ads

মঙ্গলবার , ২৪ জানুয়ারি ২০২৩ | ২২শে মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শ্রীবরদীতে স্বামীর বাড়ি থেকে গৃহবধূ নিখোঁজের অভিযো্গ

রেজাউল করিম বকুল
জানুয়ারি ২৪, ২০২৩ ৩:১৪ অপরাহ্ণ

শেরপুরের শ্রীবরদীতে মোছা. লাবনী বেগম (২০) নামে এক গৃহবধূ নিখোঁজের অভিযোগ উঠেছে। গত ৩০ নভেম্বর রাতে রহস্যজনকভাবে উপজেলার হাঁসধরা গ্রামের স্বামী আয়নাল হকের বাড়ি থেকে সে নিখোঁজ হয়। ওই ঘটনায় ২৬ ডিসেম্বর শ্রীবরদী থানায় জিডি করেছেন লাবনীর বাবা আসাদুজ্জামান ভাদু । ঘটনার এক মাস ২৫ দিন পরেও নিখোঁজ লাবনীকে খোঁজে পাচ্ছে না পরিবারের লোকজন। লাবনীকে না পেয়ে অনেকটাই ভেঙে পড়েছেন তার মা মিনা বেগম, বাবা আসাদুজ্জামান ভাদু সহ তার দাদা-দাদী।

Shamol Bangla Ads

নিখোঁজ গৃহবধূর পরিবার সূত্রে জানা যায়, শ্রীবরদী উপজেলার বাঘহাতা গ্রামের আসাদুজ্জামান ভাদুর মেয়ে লাবনী বেগম। প্রায় তিন বছর আগে লাবনীর বিয়ে হয় পার্শ্ববর্তী হাঁসধরা গ্রামের নুর ইসলামের ছেলে আয়নাল হকের সাথে। গত বছর ৩০ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় স্বামী আয়নাল হকের বাড়ি থেকে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয় লাবনী। পরদিন লাবনী নিখোঁজের বিষয়টি জানাজানি হয়। এরপর লাবনীর মা বাবা খোঁজাখুঁজি করেন। লাবনীকে কোথাও সন্ধান না পেয়ে গত ২৬ ডিসেম্বর শ্রীবরদী থানায় জিডি করেন তার বাবা আসাদুজ্জামান ভাদু।

তিনি অভিযোগ তুলেন, তার জামাই আয়নাল হকের কাছে শুনে সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ-খবর করেছে। কোথাও খুঁজে পায়নি। তবে তারা জানতে পায় তাদের প্রতিবেশী এরশাদ ওরফে সোহেল ঘটনার রাতে কৌশলে তার মেয়ে লাবনীকে তার স্বামীর বাড়ি থেকে নিয়ে পালিয়েছে। এর পর থেকে তাদের মোবাইল ফোনও বন্ধ।

Shamol Bangla Ads

লাবনীর শ্বশুর নুর ইসলাম জানান, ওই দিন লাবনীর শ্বাশুড়ি অসুস্থ্য ছিল। তার ছেলেও বাড়িতে ছিল না। তিনি বলেন, সন্ধ্যার দিকে কাপড় চোপর নিয়ে কাউকে না জানিয়ে ঘর থেকে বের হয়ে যায়। আর ফিরে আসেনি। লাবনীর দাদা মিনজু মিয়া জানান, আমরা অনেক জায়গায় খুঁজেছি। কোথাও পাইলাম না। আমরা জানি, ভোলা জেলার সদর উপজেলার মির্জাকালু গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল ভূইয়ার ছেলে এরশাদ ওরফে সোহেল প্রায় ২০ বছর আগে আমগোর প্রতিবেশী ছামিউল হকের মেয়ে স্বপ্নাকে বিয়ে করে। বিয়ের পর থেকে সে এখানেই থাকতো। তার এক ছেলে ও এক মেয়ে সন্তান রয়েছে। সে অটো চালিয়ে সংসার চালাতো। এরশাদ পরিকল্পিতভাবে লাবনীকে নিয়ে গেছে। আমরা লাবনীর সন্ধান চাই। লাবনীর মা মিনা বেগম বলেন, মেলা দিন অইলো লাবনীর খোঁজ পাইতাছি না। আমরা লাবনীকে চাই।

এ ব্যাপারে কথা হয় শ্রীবরদী থানার এসআই নুর হকের সাথে। তিনি বলেন, আমরা তথ্য-প্রযুক্তির মাধ্যমে তদন্ত করছি। সন্ধান পেলেই উদ্ধার করা হবে।

error: কপি হবে না!