ads

বুধবার , ৬ মার্চ ২০২৪ | ২রা বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

নীলকণ্ঠ কবি তালাত মাহমুদ : শেষ বিদায়ে শ্রদ্ধাঞ্জলী

ড. আবদুল আলীম তালুকদার
মার্চ ৬, ২০২৪ ১২:৫৬ অপরাহ্ণ

বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের অন্যতম প্রধান কবি, গীতিকার, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক, প্রাবন্ধিক, কলামিস্ট ও কবিসংঘ বাংলাদেশ এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি তালাত মাহমুদ গত ০৩ মার্চ সন্ধ্যায় শেরপুর জেলা হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন। প্রতিথযশা এই সাংবাদিক ও লেখকের মৃত্যুতে বাংলাদেশের সাহিত্যনুরাগীরা একজন অক্লান্তকর্মী কলম সৈনিককে হারালো। তাঁর মৃত্যুতে এতদঞ্চলের সাহিত্য ও সাংবাদিকতা জগতে এক শূন্যতার সৃষ্টি হলো।

Shamol Bangla Ads

বিগত শতাব্দীর আশির দশকে আলোড়ন সৃষ্টিকারী ‘নীলকণ্ঠ কবি’ খ্যাত তালাত মাহমুদ ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দের ২০ই আগস্ট অবিভক্ত ময়মনসিংহ জেলার জামালপুর মহকুমার নকলা থানার রাণীশিমুল গ্রামে মাতুতালয়ে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈত্রিক নিবাস একই থানার চন্দ্রকোণা ইউনিয়নের বাছুর আলগা গ্রামের সরকার বাড়িতে। তাঁর পিতার নাম মোঃ মনিরুজ্জামান সরকার ও মাতার নাম হাসনা বানু। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তাঁর পিতা পেশায় ব্যবসায়ী জনাব মনিরুজ্জামান ঐ অঞ্চলের মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রেরণাদাতা ও পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। ছয় ভাইবোনের মধ্যে তিনি ছিলেন পঞ্চম। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ময়মনসিংহের আনন্দ মোহন কলেজে স্নাতকোত্তর শ্রেণিতে অধ্যয়ন করেন এবং পরবর্তীতে এলএলবি ডিগ্রীও অর্জন করেন। এক পুত্র ও এক কন্যা সন্তানের জনক কবি তালাত মাহমুদের স্ত্রী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষিকা। কবিপুত্র ইঞ্জিনিয়ার তানসেন মাহমুদ ইলহাম শৈশবে শিশু ছড়াকার হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে। মাত্র ৫ বছর বয়সে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় তার বেশ কয়েকটি ছড়া প্রকাশিত হয়। আর কন্যা মনীষাও একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার।

কবি তালাত মাহমুদের সাংগঠনিক দক্ষতা ছিল প্রবল। ‘কবিসংঘ বাংলাদেশ/ শেরপুর থেকে সারাদেশ’- এই শ্লোগানকে সামনে নিয়ে শেরপুরের কবি-সাহিত্যিকদের ঐক্যবদ্ধ করার জন্য তাঁর ঐকান্তিক একক প্রচেষ্টায় তিনি গড়ে তোলেন কবিদের সংগঠন ‘কবিসংঘ বাংলাদেশ’ এবং আমৃত্যু তিনি এ সংগঠনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তাছাড়া ১৯৮১ সালে তিনি রাজধানী ঢাকায় জাতীয় সাহিত্য সংগঠন ‘লেকশি’ (জাতীয় লেখক কবি শিল্পী সংগঠন) প্রতিষ্ঠা করেন এবং মৃত্যুর আগপর্যন্ত তিনি সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ২০০০ সালে তাঁর প্রচেষ্টা ও ঐকান্তিক ইচ্ছায় শেরপুরে কবি সম্মেলনের সূত্রপাত ঘটে। ২০২৪ সালে অনুষ্ঠিতব্য কবি সম্মেলনের জন্য তিনি প্রস্তুতি নেয়া শুরু করেছিলেন এবং এই সাহিত্য সম্মেলনকে কেন্দ্র করে তাঁর সম্পাদিত সাহিত্য সাময়িকী ‘আমরা তোমারই সন্তান’ বর্ধিত কলেবরে প্রকাশের কাজ এখন শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

Shamol Bangla Ads

স্বনামধন্য সাংবাদিক তালাত মাহমুদ ১৯৮১ সালে দৈনিক দেশবাংলার সাব এডিটর হিসেবে কর্মজীবনে প্রবেশ করেন। ১৯৮৩ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত তিনি বিলুপ্ত সাপ্তাহিক জনকণ্ঠ’র প্রধান সহকারী সম্পাদক ও সাহিত্য সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি জামালপুর বার্তার প্রথম বার্তা সম্পাদক, দৈনিক দেশবাংলার সম্পাদনা পরিষদ সদস্য, সাপ্তাহিক সফিয়া (বিলুপ্ত) এর সম্পাদক, সাপ্তাহিক পূর্বকথার সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি ও প্রধান সম্পাদক, সাপ্তাহিক শেরপুর-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, আজকের বাংলাদেশের সহকারী সম্পাদক, সাপ্তাহিক ঝিনাই-এর উপদেষ্টা সম্পাদক, দৈনিক পল্লীকণ্ঠ প্রতিদিন-এর সহযোগী সম্পাদক, দৈনিক ঢাকা রিপোর্ট-এর প্রধান সহকারী সম্পাদকসহ বিভিন্ন জাতীয় ও আঞ্চলিক পত্রিকার গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন।

এছাড়াও তাঁর দৈনিক ইত্তেফাক, দৈনিক আজকের পত্রিকা, দৈনিক ইনকিলাব, দৈনিক ভোরের আকাশ, দৈনিক বাংলার কাগজ, দৈনিক ভোরের আলো, দৈনিক সচেতনকণ্ঠ, দৈনিক জাহান, দৈনিক পল্লীকণ্ঠ প্রতিদিন, সাপ্তাহিক দশকাহনীয়া, সাপ্তাহিক কালের ডাক, শ্যামলবাংলা২৪ডটকম, শেরপুরটাইমসডটকম ও আওয়ার শেরপুরসহ দেশের বিভিন্ন জাতীয়, আঞ্চলিক, ত্রৈমাসিক, মাসিক, পাক্ষিক, সাপ্তাহিক পত্রিকা ও অনলাইন নিউজপোর্টালে অসংখ্য কবিতা, প্রবন্ধ-নিবন্ধ, ফিচার, প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। তাঁর সম্পাদিত সাহিত্য পত্রিকা ‘সাহিত্য দর্পণ’ (১৯৭৩-১৯৮৬) ও শেরপুর-জামালপুর জেলার সৃজনশীল সাহিত্য সাময়িকী ‘আমরা তোমারই সন্তান’ ১৯৯৯ সাল থেকে নিয়মিত প্রকাশিত হয়ে আসছে।

সত্যিকারার্থেই ‘শাবমোচন’ খ্যাত কবি তালাত মাহমুদ শেরপুরের কবি-সাহিত্যিকদের একজন প্রকৃত অভিভাবক ছিলেন। তিনি শেরপুরের কবি-সাহিত্যিকদের ঐক্যবদ্ধ করবার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন। তাঁর একক প্রচেষ্টা-আগ্রহ ও অনুপ্রেরণায় শেরপুর আজ ‘কবিদের শহর’ হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছে। তিনি প্রত্যন্ত অঞ্চলে নিরবে-নিভৃতে আড়ালে পড়ে থাকা শেরপুরের কবি-সাহিত্যিকদের খুঁজে খুঁজে টেনে বের করে প্রাদপ্রদীপের আলোয় নিয়ে এসেছেন। তাঁর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এমনকি তাঁর হাত ধরেই আজকের পরিচিতি পাওয়া শেরপুরের কবি-সাহিত্যিকদের পথচলা শুরু হয়েছিল। তিনি তাদেরকে একেবারে অজপাড়া গাঁ তথা মফস্বল এলাকায় ঘুরে ঘুরে খুঁজে বের করে নিয়ে আসেন। তাঁর উদ্যোগেই শেরপুরে প্রায় প্রতি মাসেই কবিতা পাঠের আসর, কবি-সাহিত্যিকদের নিয়ে পূর্ণিমা রাতে কবিতা আবৃত্তির আসর, বিভিন্ন জাতীয় দিবস উদযাপন ও সাহিত্য রচনার কলা-কৌশলের ওপর সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৭৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মাত্র ১৭ বছর বয়সে কবি তালাত মাহমুদের প্রথম গল্পগ্রন্থ ‘স্বর্গের দ্বারে মর্তের চিঠি’ প্রকাশিত হয়। ১৯৭৯ সালে ‘গীতিলতিকা’ ও ২০০৪ সালে ‘লোকহীন লোকারণ্য’ নামে দুটি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়। ১৯৭৯ সালে ১৪ আগস্ট কবির ২২তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে ডাকসু’র তৎকালীন মিলনায়তন সম্পাদক খন্দকার আবদুর রহিমের ব্যবস্থাপনায় কবির দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ ‘গীতিলতিকা’ প্রকাশিত হয়।

তাঁর রচিত অন্যান্য গ্রন্থগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- ‘অপমৃত্যু অপলাপ’ (উপন্যাস), লাল সিঁড়িতে নীল পেয়ালা (কাব্যগ্রন্থ), নিষিদ্ধ কবিতা (কাব্যগ্রন্থ), টাউটমুক্ত সমাজ চাই (প্রবন্ধগ্রন্থ) প্রকাশিত হয়। তাছাড়া উদাম গতরী ন্যাংটা বয়ান (প্রবন্ধ) এবং নিয়ম ভাঙার নিয়ম (গবেষণাপ্রবন্ধ) ইত্যাদি লেখা বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর অপ্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে অদৃশ্যে দৃশ্যমান (কাব্যগ্রন্থ), শতাব্দীর শুরুতে বিপন্ন বিশ্ব (প্রবন্ধ) উল্লেখযোগ্য। তিনি ২০০৬ সালে ‘শিক্ষাভাবনা তৃণমূল হতে’ নামক একটি গবেষণাগ্রন্থও সম্পাদনা করেন।

কবি তালাত মাহমুদ বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চল ও রাজধানী ঢাকাসহ প্রায় সারা দেশেই সমানভাবে পরিচিতি লাভ করেন। বিগত আশির দশক থেকেই কবি তালাত মাহমুদকে নিয়ে দেশের বিভিন্ন স্বনামধন্য পত্রিকায় ব্যাপক লেখালেখি হয়। ১৯৮৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত কবিতাপত্রে কবির একগুচ্ছ কবিতা প্রকাশিত হলে সারাদেশে আলোড়ন সৃষ্টি হয় এবং কবির পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনার ঝড় উঠে।

কবি তালাত মাহমুদ ১৯৮০ সালে মাত্র ২৩ বছর বয়সে সাহিত্য-সাংবাদিকতায় অসামান্য অবদান রাখায় আশির দশকের সাড়া জাগানো ‘জিলবাংলা সাহিত্য পুরস্কার’ লাভ করেন। তাছাড়া সাহিত্য সাধনা ও সাংবাদিকতায় অসামান্য অবদানের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাউল সমালোচক সংঘসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন থেকে কবিকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সংবর্ধনা প্রদান করে। ১৯৮২ সালে সর্বদলীয় একুশে উদযাপন পরিষদ কর্তৃক ‘একুশে সাহিত্য পুরস্কার’ এ ভূষিত হন।

কবি তালাত মাহমুদ বিভিন্ন সেমিনার-সিম্পোজিয়াম, আলোচনা সভা, সাহিত্যের আসরের তাঁর প্রদত্ত বক্তৃতায় সবসময় জন্মজেলা শেরপুরকে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে পরিচিতি লাভ করাতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ছিলেন। তাঁর মতে, রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলার মানুষের সাথে পরিচয়পর্বে নিজ বাড়ি শেরপুর বললে তার জবাবে তারা প্রশ্ন ছুঁড়ে বলেনÑ বগুড়ার শেরপুর (উপজেলা) নাকি সিলেটের শেরপুর (একটি ছোট্ট বাজার)? অথচ ময়মনসিংহ বিভাগের শেরপুর হচ্ছে একটি পূর্ণাঙ্গ জেলা। তাই শেরপুর জেলাকে সাহিত্য-সংস্কৃতি, শিক্ষা-দীক্ষায় আলোকিত ও আপন পরিচয়ে পরিচিত করতে তিনি যথাসাধ্য নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন।

কবি তালাত মাহমুদ শৈশব থেকেই বঙ্গবন্ধুর ভক্ত ছিলেন। ১৯৭৫ খ্রিষ্টাব্দের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু সপরিবারে নিহত হবার সংবাদ শুনে স্বাধীনতা দশকের কবি তালাত মাহমুদ তাৎক্ষণিকভাবে লেখা তাঁর ‘অঙ্গীকার’ কবিতায় প্রথম প্রতিবাদী উচ্চারণ করেছেন এভাবে- ‘আমার চন্দ্রকে ওরা হত্যা করেছে/হত্যা করেছে অনেক তারার একটি আকাশ/আমার সূর্যকে ওরা গ্রেফতার করেছে/গ্রেফতার করেছে রক্তরাঙা একটি ইতিহাস।’ যতটুকু জানা যায়Ñ বঙ্গবন্ধুকে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে হত্যার খবর প্রচারিত হওয়ার পর পরই তরুণ কবি তালাত মাহমুদ প্রথম প্রতিবাদী এই কবিতাটি রোগশয্যায় শুয়ে শুয়ে রচনা করেন।

সাড়া জাগানো জিলবাংলা সাহিত্য পুরস্কারপ্রাপ্ত কবি, সংবাদিক ও কলামিস্ট তালাত মাহমুদ মূলতঃ একজন পুরোদস্তÍুর সাংগঠনিক ব্যক্তি। সাহিত্য চর্চা তাঁর স্বভাবজাত প্রবৃত্তি থেকে উৎসারিত। আলোচ্য কবিতায় সপরিবারে বঙ্গবন্ধুকে নৃশংসভাবে হত্যা করায় কবি ব্যথিতচিত্তে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে এই মরমী কবিতায় বঙ্গবন্ধু পরিবারের বিয়োগান্তক ঘটনা তুলে ধরার প্রয়াস পান; যা বাংলা সাহিত্যাকাশে চিরকাল স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।

সদাহাস্যোজ্জ্বল নম্র-ভদ্র কবি তালাত মাহমুদ একজন মানবতাবাদী লোক ছিলেন। অন্যের দুঃখ-কষ্ট তিনি সহ্য করতে পারতেন না; তাঁর অন্তরাত্মা কেঁপে উঠতো। তিনি প্রতিবছর তাঁর প্রতিষ্ঠিত সংগঠন ‘কবিসংঘ’ এর উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণসহ আর্তপীড়িতদের মাঝে সাহায্যের হাত প্রসারিত করতেন। কবিসংঘের উদ্যোগে এই নিবন্ধকারকে সঙ্গে নিয়ে তিনি গত ২০১৬ সাল থেকে শেরপুর, জামালপুর ও ময়মনসিংহ জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, মসজিদ প্রাঙ্গণ-কবরস্থান ও ঈদগাহ্তে এবং শহর-নগর-গ্রামের রাস্তাঘাটের দুইধারে লক্ষাধিক ফলজ, ঔষধি গাছের চারা ও তাল বীজ রোপণ করেন।

কবি ও সাংবাদিক তালাত মাহমুদের মতো দেশপ্রেমিক, নির্ভীক, পরোপকারী, নিস্বার্থ ও পণ্ডিত ব্যক্তির অভাব আজ আমাদের সমাজে। বাংলা সাহিত্যে তাঁর বিশেষ অবদান, সোনার বাংলায় সোনার মানুষ তৈরির মন্ত্রণাদায়িতা ও দূষণমুক্ত সবুজ-শ্যামল বাংলাদেশ গড়ার সহযাত্রায় তাঁর অবদান জাতি চিরকাল শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে। কবি তালাত মাহমুদ বেঁচে থাকবেন বাংলার সাহিত্যমোদী প্রতিটি মানুষের হৃদয় মণিকোঠায়। আমরা আপনার অনুপস্থিতি হৃদয়চিত্তে অনুভব করছি। সশ্রদ্ধ বিদায়, হে প্রিয় গুরুকবি।

লেখক: কবি, শিক্ষাবিদ, প্রাবন্ধিক ও সাধারণ সম্পাদক, কবিসংঘ বাংলাদেশ।

error: কপি হবে না!