বিজয়ের মাস ডিসেম্বরের প্রথম দিনকে কেন্দ্র করে প্রতি বছরের মতো এবারও অনুষ্ঠিত হলো ‘চ্যানেল আই ব্যান্ড ফেস্ট ২০২৫’। ১ ডিসেম্বর সোমবার দিনব্যাপী এই উৎসবটি সরাসরি সম্প্রচার করে চ্যানেল আই। প্রয়াত ব্যান্ডতারকা আইয়ুব বাচ্চুকে স্মরণে আয়োজিত এই ফেস্টিভ্যালে দেশের শীর্ষ ব্যান্ডদলগুলো একে একে গানে গানে মঞ্চ মাতিয়েছে।

বেলা ১১টা ৩০ মিনিট থেকে শুরু হওয়া এই উৎসবে অংশ নেয় মোট ১২টি ব্যান্ডদল– উচ্চারণ, পার্থিব, শিরোনামহীন, ডিফারেন্ট টাচ, অবসকিউর, নোভা, নির্ঝর, মেহরীন, সিম্ফনি, স্টারকিং, তরুণ এবং ফিডব্যাক। প্রতিটি দল নিজস্ব সংগীতধারা, জনপ্রিয় গান এবং লাইভ পারফরম্যান্সে দর্শকদের মন জয় করে নেয়। শুরুতে আইয়ুব বাচ্চুকে স্মরণ করে চ্যানেল আইয়ের পরিচালক ও বার্তা প্রধান শাইখ সিরাজ বলেন, সংগীতে ব্যান্ড একটি ভালো স্থান করে নিয়েছে। শুরুর দিকে ব্যান্ডকে নেতিবাচক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা হলেও এর বিকশিত ভাবনা বর্তমানে ইতিবাচক হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুধু শহর নয়, গ্রামাঞ্চলেও ব্যান্ড সংগীত চর্চার পরিবেশ তৈরি হচ্ছে, চ্যানেল আই ব্যান্ড ফেস্ট এতে বেশ ভূমিকা রাখছে বলে মনে করি। ব্যান্ড তারকা মানাম আহমেদ বলেন, সংগীত ও খেলাধুলা তরুণ প্রজন্মকে আলোর পথে দিশা দেয়। চ্যানেল আইয়ের আয়োজনে এই ব্যান্ড ফেস্ট আমাদের ব্যান্ড সংগীতকে অনেক পর্যাদা দিয়েছে। আমার চাওয়া থাকবে এই আয়োজন আরও বড় এবং রঙিন হোক।
ইনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এমডি আশীষ কুমার চক্রবর্তী বলেন, আমাদের হাসপাতাল সংস্কৃতি ও শিল্প বান্ধব প্রতিষ্ঠান। তাই সংস্কৃতিবান্ধব যেকোনো ভালো উদ্যোগের সাথে আমরা যুক্ত থাকার চেষ্টা করি। আমরা বিশ্বাস করি আগামী বছর আরো বড় পরিসরে ব্যাংক শ্রেষ্ঠ উদযাপন করবে চ্যানেল আই এবং আমরাও সাথে থাকবো। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কিংবদন্তি শিল্পী খুরশীদ আলম। তিনি আইয়ুব বাচ্চুর সংগীত ও তাঁর এই আয়োজনের স্বপ্ন স্মরণ করে বলেন, ‘ব্যান্ডশিল্পীদের জন্য আলাদা একটি দিন চেয়েছিলেন বাচ্চু ভাই; ফরিদুর রেজা সাগর সেটিকে বাস্তবে রূপ দিয়েছেন।’

জমজমাট উৎসব শেষে কেক কেটে ব্যান্ড ফেস্টের ১২তম বর্ষপূর্তি উদযাপন করা হয়। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড ও চ্যানেল আইয়ের পরিচালক জহির উদ্দীন মাহমুদ মামুন, ব্যান্ডশিল্পী ফুয়াদ নাসের বাবু, মানাম আহমেদ, অবসকিউরের টিপুসহ বিভিন্ন ব্যান্ডের প্রতিনিধিরা। চ্যানেল আই ব্যান্ড ফেস্টের প্রকল্প পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন রাজু আলীম এবং অনুষ্ঠানটি প্রযোজনা করেছেন অনন্যা রুমা।



