ads

বুধবার , ৭ জানুয়ারি ২০২৬ | ১০ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শেরপুরে যুবদের মাদকবিরোধী শপথ অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার
জানুয়ারি ৭, ২০২৬ ২:২৯ অপরাহ্ণ

‘মাদককে না বলি, সুস্থ্য-সুন্দর জীবন গড়ি’, ‘মাদক পরিহার করি, নিজে বাঁচি, আগামী প্রজন্মকে বাঁচাই’-এ প্রতিপাদ্যে মাদক থেকে যুব সমাজকে বাঁচাতে শেরপুরে মাদকবিরোধী শপথ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৭ জানুয়ারি বুধবার সকালে শহরের রঘুনাথ বাজার থানা মোড়ে ওই শপথ অনুষ্ঠিত হয়। তারুণ্যের উৎসব উদযাপন উপলক্ষে নাগরিক প্ল্যাটফরম জনউদ্যোগ শেরপুর কমিটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ইনস্টিটিউট ফর এনভায়রণমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (আইইডি)-এর সহায়তায় ওই শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

Shamol Bangla Ads

এদিন শহরের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৫০ জন তরুণ-তরুণীকে মাদকবিরোধী শপথ বাক্য পাঠ করান জনউদ্যোগ আহ্বায়ক শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ। অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট সমাজসেবী শেরপুর ডায়াবেটিক সমিতির প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি রাজিয়া সামাদ ডালিয়া প্রধান অতিথি এবং জামালপুর মুক্তি সংগ্রাম জাদুঘরের ট্রাস্টি হিল্লোল সরকার বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটির সদস্য ফরিদ আহমেদ লুলু, শেরপুর সরকারী কলেজের রোভার স্কাউট ইউনিট লিডার নুমান আহমেদ, জনউদ্যোগ যুব ফোরামের আহ্বায়ক শুভংকর সাহা প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাজিয়া সামাদ ডালিয়া বলেন, ‘দেশে মাদকাসক্তের সংখ্যা দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেজন্য সরকারের আরও বেশি কঠোর হওয়া দরকার। মাদকবিরোধী অভিযানের পাশাপাশি সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। তরুণ-যুবদেরকে সচেতন করার পাশাপাশি তাদের জন্য সুস্থ্য বিনোদন, খেলাধুলার ব্যবস্থা করতে হবে। তিনি ২০২৬ সালকে শেরপুর জেলার জন্য খেলাধুলার বছর হিসেবে ঘোষণা করে তার পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

Shamol Bangla Ads

জামালপুর মুক্তি সংগ্রাম জাদুঘরের ট্রাস্টি হিল্লোল সরকার বলেন, তরুণরা আগামী প্রজন্মের ভবিষ্যত। তরুণদের হাত ধরে দেশ এগিয়ে যাবে। সেই তরুণরা যদি মাদকের ভয়াল থাবায় পড়ে, তাহলে দেশের অগ্রযাত্রা অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সেজন্য তরুণদের সচেতনতার শিক্ষা সর্ব প্রথম দিতে হবে। সচেতনতাই পারে তুণ সমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে দূরে রাখতে। তিনি বলেন, আমাদের ছোটবেলায় শৈশব-তারুণ্যে আমরা পুকুরে-নদী, খাল-বিলে সাঁতার কেটেছি, মাঠে-ময়দানে খেলাধুলা করেছি, নাটক করেছি। এখন পুকুর-নদী, খাল ভরাট হয়েছে। খেলাধুলা, নাট্য চর্চার সুযোগ কমে গেছে। যার কারণে মাদকের নেশায় তরুণ-যুবরা বুদ হয়েছে। যে পরিবারে একজন মাদকাসক্ত রয়েছে, সেই পরিবারটি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে চলে গেছে। এজন্য সুস্থ্য বিনোদন, সংস্কৃতি চর্চা ও খেলাধুলার সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে তরুণ-যুবদের জন্য। তবেই মাদক থেকে যুব সমাজকে রক্ষা করা যাবে।

শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ বলেন, মাদকাসক্তি একটি সামজিক ব্যাধী, সব্রগ্রাসী মরন নেশা। এ নেশার কারনে মারাত্মকভাবে আক্রান্ত দেশের লাখ লাখ মানুষ, বিশেষ করে তরুণ-যুব সমাজ। মাদকের নীল দংশনে তরুণ সমাজ আজ বিপদগামী ও বিপন্ন। দেশকে এগিয়ে নিতে হলে মাদকমুক্ত দেশ গড়তে হবে, যুব সমাজকে রক্ষা করতে হবে। মাদক আগ্রাসন থেকে নিজেকে বাঁচাতে হবে, রক্ষা করতে হবে পরিবার-সমাজ- দেশকে। আর এখনি সময় মাদকের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবার, এখনি সময় মাদকমুক্ত জীবন গড়ার শপথ নিয়ে মাদককে না বলার। তিনি বলেন, জীবন একটাই। আর সুন্দরভাবে বাঁচার নামই জীবন। কিন্তু মাদক জীবন থেকে জীবনকে কেড়ে নেয়। প্রতিনিয়ত মাদকের করাল গ্রাসে থমকে যাচ্ছে সম্ভাবনাময় এক একটি জীবনের অধ্যায়। তাই মাদক যে একটি জীবন ও ভবিষ্যৎ বিধ্বংসী দ্রব্য, এটি নতুন প্রজন্মকে জানান দিয়ে ব্যক্তি ও পারিবারিক পর্যায়ে মাদকের বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধিতে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে।
এসময় উপস্থিত তরুণ-তরুণী, শিক্ষার্থী সহ সকলেই মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

Need Ads
error: কপি হবে না!