• সোমবার, ০৮ মার্চ ২০২১, ০৫:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শ্রীবরদীতে নানা আয়োজনে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উদযাপন নালিতাবাড়ীতে পুলিশের আনন্দ উৎসব উদযাপন নালিতাবাড়ীতে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উদযাপন শাকিবের নতুন লুক নজর কাড়ল সিনেমাপ্রেমীদের ঝিনাইগাতীতে পুলিশের উদ্যোগে ৭ মার্চ উদযাপন ৭ মার্চ উদযাপন ও উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্তিতে শ্রীবরদীতে পুলিশের আনন্দ উৎসব জামালপুরে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি শেরপুরে ৭ মার্চ উদযাপন উপলক্ষে পুলিশের আনন্দ উৎসব রমজানে বাজার স্বাভাবিক রাখতে ২৫ হাজার মেট্রিক টন ভোজ্য তেল আমদানি করা হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন ৯ ব্যক্তি ও এক প্রতিষ্ঠান

নালিতাবাড়ীর সেই শহীদ জায়ারা এবারও পেলেন পুলিশ সুপারের ঈদ উপহার

প্রতিবেদকের নাম / ৬০৬ বার পঠিত
প্রকাশকাল : শুক্রবার, ২২ মে, ২০২০

স্টাফ রিপোর্টার ॥ শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার সোহাগপুর বীরকন্যাপল্লী (বিধবাপল্লীর) সেই শহীদ জায়ারা এবারও পেয়েছেন পুলিশ কাজী আশরাফুল আজীম পিপিএম’র ঈদ উপহার। ২২ মে শুক্রবার দুপুরে বীরকন্যাপল্লীতে গিয়ে ২৭ জন শহীদ জায়ার হাতে স্বয়ং পুলিশ সুপার তুলে দেন ওই ঈদ উপহার।
উপহার সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে শাড়ী, ১০ কেজি চাল, ডাল, সেমাই, চিনি, সাবান ইত্যাদি। ওইসময় তিনি শহীদ জায়াসহ তাদের পরিবার-পরিজনদের প্রতি জেলা পুলিশের তরফ থেকে ঈদের আগাম শুভেচ্ছা জানান। সেই সাথে তিনি যে কোন উৎসব-পার্বন আর দুর্যোগ-সংকটে জেলা পুলিশ তাদের পাশে থাকবে বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

ঈদ উপহার বিতরণকালে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (নালিতাবাড়ী সার্কেল) জাহাঙ্গীর আলম, নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বশির আহম্মেদ বাদল, ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোখলেছুর রহমানসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বশির আহম্মেদ বাদল বলেন, মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে স্বামী-সন্তান হারানো সেই শহীদ জায়ারা আমাদের গর্ব। এ জন্য পুলিশ সুপার কাজী আশরাফুল আজীমের নেতৃত্বে জেলা পুলিশের তরফ থেকে তাদের মুল্যায়ন ও স্মরণ করা হয়ে থাকে। তারই ধারাবাহিকতায় এবার অন্যদের মতো তাদের মাঝেও যেন ঈদের আনন্দ জাগে- সে চিন্তা চেতনায় ওই ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ২৫ জুলাই নালিতাবাড়ী উপজেলার কাকরকান্দি ইউনিয়নের সোহাগপুর গ্রামের পাকাহাদার বাহিনী নির্বিচারে গণহত্যা চালায়। এতে ওই গ্রামের ১৮৭ জন পুরুষ মানুষকে হত্যা করা হয়। তখন বিধবা হন ৬২ জন নারী। ওই গ্রামের পুরুষদের হত্যা করার পর গ্রামটি বিধবাপল্লী হিসেবে পরিচিতি পায়। বর্তমানে ওই বিধবাদের মধ্যে বেঁচে আছেন ২৭ জন। তাদের মধ্যে সরকার এ পর্যন্ত ১২জন বিধবাকে মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি দিয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর