ads

শনিবার , ২৯ নভেম্বর ২০২৫ | ২৪শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

নালিতাবাড়ীতে বিসিএস কৃষি ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হলেন কৃষকপুত্র আল আমিন

অভিজিৎ সাহা, নালিতাবাড়ী
নভেম্বর ২৯, ২০২৫ ৮:১৪ অপরাহ্ণ

গ্রামের সাধারণ কৃষক পরিবারের সন্তান হয়েও যে কঠোর পরিশ্রম আর অধ্যবসায়ের মাধ্যমে বিসিএস ক্যাডারে জায়গা করে নেওয়া সম্ভব- তার জ্বলন্ত উদাহরণ শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার পোড়াগাঁও ইউনিয়নের বারোমারী এলাকার আন্ধারুপাড়া গ্রামের মো. আল আমিন। সাম্প্রতিক ঘোষিত ৪৫তম বিসিএস পরীক্ষায় তিনি কৃষি ক্যাডারে কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।

Shamol Bangla Ads

বর্তমানে আল আমিন নেত্রকোনার মদন উপজেলার বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক শাখায় দ্বিতীয় কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত। এর আগে তিনি নালিতাবাড়ীর একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে চাকরি করেছেন। কৃষক আব্দুল কুদ্দুস ও আয়েশা বেগমের দুই ছেলে ও দুই মেয়ের মধ্যে আল আমিন দ্বিতীয়। কৃষক পরিবারের হলেও তারা সবাই শিক্ষিত, আর গ্রামে কুদ্দুসকে একজন আদর্শ কৃষক হিসেবেই চেনে সবাই।

শিক্ষাজীবনে আল আমিন ব্র্যাক স্কুল থেকে ৫ম শ্রেণি, পলাশীকুড়া জনতা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৭ম শ্রেণি এবং শেরপুর সদরের আইডিয়াল প্রিপারেটরি অ্যান্ড হাই স্কুল থেকে জিপিএ–৫ পেয়ে এসএসসি সম্পন্ন করেন। পরে শেরপুর সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসিতে আবারও জিপিএ–৫ অর্জন করেন। উচ্চশিক্ষায় তিনি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ থেকে কৃষিতে প্রথম শ্রেণিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

Shamol Bangla Ads

ছেলে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়া প্রসঙ্গে আল আমিনের বাবা আব্দুল কুদ্দুস আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন, আমরা কঠোর পরিশ্রম করেছি ছেলেকে মানুষ করতে। সে আমাদের মুখ উজ্জ্বল করেছে। তার জন্য দোয়া চাই, যেন কৃষকসহ দেশের মানুষের সেবা করতে পারে।

নিজের অনুভূতি জানাতে গিয়ে আল আমিন বলেন, একজন সৎ, আদর্শবান ও দেশের সেবক হতে চেয়েছি সবসময়। বিসিএস সেই স্বপ্নপূরণের পথ খুলে দিয়েছে। ক্যাডার অফিসারদের সম্মান, কাজের সুযোগ, প্রটোকল ও দায়িত্ব আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে। তিনি আরও জানান, তার এলাকার সাধারণ শিক্ষার্থীরা যেন কাগজপত্র সত্যায়নের জন্য আর ভোগান্তিতে না পড়ে, সেই ভাবনা তার ক্যাডার হওয়ার প্রেরণা জুগিয়েছে।

আল আমিন বলেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছরে আমাদের আন্ধারুপাড়া গ্রাম থেকে সম্ভবত এই প্রথম কোনো বিসিএস ক্যাডার নির্বাচিত হলো। এটা শুধু আমার নয়—আমার পরিবার, গ্রাম ও ইউনিয়নবাসীর সম্মিলিত অর্জন। সাফল্যের পেছনে বাবা-মা, খোদেজা খালা, স্ত্রীসহ নানার অবদান উল্লেখ করে তিনি বলেন, নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টা, মানুষের দোয়া, আল্লাহর রহমত ও দৃঢ় ইচ্ছাশক্তি- সব মিলেই ভালো কিছু সম্ভব হয়েছে। সামনের দায়িত্ব যেন সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করতে পারি, সবার দোয়া চাই।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!