• সোমবার, ০৮ মার্চ ২০২১, ০৭:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শ্রীবরদীতে নানা আয়োজনে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উদযাপন নালিতাবাড়ীতে পুলিশের আনন্দ উৎসব উদযাপন নালিতাবাড়ীতে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উদযাপন শাকিবের নতুন লুক নজর কাড়ল সিনেমাপ্রেমীদের ঝিনাইগাতীতে পুলিশের উদ্যোগে ৭ মার্চ উদযাপন ৭ মার্চ উদযাপন ও উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্তিতে শ্রীবরদীতে পুলিশের আনন্দ উৎসব জামালপুরে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি শেরপুরে ৭ মার্চ উদযাপন উপলক্ষে পুলিশের আনন্দ উৎসব রমজানে বাজার স্বাভাবিক রাখতে ২৫ হাজার মেট্রিক টন ভোজ্য তেল আমদানি করা হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন ৯ ব্যক্তি ও এক প্রতিষ্ঠান

অরিত্রির শিক্ষক হাসনা হেনা কারাগারে

প্রতিবেদকের নাম / ৩৯৯ বার পঠিত
প্রকাশকাল : বৃহস্পতিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৮

শ্যামলবাংলা ডেস্ক : ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির ছাত্রী অরিত্রি অধিকারীকে আত্মহত্যার প্ররোচণার মামলায় গ্রেফতার শ্রেণি শিক্ষক হাসনা হেনাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বুধবার রাতে উত্তরা থেকে গ্রেফতারের পর বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে ঢাকা মুখ্য নগর হাকিম আদালতে হাজির করা হলে শুনানি শেষে বিচারক হেনাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের পূর্ব বিভাগের ডিসি খন্দকার নুরুন নবী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মঙ্গলবার রাতে অরিত্রির আত্মহত্যার ঘটনায় পল্টন থানায় ওই মামলা করেন তার বাবা। আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে হওয়া মামলায় শিক্ষা ভিকারুননিসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌস, প্রভাতি শাখার প্রধান জিনাত আরা এবং হাসনা হেনাকে আসামি করা হয়। পরে বুধবার সন্ধ্যায় ভিকারুননিসা স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিং বডির এক জরুরি সভায় ওই তিনজনকে বহিষ্কার করা হয়।
এদিন দুপুরে অরিত্রির আত্মহত্যার ঘটনায় গঠিত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের সারাংশ তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। এতে বলা হয়, অভিযুক্তরা মানসিকভাবে অরিত্রিকে বিপর্যস্ত করে তোলে এবং তাকে আত্মহত্যায় প্ররোচিত করে। এ জন্য কমিটি তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে বলেছে।
উল্লেখ্য, গত রবিবার পরীক্ষার হলে মোবাইল ফোন সঙ্গে নিয়ে গিয়েছিল অরিত্রি অধিকারী (১৫)। ফোনে নকল থাকার অভিযোগ তুলে তাকে পরীক্ষা থেকে বহিষ্কার করা হয়।এরপর ওই ছাত্রীর বাবা-মাকে ডেকে পাঠায় স্কুল কর্তৃপক্ষ। সোমবার সকালে তারা স্কুলে যান এবং মেয়ের হয়ে দফায় দফায় ক্ষমা চান। কিন্তু এরপরও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ তাদের অপমান করেন এবং স্কুল থেকে অরিত্রি অধিকারীকে ছাড়পত্র দেওয়ার ঘোষণা দেন। নিজের সামনে বাবা-মায়ের এমন অপমান সইতে না পেরে ওইদিন দুপুরে শান্তিনগরের বাসায় ফিরে গলায় ওড়না দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে ওই ছাত্রী। ওই ঘটনার জেরে মঙ্গলবার শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের আন্দোলনে উত্তাল হয়ে উঠে বেইলি রোডে ভিকারুননিসার ক্যাম্পাস। বুধবারও চলে আন্দোলন। এসময় অধ্যক্ষের পদত্যাগ ও তাকে আত্মহত্যায় প্ররোচণার দায়ে শাস্তিসহ ছয় দফা দাবি জানায় শিক্ষার্থীরা। বিকেলে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচি স্থগিতের ঘোষণা দেয় তারা। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী বৃহস্পতিবার সকালে ক্যাম্পাসের সামনে অবস্থান নিয়ে বেশ কিছু শিক্ষার্থী তৃতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ শুরু করে।
আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এ ঘটনায় কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপে তারা সন্তুষ্ট। তবে পরিচালনা কমিটির সদস্যদের পদত্যাগ এবং অরিত্রীর বাবা-মায়ের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের জন্য তাদের কাছে কর্তৃপক্ষের প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনার বিষয়টিও কার্যকর দেখতে চায় তারা। শিক্ষার্থীরা জানায়, দাবিগুলো পূরণ না হলে ক্লাস ও পরীক্ষায় অংশ নেবে না। পরে দুপুরে ভিকারুননিসা গভর্নিং বডির সভাপতি গোলাম আশরাফ তালুকদার সাংবাদিকদের সামনে হাজির হয়ে অরিত্রির বাবা-মায়ের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। তিনি বলেন, আমরা মর্মাহত। আমরা এ ঘটনায় জন্য অরিত্রীর বাবা-মায়ের কাছে ক্ষমা চাই। প্রতিষ্ঠানের বৃহত্তর স্বার্থে আমার পদত্যাগের প্রয়োজন হলে আমি করব।

Print Friendly, PDF & Email


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর