ads

মঙ্গলবার , ২৪ জানুয়ারি ২০২৩ | ২২শে মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

অভিভাবক হিসেবে বাবার নামের বাধ্যবাধকতা তুলে দিলেন হাইকোর্ট

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
জানুয়ারি ২৪, ২০২৩ ৭:৪৬ অপরাহ্ণ

শিক্ষাসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় ফরম পূরণের ক্ষেত্রে এখন থেকে অভিভাবক হিসেবে বাবা, মা, আইনগত অভিভাবক—যেকোনো একজনের নাম লেখা যাবে। এসএসসিতে মায়ের নাম দিয়ে রেজিস্ট্রেশন ফরম পূরণ করে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ চেয়ে এক শিক্ষার্থীর করা রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে আজ মঙ্গলবার এ রায় দেন বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ।

Shamol Bangla Ads

হাইকোর্টের রায়ে শিক্ষাক্ষেত্রে বিভিন্ন স্তরে শিক্ষার্থীর তথ্য সংক্রান্ত ফরম (এসআইএফ) সংশোধনের মাধ্যমে ‘বাবা’ অথবা ‘মা’ অথবা ‘আইনগত অভিভাবকের’ নাম যুক্ত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে অভিভাবকের ঘরে বাবা অথবা মা অথবা আইনগত অভিভাবক—এই তিন বিকল্পের যেকোনো একটি দিয়েই ফরম পূরণ করা যাবে।

মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষার (এসএসসি) পর্যায়ে বাবার নাম না দিয়ে মায়ের নাম দিয়ে রেজিস্ট্রেশন ফরম পূরণের সুযোগ নিয়ে ১৪ বছর আগে করা এক রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে আজ এ রায় এল।

Shamol Bangla Ads

রিটের পক্ষে থাকা আইনজীবী আইনুন নাহার সিদ্দিকা বলেন, ‘বাবা অথবা মা অথবা আইনগত অভিভাবক—যেকোনো একজনের নাম দিয়ে শিক্ষাসংক্রান্ত ফরম পূরণ করা যাবে। বাবার নাম থাকতেই হবে—এমন কোনো বাধ্যবাধকতা আর থাকল না। অর্থাৎ বাবার নামের কারণে কাউকে যেন শিক্ষার অধিকার থেকে বঞ্চিত হতে না হয়।’

এর আগে ২০০৭ সালের ২৮ মার্চ ‘বাবার পরিচয় নেই, বন্ধ হলো মেয়ের লেখাপড়া’ শিরোনামে একটি দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদনে ঠাকুরগাঁওয়ের এক শিক্ষার্থীকে উদ্বৃত করে বলা হয়, ‘আমি বাবার নামটি রেজিস্ট্রেশন ফরমে লিখতে পারিনি। কারণ ওই লোকটি আমাদের স্বীকৃতি দেয়নি। তাঁর নাম না লেখায় আমার রেজিস্ট্রেশন কার্ডও আসেনি। আমি এসএসসি পরীক্ষা দিতে পারলাম না।’

পরে ওই প্রতিবেদন যুক্ত করে ২০০৯ সালে রিট করে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ ও নারীপক্ষ। ওই রিটের পরিপ্রেক্ষিতে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। চূড়ান্ত শুনানি শেষে মঙ্গলবার রায় দেন হাইকোর্ট। আদালতে রিটের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আইনুন নাহার সিদ্দিকা, এস এম রেজাউল করিম ও আয়েশা আক্তার। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাশগুপ্ত।

error: কপি হবে না!