ads

মঙ্গলবার , ২৭ মে ২০২৫ | ৩০শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

২০৩০ সালে ই-সিম ব্যবহারকারী হবে ৪৫০ কোটি

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
মে ২৭, ২০২৫ ২:০৫ অপরাহ্ণ

বিশ্বজুড়ে স্মার্টফোনে দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ই-সিম প্রযুক্তি। ক্যালেইডো ইন্টেলিজেন্সের এক গবেষণায় বলা হয়েছে, আগামী পাঁচ বছরে বিশ্বব্যাপী ৭৫ শতাংশ স্মার্টফোনে থাকবে ই-সিম সুবিধা।

Shamol Bangla Ads

গত বছর যেখানে মাত্র ৫০ কোটি ডিভাইসে ই-সিম ছিল, সেখানে ২০৩০ সালের মধ্যে এই সংখ্যা ৪৫০ কোটিতে পৌঁছাবে বলেছে সংস্থাটি। শুধু স্মার্টফোন নয়, ইন্টারনেট অব থিংস ডিভাইসের জন্যও বিশেষ ই-সিম চালু হচ্ছে, যা প্রযুক্তির এক নতুন যুগের সূচনা করছে।

ই-সিম (ইলেকট্রনিক সিম) হলো একটি ডিজিটাল সিম কার্ড যা সরাসরি ডিভাইসের মধ্যে সংযুক্ত থাকে। এটি স্মার্টফোন, স্মার্টওয়াচ, ট্যাবলেট ও এলওটি ডিভাইসে ব্যবহারযোগ্য। ফিজিক্যাল সিম কার্ড ছাড়াই নম্বর পরিবর্তন বা অপারেটর বদলানো যায় খুব সহজেই। পরিবেশবান্ধব ও ঝামেলাহীন প্রযুক্তি হিসেবে এটি বিশ্বজুড়ে দ্রুত জনপ্রিয়তা পাচ্ছে।

Shamol Bangla Ads

গবেষণা বলছে, ২০৩০ সাল নাগাদ বিশ্বজুড়ে ই-সিম কানেকশন হবে প্রায় ৪৫০ কোটি। এর পেছনে মূল ভূমিকা রাখছে ফাইভজি নেটওয়ার্কের বিস্তার, ব্যবহারকারীদের সুবিধা ও স্মার্ট ডিভাইসের চাহিদা।

সম্প্রতি চীনের সরকার ই-সিম সংক্রান্ত বিধিনিষেধ শিথিল করেছে। এর ফলে চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে চীনের বাজারে আসছে ই-সিম চালিত স্মার্টফোন। বিশ্লেষকদের মতে, চীনে ই-সিমের বিস্তার হলে বিশ্ববাজারে এর গ্রহণযোগ্যতা আরও বাড়বে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ই-সিম প্রযুক্তির সাফল্যের অন্যতম কারণ হলো ফাইভজি নেটওয়ার্কের দ্রুত বিস্তার। এটি দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট কানেকশন নিশ্চিত করছে, যা স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের জন্য অত্যন্ত কার্যকর। পাশাপাশি, পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি হিসেবে ই-সিম ভবিষ্যতে আরও টেকসই সংযোগের পথ দেখাবে।

Need Ads
error: কপি হবে না!