ঝিনাইদহ প্রতিনিধি : ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কোদালিয়া গ্রামে স্কুল ছাত্রী ধর্ষনের মামলায় রুবেল হোসেন (৩০) নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা প্রদান করেছে আদালত। ১৯ নভেম্বর বুধবার দুপুরে ঝিনাইদহ জেলা দায়রা জজ এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোঃ রফিকুল ইসলাম ওই রায় প্রদান করেন। সাজা প্রাপ্ত আসামী রুবেল হোসেন সদর উপজেলার কোদালিয়া গ্রামের আবুল শেখের ছেলে।

আদালত সূত্রে মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, কোদালিয়া গ্রামের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী ২০১০ সালের ৬ অক্টোবর প্রতিবেশীর বাড়িতে ছোট বোনকে খুঁজতে যায়। ওই সময় নির্জন দুপুরে একা পেয়ে লম্পট রুবেল জোরপূর্বক ওই ছাত্রীকে ঘরের ভিতরে নিয়ে ধর্ষণ করে। ঝিনাইদহ সদর থানায় ধর্ষণের ঘটনায় স্কুলছাত্রীর মা বাদি হয়ে ওই দিনই একটি মামলা দায়ের করে। পুলিশ তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে।
এ মামলায় ৮ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে দুপুর ২টার দিকে ঝিনাইদহ জেলা দায়রা জজ এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোঃ রফিকুল ইসলাম আসামী রুবেল হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদ- ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা প্রদান করেন।
এদিকে ধর্ষকের যাবজ্জীবন কারাদ- হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রাষ্টপক্ষের আইনজীবি রাশিদুল ইসলাম।
ঝিনাইদহের শৈলকুপায় স্টার ব্রিকস ভাটায় ১ লাখ কাঁচা ইট ভেঙ্গে নষ্ট করেছে দুর্বত্তরা

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার মোহাম্মদপুর গ্রামের স্টার ব্রিকস ভাটায় প্রায় এক লাখ কাঁচা ইট ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে একদল দুর্বত্ত এ ঘটনা ঘটায়। ক্ষতিগ্রস্থ ইটের মূল্য প্রায় দুই লাখ টাকা।
ইটভাটার মালিক মিরাজুল ইসলাম মোমিন জানান, মোহাম্মদপুর গ্রামের মাঠে স্টার ব্রিকস নামে তার একটি ইট ভাটা রয়েছে। রাত ১১টার দিকে ২৫/৩০ জনের একদল দুর্বত্ত ধারালো অস্ত্র ও লাঠি সোটা নিয়ে ইটভাটাটিতে হামলা চালায়। এ সময় তারা ওই ভাটার কয়েকজন শ্রমিককে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মারধর করে। তারা সে সময়ে প্রায় ১ লাখ কাঁচা ইট ভাংচুর করে নষ্ট করে দেয়। পূর্ব শত্রুতা বা প্রতিহিংসা পরায়ন হয়ে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে তিনি ধারণা করছেন। ইতিপূর্বেও রাতের আঁধারে একাধিকবার দুর্বত্তরা ভাটাটির শ্রমিকদের মারপিট ও ইট ভাংচুরের ঘটনা ঘটিয়েছে বলে তিনি আরও জানান। এ ঘটনায় ভাটার শ্রমিক ও মালিক আতঙ্কগ্রস্থ হয়ে পড়েছে।
ভাটায় হামলা করে ইট ভাংচুরের ঘটনায় স্থানীয় কয়েকটি গ্রামের গণ্যমান্য ব্যাক্তিদের নিয়ে একাধিকবার বৈঠক করা হয়েছে। তার পরেও ভাটাটির মালিককে ক্ষতিগ্রস্থ করার জন্য একের পর এক এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়ে চলেছে দুর্বত্তরা। ভাটার মালিক নির্বিঘেœ ব্যবসা পরিচালনা করার জন্য প্রশাসনসহ এলাকাবাসির সহযোগীতা কামনা করেছেন।




