ads

মঙ্গলবার , ২১ মার্চ ২০২৩ | ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

আন্তর্জাতিক বন দিবস আজ

শ্যামলবাংলা ডেস্ক - ফটো কার্ড
মার্চ ২১, ২০২৩ ২:০০ অপরাহ্ণ

১৯৭১ সালে ইউরোপীয় কনফেডারেশন অব এগ্রিকালচারের ২৩তম সাধারণ পরিষদে বিশ্ব বনায়ন দিবস প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ওই চিন্তাধারাকে ধারণ করে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা গাছের গুরুত্ব সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ২০১২ সালের ২৮ নভেম্বর আন্তর্জাতিক বন দিবস প্রথম পালিত হয়।

Shamol Bangla Ads

জানা যায়, বন ও বনভূমির নিরাপত্তা রক্ষার্থে ২০১২ সালে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভায় ২১ মার্চকে আন্তর্জাতিক বন দিবস ঘোষণা করা হয়। সেই থেকে সারা বিশ্বে ২১ মার্চ পালন করা হয় আন্তর্জাতিক বন দিবস।

দিবসটিতে সবাইকে বন এবং বৃক্ষ সম্পর্কিত কার্যক্রম সংগঠিত করার জন্য স্থানীয়, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কাজ করতে উৎসাহিত করা হয়। এই কর্মকাণ্ডের মধ্যে বৃক্ষরোপন অভিযানও অন্তর্ভুক্ত।

Shamol Bangla Ads

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ দুটি আন্তর্জাতিক স্মারক যেমন বিশ্ব বন দিবস এবং আন্তর্জাতিক বন দিবসকে একত্রিত করে প্রতি বছর ২১ মার্চ উদযাপনের সিদ্ধান্ত নেয়। বিশ্বের প্রতিটি দেশে বন রক্ষায় সচেতনতা সৃষ্টির আহ্বান জানিয়ে আজ দিবসটি পালিত হচ্ছে। বাংলাদেশে দিবসটির বিভিন্ন কার্যক্রমের দায়িত্বে রয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়।

বাংলাদেশের বন বিভাগের ২০১৯ সালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে বন আচ্ছাদিত এলাকার পরিমাণ মোট ভূমির ১২ দশমিক ৮ শতাংশ। এর আগে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) তথ্য অনুযায়ী যা ছিল ১০ দশমিক ৯ শতাংশ।

এই হিসাবে বনের বাইরের গাছ আমলে নেয়া হয়নি। কিন্তু বন বিভাগের নতুন সমীক্ষায় বলা হয়েছে, বনের বাইরে গাছের পরিমাণ মোট ভূমির ৯ দশমিক ৭ শতাংশ। এসব গাছের বেশির ভাগই বেড়ে উঠেছে মূলত সামাজিক বনায়নের মাধ্যমে। সেই হিসাবে বনের ভেতর ও বাইরে বৃক্ষ আচ্ছাদিত এলাকার পরিমাণ মোট ভূমির সাড়ে ২২ শতাংশ।

গ্লোবাল ফরেস্ট ওয়াচের মতে, পৃথিবীর প্রায় এক-তৃতীয়াংশ বনভূমি। একটি বনে প্রতি বর্গকিলোমিটারে ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ গাছ থাকে। একজন মানুষের শ্বাস নিতে বছরে ৭৪০ কেজি অক্সিজেন প্রয়োজন। আর গড়ে, একটি গাছ বছরে ১০০ কেজি পর্যন্ত অক্সিজেন দেয়। এ হিসেবে একজন মানুষের জন্য প্রয়োজন পড়ছে ৮টি গাছ।

২০১৫ সালে নেচার জার্নালের একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, মানুষের গাছ নিধনের কার্যক্রমে এখন পর্যন্ত ৪৬ শতাংশ গাছ কাটা হয়েছে। আর তাই গাছের পরিমাণ কমে বিশ্বে বর্তমানে গাছ রয়েছে ৩.০৪ লাখ কোটি।

ট্রপিক্যাল ফরেস্ট অ্যালায়েন্স ২০২০ অনুসারে, আমরা যদি কোনো পরিবর্তন না করি, তাহলে ২০৩০ সালের মধ্যে ১৭ লাখ বর্গ কিলোমিটারের মধ্যে বিস্তৃত গ্রীষ্মমন্ডলীয় বন শেষ হয়ে যাবে।

সেন্টার ফর গ্লোবাল ডেভেলপমেন্টের এক সমীক্ষায় বলা হয়েছে, যদি এই হারে গাছ-গাছালি মারা যেতে থাকে, তাহলে ২০৫০ সালের মধ্যে ভারতের আয়তনের সমান বনভূমি ধ্বংস হয়ে যাবে। অথচ ২০০০ এরও বেশি আদিবাসী সংস্কৃতিসহ প্রায় ১.৬ বিলিয়ন মানুষ তাদের জীবিকা, ওষুধ, জ্বালানী, খাদ্য এবং আশ্রয়ের জন্য বনের ওপর নির্ভর করে।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads