• শুক্রবার, ০৫ মার্চ ২০২১, ০৪:০৯ পূর্বাহ্ন

প্রধানমন্ত্রীর ঘর উপহার পেল শ্রীবরদীর ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ১০টি অসহায় পরিবার

প্রতিবেদকের নাম / ২০৭ বার পঠিত
প্রকাশকাল : মঙ্গলবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২১

স্টাফ রিপোর্টার, শ্রীবরদী ॥ প্রধানমন্ত্রীর ঘর উপহার পেল শেরপুরের শ্রীবরদীর ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অসহায় দরিদ্র ১০টি পরিবার। মঙ্গলবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিলুফা আক্তার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সদস্যদের মাঝে দুই কক্ষ বিশিষ্ট সেমিপাকা ঘরগুলো বুঝিয়ে দেন। এ সময় পাকা ঘর পেয়ে খুশি ওইসব পরিবারের সদস্যরা।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ২০১৯-২০ অর্থ বছরের ক্ষুদ্র নৃ- গোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে বিশেষ এলাকার জন্যে গৃহীত উন্নয়ন সহায়তা কর্মসূচীর আওতায় ১০টি ঘর নির্মাণ করা হয়। উপজেলা প্রশাসনের বাস্তবায়নে সম্প্রতি ঘরগুলো নির্মাণ কাজ শেষ হয়। প্রতি ঘরের জন্য বরাদ্দ ছিল ২ লাখ ২০ হাজার টাকা।

সরেজমিন গেলে দেখা যায়, দুই কক্ষ বিশিষ্ট বারান্দাসহ ঘরগুলো সাজানো গোছানো। ঘরের নির্মাণ কাজ দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ঘর মালিকরা। প্রধানমন্ত্রীর উপহার ঘরগুলো পেয়েছেন উপজেলার হাড়িয়াকোনা গ্রামের ফিলোমিনা ম্রং, আন্দ্রিয়া মৃ, সূচনা মৃ, বাবেলাকোনা গ্রামের সমাপ্তি ম্রং, চন্দ্র ম্রং, রেনুকা ম্রং, খারামোড়া গ্রামের চিরুনি চিরান, অমিলা চিরান, রানীশিমুলের রবিন্দ্র বর্মণ ও শ্রীবরদী সদরের সুকুমার বর্মণ। মঙ্গলবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিলুফা আক্তার, সহকারি কমিশনার (ভূমি) মনজুর আহসান ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান পরিদর্শনে গেলে হারিয়াকোনা গ্রামের সুচনা মৃ বলেন, আমি দিদির বাড়িতে ছিলাম। আমার কোনো ঘর ছিলনা। প্রধানমন্ত্রীর ঘর পেয়ে আমার নিজের মাথা গোঁজার ঠাঁই হয়েছে। এসময় তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনা করেন। তার মতো ঘর পেয়ে অন্যান্য অসহায় পরিবাররাও খুশি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ট্রাইবাল ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান প্রাঞ্জল এম সাংমা ও গণমাধ্যমকর্মীরা।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিলুফা আক্তার বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বিশেষ সহায়তা প্রকল্পের আওতায় ২০১৯-২০ অর্থ বছরের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জন্যে ১০টি ঘরের বরাদ্দ পাই। ঘরগুলো ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অসহায় দরিদ্রদের মধ্যে বন্টন করেছি। উপজেলা ট্রাইবাল ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের সহযোগিতায় প্রকৃত উপকারভোগী বাছাই করে ঘরগুলো নির্মাণ করে দিয়েছি। এছাড়াও উক্ত প্রকল্পের আওতায় ১০টি পরিবারকে অগভীর নলকূপ ও ৪টি পরিবারকে স্যানিটারি ল্যাট্রিন দেয়া হয়েছে। বর্তমান অর্থ বছরে আরো ১০টি ঘর বরাদ্দ পেয়েছি। এই জনপদে পিছিয়ে পড়া, অসহায়, ছিন্নমূল, স্বামী পরিত্যাক্তা, বিধবা, ভিক্ষুক, প্রতিবন্ধীদেরকে যাচাই বাছাই করে ১০টি ঘর নির্মাণ করে দিবো।

Print Friendly, PDF & Email


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর