উঠোনে জানলা পাশে ফুটে আছে ঝুমকোজবা
বাড়ির পাশে ছড়িয়েছে বিভোল হওয়ার মুগ্ধতা অতশী,
শীত কাপে তোমার লালজবা ঠোঁটে
তবু কেনো নিশ্চুপ কোন দিকে খেয়াল উর্বশী ?

তন্ময় চোখ বোঝে বোবা জনের ভাষা
পর্যটক হৃদয়ের ভালোবাসা বোঝে গাঙচিল,
নদী প্রবাহিত হয় তৃষ্ণার দিকে
কেনো তোমার আমার মাঝে গড়মিল ?
গভীর নিশিতে দেখি ঘুমায় জীবন
মানুষের দেহ আত্মাজুড়ে,
সাপেও বদলায় খোলস ভিন্ন বসন্তে
তুমি দুরন্তপনা থামিয়ে কেনো কপাট দিয়ে ঘরে ?

ভাবি না কারো আকাশের চাঁদ হয়েছো
তোমার নদীতে অন্য কেউ সাঁতার কাঁটে,
তবে কেনো বেঁচে থাকার বদলে মরণের নিত্য দেখি
একফালি জয়শ্রী জীবন গেলো কেটে।
হারিয়ে যাবে কেনো প্রকৃতির ছোঁয়া অরণ্য ভূমি স্রোতধার নদী
ভেবেছো কতো দ্রুত কিভাবে ফুরোলো বেলা,
সন্ধ্যার পরও দেখি না জোনাকির আঁধার ঘুচানো আলো
কেনোই বা আর্তচিৎকারে খান-খান, বিরাম পাথার ঠেলা ?
(২১/০২/২৩ ইং)




