ads

সোমবার , ১০ জুন ২০২৪ | ৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় ভারতের সাথে হারল পাকিস্তান

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
জুন ১০, ২০২৪ ৪:০৭ অপরাহ্ণ

চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিপক্ষে ১২০ বলে ১২০ রানের মামুলি স্কোর তাড়া করেও জিততে পারেনি পাকিস্তান। সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে টেস্টের স্টাইলে স্লো মোশন ব্যাটিংয়ের কারণে নিশ্চিত জয়ের ম্যাচে হেরে যায় পাকিস্তান। মূলত ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় ৬ রানে হেরে যায় বাবর আজমরা। ভারতের বিপক্ষে এই পরাজয়ে খাদের কিনারায় চলে গেল ২০০৯ সালের টি-টোয়েন্টি চ্যাম্পিয়নরা। এর আগে নিজেদের প্রথম ম্যাচে তুলনামূলক দুর্বল প্রতিপক্ষ যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে হেরে যায় পাকিস্তান।

Shamol Bangla Ads

টানা দুই ম্যাচে হেরে বিশ্বকাপের গ্রুপপর্ব থেকেই বিদায়ের শঙ্কায় পাকিস্তান ক্রিকেট দল। নিজেদের পরের দুই ম্যাচে কানাডা ও আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে জয় পেলেও রান রেটে এগিয়ে থাকার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের পরের দুই ম্যাচে পরাজয়ের জন্য দোয়া করতে হবে বাবর আজমদের।

যুক্তরাষ্ট্র চলতি আসরের উদ্বোধনী ম্যাচে কানাডাকে হারিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করে। এরপর হারায় বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন পাকিস্তানকে। পরের দুই ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিপক্ষ ভারত ও আয়ারল্যান্ড। এই দুই ম্যাচের কোনো একটিতে যুক্তরাষ্ট্র জয় পেলে, আর ভারত যদি নিজেদের পরের দুই ম্যাচের কোনো একটিতে জয় পায় তাহলে পাকিস্তানের বিদায় বলতে গেলে আজই নিশ্চিত হয়ে গেল। তবে ভারত এবং যুক্তরাষ্ট্র যদি পরের দুই খেলায় হেরে যায় এবং পাকিস্তান নিজেদের পরের দুই খেলায় জয় পায়; সেক্ষেত্রে ভারত-যুক্তরাষ্ট্র ও পাকিস্তানের পয়েন্ট সমান ৪ করে হবে। তখন রান রেটে যারা এগিয়ে থাকবে তারা চলে যাবে সুপার এইটে।

Shamol Bangla Ads

রবিবার ভারতের বিপক্ষে সহজ টার্গেট তাড়া করতে নেমে ১২.২ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ৭৩ রান করে জয়ের পথেই ছিল পাকিস্তান। এরপর ব্যাটসম্যানরা আসা-যাওয়ার মিছিলে অংশ নেওয়ায় কোনো জুটি গড়ে ওঠেনি। ব্যক্তিগতভাবে বড় কোনো ইনিংস খেলতে পারেননি পাকিস্তানের কোনো ব্যাটসম্যান। যে কারণে পরাজয় মেনে নিতে হয় পাকিস্তানকে।

অধিনায়ক বাবর আজম আউট হওয়ার পর দ্বিতীয় উইকেটে ৩৩ বলে ৩১ রানের জুটি গড়ে ফেরেন উসমান খান। তিনি বাবরের মতো ১৩ রান করে ফেরেন। ৫৭ রানে ২ উইকেট পতনের পর ব্যাটিংয়ে নেমেই ছক্কার পর চার হাঁকান ফখর জামান। তিনি নিজের ইনিংসটা লম্বা করতে পারেননি। উইকেটের পেছনে ক্যাচ তুলে ফেরার আগে ৮ বলে এক চার আর এক ছক্কায় করেন ১৩ রান। ফখর জামানের বিদায়ে ৭৩ রানে ৩ উইকেট হারায় পাকিস্তান। এরপর শাদাব খান, ইফতেখার আহমেদ ও ইমাদ ওয়াসিমরা দায়িত্বশীল ইনিংস খেলতে পারেনি। তাদের ব্যর্থতায় ম্যাচ হেরে যায় পাকিস্তান। ভারতের জয়ে ৪ ওভারে মাত্র ১৪ রানে ৩ উইকেট শিকার করে ম্যাচ সেরা হন জসপ্রিত বুমরাহ।

