• সোমবার, ০৮ মার্চ ২০২১, ০৯:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শ্রীবরদীতে নানা আয়োজনে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উদযাপন নালিতাবাড়ীতে পুলিশের আনন্দ উৎসব উদযাপন নালিতাবাড়ীতে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উদযাপন শাকিবের নতুন লুক নজর কাড়ল সিনেমাপ্রেমীদের ঝিনাইগাতীতে পুলিশের উদ্যোগে ৭ মার্চ উদযাপন ৭ মার্চ উদযাপন ও উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্তিতে শ্রীবরদীতে পুলিশের আনন্দ উৎসব জামালপুরে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি শেরপুরে ৭ মার্চ উদযাপন উপলক্ষে পুলিশের আনন্দ উৎসব রমজানে বাজার স্বাভাবিক রাখতে ২৫ হাজার মেট্রিক টন ভোজ্য তেল আমদানি করা হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন ৯ ব্যক্তি ও এক প্রতিষ্ঠান

যুক্ত হলো পদ্মার দুই পাড়, স্বপ্নের সেতু পুরো দৃশ্যমান

প্রতিবেদকের নাম / ৪৭৭ বার পঠিত
প্রকাশকাল : বৃহস্পতিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২০

শ্যামলবাংলা ডেস্ক : পদ্মা সেতুর মূল অবকাঠামো নির্মাণের ৫ বছর পূর্তির দুই দিন আগে খুঁটির ওপর বসল সর্বশেষ ৪১তম স্প্যান। বহুল কাঙ্ক্ষিত এই স্প্যান বসার মধ্য দিয়ে সেতুর মূল অবকাঠামো শতভাগ দৃশ্যমান হলো। বাস্তবে ধরা দিল দীর্ঘদিনের এক স্বপ্ন। ১০ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মাওয়া প্রান্তে ১২ ও ১৩ নম্বর খুঁটির ওপর সর্বশেষ ৪১তম স্প্যানটি বসানোর কাজ শুরু হয়। বেলা ১২টার দিকে শেষ হয় কাজ। এই দৃশ্য প্রচার করা হয় টেলিভিশন, অনলাইন সংবাদ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে। ঐতিহাসিক এই মুহূর্তের সাক্ষী হয়েছে বাংলাদেশ, পুরো বিশ্ব।
১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের এ স্প্যানটি স্থাপিত হওয়ার মধ্য দিয়ে মিলিত হলো প্রমত্ত পদ্মার দুই তীর। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২৯ জেলার সঙ্গে সারা দেশের সরাসরি সংযোগ স্থাপিত হওয়ার পথও এখন উন্মুক্ত হওয়ার পথে। আগামী বছরে অর্থ্যাৎ আর ১০ থেকে ১১ মাসের মধ্যেই এই সেতু যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে বলে সম্প্রতি জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
মূল সেতুর প্রকল্প ব্যবস্থাপক দেওয়ার মোহাম্মদ আবদুল কাদের জানান, দুপুর ১২টা ২ মিনিটে ৪১তম স্প্যানের জোড়া লাগানোর মাধ্যমে পদ্মার দুই পাড় যুক্ত হয়েছে।

এর আগে বাংলাদেশ ও চীনের পতাকায় সজ্জিত স্প্যানটি কুমারভোগ কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডের স্টক জেটি থেকে ক্রেনবাহী জাহাজ ‘তিয়ান-ই’তে করে নেওয়া হয় দুই পিলারের কাছে।
২০০১ সালের ৪ জুলাই পদ্মা সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর প্রায় সাত বছর কাজ এগোয়নি। স্থান নির্ধারণের পর অর্থায়ন জটিলতায় যায় আরও পাঁচ বছর। কথিত দুর্নীতির অভিযোগে বিশ্বব্যাংক সরে যাওয়ার পর নিজস্ব অর্থায়নে ২০১৫ সালের ১২ ডিসেম্বর সেতু অবকাঠামো নির্মাণ শুরু হয়।
ঠিক পাঁচ বছর পর সবক’টি স্প্যান বসানোর মাধ্যমে ছয় দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা সেতু পুরোপুরি দৃশ্যমান হলো। ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর প্রথম স্প্যান বসেছিল। সেবার বড় আয়োজন থাকলেও করোনার কারণে শেষ স্প্যান বসানোর কোনো আনুষ্ঠানিকতা নেই। শুধু সেতুর কর্মীরা রয়েছেন।
৩০ হাজার ১৯৩ কোটি টাকার দ্বিতল পদ্মা সেতুর ওপরের ডেকে চলবে গাড়ি, নিচের ডেকে ট্রেন। ২০১৮ সালের নভেম্বরে কাজ শেষ হওয়ার লক্ষ্য থাকলেও নানা প্রতিবন্ধকতায় তা হয়নি। দুই দফা সময় বেড়েছে। নতুন লক্ষ্য আগামী জুনে কাজ শেষ করা। কিন্তু করোনা ও বন্যার কারণে তা হচ্ছে না। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন ২০২২ সালের এপ্রিল পর্যন্ত সময় চেয়েছে। তবে সেতু কর্তৃপক্ষ আশাবাদী ২০২১ সালের ডিসেম্বরে কাজ শেষ হবে।

Print Friendly, PDF & Email


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর