ads

বুধবার , ১২ এপ্রিল ২০২৩ | ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শ্রীবরদীতে ইমামকে মারধরের অভিযোগে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল

রেজাউল করিম বকুল - ফটো কার্ড
এপ্রিল ১২, ২০২৩ ৪:০২ অপরাহ্ণ

শেরপুরের শ্রীবরদীতে এক ইমামকে অশ্লীল ভাষায় গালাগালি ও মারধরের অভিযোগে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে মাদ্রাসার ছাত্রসহ এলাকাবাসী। ১২ এপ্রিল বুধবার দুপুরে উপজেলার রানীশিমুল ইউনিয়নের আসান্দিপাড়া জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মো. আব্দুল্লাহ আল মামুনকে মারধরের প্রতিবাদে ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হামিদ সোহাগের বিরুদ্ধে কর্মসূচি পালন করা হয়।

Shamol Bangla Ads

মাদ্রাসার ছাত্রসহ এলাকাবাসীর আয়োজনে ভায়াডাঙা মদিনাতুল উলুম কওমি মাদরাসা হতে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে বাজারের সড়ক পদক্ষিণ করে। পরে ভায়াডাঙা বাজারের চার রাস্তা মোড়ে অনুষ্ঠিত হয় মানববন্ধন। এতে বক্তব্য দেন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবু সামা কবির, রানীশিমুল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ওয়াছেক বিল্লাহ বিল্লাল, সহসভাপতি এমএ মোনায়েম, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার পারভেজ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইয়াছির আরাফাত রনি প্রমুখ।

উল্লেখ্য, গত ১০ এপ্রিল ভায়াডাঙা সিনিয়র আলিম মাদরাসা মাঠে অনুষ্ঠিত হয় ওয়াজ মাহফিল। এতে প্রধান বক্তা ছিলেন মুফতি গিয়াস উদ্দিন আত্ব তাহেরী। ওয়াজ মাহফিল শুরুর আগে বাজারের সড়কের পাশে মোটরসাইকেল রাখা নিয়ে ভায়াডাঙা মদিনা তুল উলুম কওমি মাদ্রাসার মোহতামীম ও ভায়াডাঙা আসান্দিপাড়া জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মো, আব্দুল্লাহ আল মামুনকে রানীশিমুল ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হামিদ সোহাগ অশ্লীল ভাষায় গালাগালি করে মোটরসাইকেল ফেলে দেন। এ সময় ওই ইমাম মোটরসাইকেল তুলতে গেলে চেয়ারম্যান তাকে শারীরিকভাবে নিযার্তন করে। এ ঘটনার প্রতিবাদ ও বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করে ভায়াডাঙা মদিনা তুল উলুম ক্বওমি মাদ্রাসার ছাত্রসহ স্থানীয়রা।

Shamol Bangla Ads

এ ব্যাপারে ইমাম মাওলানা মো, আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, আমি রাস্তার পাশে মোটরসাইকেল রেখেছিলাম। হঠাৎ চেয়ারম্যান এসে আমার গাড়ীটি ফেলে দেয় এবং আমাকে অশ্লীল ভাষায় গালাগালি করে। পরে আমি গাড়ি তুলতে গেলে তিনি আমার গায়ে হাত তুলেন।

তবে এ ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হামিদ সোহাগ বলেন, আমি মোটরসাইকেল ফেলে দিয়েছি। কিন্তু তাকে শারীরিক নির্যাতন করি নাই। তার প্রমাণ করতে চাইলে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে প্রমাণ করা যাবে।
এ ব্যাপারে শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিপ্লব কুমার বিশ্বাস বলেন, এ ঘটনা শোনে আইন শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আমরা ঘটনাস্থলে এসেছি। তবে এ ব্যাপারে এখন পর্যন্ত কোন অভিযোগ পাইনি।

Need Ads