ads

সোমবার , ২৫ ডিসেম্বর ২০২৩ | ৪ঠা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

নকলায় খাল খননের উদ্যোগের প্রতিবাদে কৃষকদের মানববন্ধন

স্টাফ রিপোর্টার
ডিসেম্বর ২৫, ২০২৩ ৬:০৩ অপরাহ্ণ

শেরপুরের নকলা উপজেলার চন্দ্রকোনা মৃগী নদীর মোহনা থেকে মেহেদীডাঙ্গা পর্যন্ত খাল খনন প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় কৃষকরা। ২৫ ডিসেম্বর সোমবার দুপুরে উপজেলার হুজুরীকান্দা এলাকায় ঘণ্টাব্যাপী ওই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

Shamol Bangla Ads

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সাবেক ইউপি সদস্য মো. ছোবাহান, কৃষক আনছর আলী, নবাব আলী, আব্দুল আওয়াল, তৈয়ব আলীসহ স্থানীয় কৃষকরা। মানববন্ধনে হুজুরীকান্দা, জানকীপুর ও বন্দটেকি এলাকার প্রায় আড়াইশ কৃষক উপস্থিত ছিলেন।

ওইসময় বক্তারা বলেন, পর্যাপ্ত সেচের ব্যবস্থা থাকায় এখানকার কৃষি জমিতে বছরে ৩টি ফসল আবাদ করেন কৃষকরা। এখানে অপ্রয়োজনীয় খাল খনন করা হলে আশপাশের ৩টি গ্রামের কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। এছাড়া অনেকেই খালের জন্য জমি হারিয়ে ভূমিহীন হয়ে পড়বেন। ক্ষতিগ্রস্ত হবেন ৩ গ্রামের ৪/৫ হাজার মানুষ। তারা আরও বলেন, এই খাল খনন প্রকল্পে যাদের সদস্য করা হয়েছে, তাদের অধিকাংশেরই এখানে জমি-জমা নেই। তাই তারা কৃষকদের জন্য অপ্রয়োজনীয় এ প্রকল্পটি বাদ দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ জানান।

Shamol Bangla Ads

জানা গেছে, ২০২২-২৩ অর্থ বছরের বরাদ্দকৃত শেরপুরের নকলা উপজেলার চন্দ্রকোনা মৃগী নদীর মোহনা থেকে মেহেদীডাঙ্গা পর্যন্ত একটি খাল খনন প্রকল্প হাতে নেয় এলজিইডি। খাল খননের জন্য ইতোমধ্যে জমি মার্কিং করা হয়েছে। এ প্রকল্পটিকে বন্ধের জন্য ইতোমধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক, শেরপুরের জেলা প্রশাসক, নকলা উপজেলা চেয়ারম্যান, নকলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলীসহ বিভিন্ন দপ্তরে এলাকাবাসী স্বাক্ষরিত চিঠি দেওয়া হয়েছে।

নকলা উপজেলা প্রকৌশলী আরেফিন পারভেজ জানান, চন্দ্রকোনায় আমাদের কোন খাল খনন প্রকল্প চলছে না। তবে সেখানে খাল খননের জন্য একটি প্রস্তাবনা পাঠানো আছে। তবে এখন পর্যন্ত সেটির কোন অগ্রগতি হয়নি। এরপরও এলাকাবাসীর কোন আপত্তি থাকলে তারা আমার সাথে বা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে বিষয়টি জানাতে পারে।

এ ব্যাপারে নকলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া উম্মুল বানিন বলেন, যেহেতু জনস্বার্থের কাজ, জনগণের মতামত ও তাদের সাথে বলে যেভাবে সুবিধা হয় সেভাবে করতে হবে। জনগণ না চাইলে সেখানে কাজ করার সুযোগ নেই।

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

error: কপি হবে না!