ads

বুধবার , ২০ মার্চ ২০২৪ | ২রা বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

ময়মনসিংহে বিদ্যুৎ বিভ্রাটে সেচ সংকট, বোরো আবাদ ব্যাহত

ময়মনসিংহে চলতি বোরো মৌসুমের শুরুতে ব্যাপক বিদ্যুৎ ঘাটতির কারণে বোরো আবাদ ব্যাহত হচ্ছে। বিদ্যুৎ ঘাটতি ও লো-ভোল্টেজে বোরো আবাদ ব্যাহত হওয়ায় ক্ষতির আশঙ্কায় দুশ্চিন্তায় দিন পার করছে স্থানীয় কৃষকরা। জমিতে ঠিকমতো পানি না পাওয়ায় কৃষকরা উদ্বিগ্ন ও চিন্তিত। কৃষকদের অভিযোগ, তাঁরা গড়ে পাঁচ ঘণ্টা করেও বিদ্যুৎ পাচ্ছেন না।

Shamol Bangla Ads

অব্যাহত লোডশেডিং দূর করে বোরো আবাদে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ রাখতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন উদ্বিগ্ন কৃষকরা। বর্তমানে সেচের অভাবে অনেক এলাকায় বোরো ফসলের মাঠ ফেটে চৌচির হয়ে যাচ্ছে। তাই শহরে বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা সীমিত করে বরাদ্দ বৃদ্ধির মাধ্যমে গ্রামের কৃষকের ফসল রক্ষার দাবি বোরো চাষীদের।

কৃষকদের অভিযোগ, তারা নিয়মিত সেচপাম্প চালাতে পারছেন না। জমিতে চাহিদা মতো সেচ দিতে না পারায় বেশকিছু এলাকার উঠতি বোরো ফসলের খেত ফেটে যাচ্ছে। এই অবস্থা যদি আগামী এক সপ্তাহ চলতে থাকে তাহলে ধানক্ষেত মরে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তারাকান্দার কামারিয়া এলাকার কৃষক হানিফ মাহমুদ বলেন, আমরা বিদ্যুৎ সংকটের কারণে জমিতে ঠিকমতো সেচ দিতে পারছি না। এতে হুমকিতে পড়েছে আমাদের বোরো আবাদ। এই সময়ে জমিতে সেচ দিতে না পারলে ফসল উৎপাদন করা কঠিন হয়ে যাবে।

Shamol Bangla Ads

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, ময়মনসিংহ জেলায় চলতি বোরো মৌসুমে আবাদ হয়েছে দুই লাখ ৬৩ হাজার ৪৮৫ হেক্টর জমিতে এবং বোরো ধানের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১১ লাখ ৩৫ হাজার ৭৬৮ মেট্রিক টন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ময়মনসিংহ কার্যালয়ের উপপরিচালক ড. নাছরিন আক্তার বানু বলেন, লোডশেডিং এড়াতে কৃষকদেরকে রাত ১২টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত সেচ দেয়ার পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে। সে অনুযায়ী কৃষকরা ঘাটতি মোকাবিলায় চেষ্টা চালাচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ময়মনসিংহ জেলার জেলা শহর ও উপজেলাগুলোর তুলনায় গ্রামগুলোতে বিদ্যুতের লোডশেডিং বেশি। কোথাও কোথাও ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং চলছে। এতে করে বোরো ধানের জমিতে ব্যাহত হচ্ছে সেচ কার্যক্রম।

ময়মনসিংহে পিডিবি ও পল্লী বিদ্যুৎ গ্রাহকদের মাঝে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে থাকে। এ দুটি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের সূত্রে জানা যায়, গরমকালে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ে। তবে এখনো সে চাহিদা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়নি। তারপরও ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে লোডশেডিং। ময়মনসিংহ অঞ্চলে পিডিবি’র বিদ্যুতের চাহিদা থাকে প্রায় এক হাজার ২২০ মেগাওয়াট। বিপরীতে পাওয়া যাচ্ছে এক হাজার মেগাওয়াট। ঘাটতি থাকছে প্রায় ২১০-২২০ মেগাওয়াট বলে জানান পিডিবি ময়মনসিংহ অফিসের প্রধান প্রকৌশলী মো. এমদাদুল হক।

অপরদিকে জেলায় পল্লী বিদ্যুতের ৩টি অঞ্চলে চাহিদা ২২০ মেগাওয়াটের বিপরীতে পাওয়া যাচ্ছে ১৫০ মেগাওয়াট। ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩ কেন্দ্রের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ জানান, মঙ্গলবার বেলা ১১টায় জেলার উত্তরাংশের ৭ উপজেলায় বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ৭৫ মেগাওয়াট। এ সময় সরবরাহ ছিল ৫৫ মেগাওয়াট।

error: কপি হবে না!