এর আগে পাকিস্তানের পেস বোলিং আক্রমণে কুপোকাত ভারতীয় ক্রিকেট দল। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের বিপক্ষে চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ে ১৯ ওভারে ১১৯ রানেই অলআউট ভারত। রবিবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের নাসাউ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নবম আসরের হাইভোল্টেজ ম্যাচে মুখোমুখি হয় এশিয়ার দুই ক্রিকেট পরাশক্তি ভারত-পাকিস্তান।

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ শুরুর আগে একদফা বৃষ্টি হয় নিইইয়র্কে। বৃষ্টির কারণে দেরিতে টস হয়। খেলা শুরু হয় নির্ধারিত সময়ের ৩০ মিনিট পর। খেলা শুরু হওয়ার পর এক ওভার মাঠে গড়াতেই ফের বৃষ্টির বাগড়া। বৃষ্টির পর খেলা শুরু হলে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারের তৃতীয় বলে আউট হন ভারতীয় সাবেক অধিনায়ক বিরাট কোহলি। তিনি নাসিম শাহর বলে উসমান খানের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন। তার বিদায়ে ১.৩ ওভারে ১২ রানে প্রথম উইকেট হারায় ভারত। ২.৪ ওভারে শাহিন শাহ আফ্রিদির বলে হারিস রউফের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন ভারতের বর্তমান অধিনায়ক রোহিত। তার বিদায়ে ১৯ রানে ২ উইকেট হারায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ২০০৭ সালের চ্যাম্পিয়নরা। ১৯ রানে সাবেক এবং বর্তমান এই দুই অধিনায়ক বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মার উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ভারত।

তৃতীয় উইকেটে অক্ষর প্যাটেলের সঙ্গে ৩০ বলে ৩৯ রানের জুটি গড়ে দলকে খেলায় ফেরান ঋষভ পন্থ। দলীয় ৫৮ রানে তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে সাজঘরে ফেরেন অক্ষর প্যাটেল। তার আগে ১৮ বলে করেন ২০ রান তিনি। এরপর সূর্যকুমার যাদবকে সঙ্গে নিয়ে ২২ বলে ৩১ রানের জুটি গড়েন ঋষভ পন্থ। ১১.২ ওভারে ৮৯ রানে হারিস রউফের বলে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন সূর্যকুমার যাদব।

ব্যাটসম্যানদের এই আসা-যাওয়ার মিছিলে উইকেটের এক প্রান্ত আগলে রেখে একের পর এক বাউন্ডারি হাঁকিয়ে যাান ঋষভ পন্থ। তিনি একাধিক ক্যাচ তুলেও পাকিস্তানের ফিল্ডারদের কল্যাণে তিনবার লাইফ পান। তার ব্যাটেই এগিয়ে যাচ্ছিল ভারত। ১৪ ওভারের খেলা শেষে ভারতের সংগ্রহ ছিল ৫ উইকেটে ৯৬ রান। এরপর মাত্র ২৩ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯ ওভারে ১১৯ রানে অলআউট হয় ভারত। দলের হয়ে ৩১ বলে ৬টি বাউন্ডারির সাহায্যে সর্বোচ্চ ৪২ রান করেন ঋষভ পন্থ।
পাকিস্তানের হয়ে ৩ ওভারে ২১ রানে ৩ উইকেট নেন হারিস রউফ। ৪ ওভারে ২১ রানে ৩ উইকেট নেন নাসিম শাহ। ৪ ওভারে ২৩ রানে ২ উইকেট নেন মোহাম্মদ আমির।

error: কপি হবে না!