• সোমবার, ০৮ মার্চ ২০২১, ০৭:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শ্রীবরদীতে নানা আয়োজনে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উদযাপন নালিতাবাড়ীতে পুলিশের আনন্দ উৎসব উদযাপন নালিতাবাড়ীতে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উদযাপন শাকিবের নতুন লুক নজর কাড়ল সিনেমাপ্রেমীদের ঝিনাইগাতীতে পুলিশের উদ্যোগে ৭ মার্চ উদযাপন ৭ মার্চ উদযাপন ও উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্তিতে শ্রীবরদীতে পুলিশের আনন্দ উৎসব জামালপুরে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি শেরপুরে ৭ মার্চ উদযাপন উপলক্ষে পুলিশের আনন্দ উৎসব রমজানে বাজার স্বাভাবিক রাখতে ২৫ হাজার মেট্রিক টন ভোজ্য তেল আমদানি করা হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন ৯ ব্যক্তি ও এক প্রতিষ্ঠান

শ্রীবরদীতে দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত কিশোরী রিমি বাঁচতে চায়

প্রতিবেদকের নাম / ১০৭০ বার পঠিত
প্রকাশকাল : সোমবার, ২৮ অক্টোবর, ২০১৯

স্টাফ রিপোর্টার ॥ শেরপুরে জন্মগত মলদ্বার সমস্যায় আক্রান্ত মাদ্রাসাছাত্রী রিমি আক্তার (১২) বাঁচতে চায়। রিমি শ্রীবরদী উপজেলার সদর ইউনিয়নের মামদামারী গ্রামের হতদরিদ্র রেজাউল করিম ও রেহানা খাতুনের মেয়ে এবং স্থানীয় কাকিলাকুড়া ফাজিল মাদ্রাসার ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী।
জানা যায়, গার্মেন্টস শ্রমিক হতদরিদ্র রেজাউল করিমের ৩ ছেলে-মেয়ের মধ্যে রিমি আক্তার সবার ছোট। বড় মেয়ে রিতু আক্তার শেরপুর সরকারি কলেজে ইংরেজি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী ও ছেলে রাকিব হোসেন বকশীগঞ্জ কিয়ামত উল্লাহ ডিগ্রী কলেজের এইচএসসি প্রথম বর্ষের ছাত্র। রিমি ২০০৬ সালের ২৫ মার্চ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জন্মগত মলদ্বারে সমস্যা নিয়েই জন্মগ্রহণ করে। স্বাভাবিক নিয়মে প্রশ্রাব-পায়খানা না হওয়ায় একদিন পর তার মলদ্বারে অস্ত্রোপচার করা হয়। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস, আবারও মলদ্বার সরু হয়ে যাওয়ায় ২০১১ সালে ঢাকা শিশু হাসপাতালে দ্বিতীয়বারের মতো পায়ুপথে অস্ত্রোপচার করা হয়। এরপরও প্রকৃতির নিয়মে প্রশ্রাব-পায়খানার সমস্যা দেখা দিলে ২০১৭ সালের সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল গাজীপুরে অস্ত্রোপচার করে পেটের সামনের অংশ দিয়ে বিকল্প মলদ্বার তৈরি করে দেওয়া হয়। এখন স্বাভাবিক নিয়মে প্রশ্রাব-পায়খানার জন্য মলদ্বারে ফের অস্ত্রোপচার প্রয়োজন। বর্তমানে সে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু সার্জন ডাঃ সৈয়দ আব্দুল আদিলের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নিচ্ছে। বর্তমানে তার সুচিকিৎসার জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থের প্রয়োজনÑ যা তার দরিদ্র পিতা-মাতার পক্ষে জোগাড় করা কোনভাবেই সম্ভব নয়। ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়া ও মোটা অঙ্কের চিকিৎসা ব্যয়ে রিমির বাবা-মা সর্বস্ব হারিয়ে এখন দিশেহারা। এজন্য রিমিকে বাঁচাতে তিনি সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয়বান ব্যক্তিদের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
সহযোগিতার জন্য যোগাযোগ করতে পারেন রিমির মামা মোঃ আহসান : ০১৯১২-১৯৬১৯৩ (বিকাশ) ও সঞ্চয়ী হিসাব নং- গোলাম মোস্তফা, ৬২০৬১০০০০২৫৫২, সোনালী ব্যাংক, নয়ানীবাজার শাখা, শেরপুর।

Print Friendly, PDF & Email


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর