার ফুফাত ভাই প্রাইভেটকারচালক শাহজাহান হাবিব মুন্না তাকে প্রেমের প্রস্তাব দেয়। কিন্তু নাদিরা প্রেমে সাড়া না দেয়ায় মুন্না প্রায়ই তাকে রাস্তায় উত্ত্যক্ত করতো। এ ঘটনায় মুন্নাকে বাড়িতে আসতে নিষেধ করে নাদিরার মা মাজেদা বেগম। আর এরই জের ধরে বৃহস্পতিবার দুপুরে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে নাদিরাকে প্রাইভেটকারে তুলে নিয়ে যায় মুন্না। পরে কারের মধ্যেই গলা কেটে নাদিরাকে হত্যা করে। এরপর ময়মনসিংহ শহর বাইপাস সড়কের পার্শ্বে সদর উপজেলার বাদেকল্পা এলাকায় নাদিরার মরেদেহ ফেলে রেখে যায় মুন্না।
এরপর স্থানীয়রা স্কুলছাত্রীর মরদেহ দেখে পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ বিকেল ৪টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। সন্ধ্যায় ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়। রাতেই পুলিশ সন্দেহভাজন খুনি মুন্নার মা হ্যাপি আক্তারকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে।
জিজ্ঞাসাবাদে হ্যাপি পুলিশকে জানায়, তার ছেলে মুন্না ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনের জাতীয় সংসদের আনোয়ার আবেদিন তুহিনের প্রাইভেটকার চালক। এরপর এমপির সহায়তায় পুলিশ মুন্নাকে ময়মনসিংহ শহরের সানকিপাড়া হেলথ অফিসারের গলির একটি বাসা থেকে গ্রেফতার করে।
জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মঈনুল হক সাংবাদিকদের জানান, মুন্না প্রেমে ব্যর্থ হয়ে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে স্বীকার করেছে। প্রাইভেটকারের ভেতরেই নাদিরাকে হত্যা করা হয় বলেও মুন্না পুলিশকে জানিয়েছে। পুলিশের একটি সূত্র জানায়, মুন্না যে প্রাইভেটকারটি চালায় ওই কারটি মেরামতের জন্য গ্যারেজে নেয়ার কথা ছিল। কিন্তু মুন্না গাড়িটি গ্যারেজে না নিয়ে স্কুল থেকে নাদিরাকে অপহরণের কাজে ব্যবহার করে। গাড়ির ভেতরেই নাদিরাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে ছুরিকাঘাত ও গলা কেটে হত্যা করে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত গাড়িটি আলামত হিসেবে আটক করেছে পুলিশ।
এদিকে, ময়নাতদন্তের জন্য নাদিরার মরদেহ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। শুক্রবার ফরেনসিক বিভাগের চিসিৎসক না থাকায় ময়নাতদন্ত শনিবার হওয়ার কথা রয়েছে। এদিকে, নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের জন্য দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন এলাকাবাসী। তারা সিলেটের শিশু রাজন ও খুলনার রাকিব হত্যাকাণ্ডের বিচারের মতো নাদিরা হত্যার দ্রুত বিচার দাবি করেছেন।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!