ads

রবিবার , ৪ ডিসেম্বর ২০২২ | ২২শে মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

মিরাজের দৃঢ়তায় রোমাঞ্চকর জয় পেল টাইগাররা

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
ডিসেম্বর ৪, ২০২২ ৮:২৬ অপরাহ্ণ

১৮৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৩৬ রানে বাংলাদেশ হারিয়ে ফেলেছিল ৯ উইকেট। তখনো ৬৩ বলে ৫১ রান দরকার ছিল বাংলাদেশের। মিরপুরে ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ যে এই ম্যাচটা যে জিতে যাবে, কেউ কল্পনা করেছিল? প্রায় অসম্ভব কাজটাই সফল হলো মেহেদী হাসান মিরাজের বীরত্বে। আর শেষ উইকেটে তিনি সঙ্গী হিসেবে পেয়েছিলেন মোস্তাফিজুর রহমানকে। দীপক চাহারের বলটা কাভার ড্রাইভ করে দৌড় দিলেন মিরাজ। বাংলাদেশ ক্রিকেটে এক এতিহাসিক দৌড় হয়ে থাকবে এটি। খাদের কিনারা থেকে যেভাবে ১ উইকেটে দলকে জেতালেন, অবিশ্বাস্য বললেও কম বলা হবে!

Shamol Bangla Ads

ভারতের ১৮৭ রান তাড়ায় একপর্যায়ে ১৩৬ রানে ৯ উইকেট হারিয়ে ফেলে বাংলাদেশ। মোস্তাফিজুর রহমানকে নিয়ে শেষ উইকেটে ৫১ জয়ের সমীকরণটা মিলিয়ে নেন মিরাজ। ৩৯ বলে ৩৮ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন মিরাজ। ৪ চারের সঙ্গে টার ইনিংসে ২টি ছক্কা। দারুণ সঙ্গ দিয়েছেন মোস্তাফিজ। তিনি অপরাজিত ছিলেন ১১ বলে ১০ রানে।
ডিসেম্বরে শুরু। শীত জেকে না বসলেও শিশির পড়তে শুরু করেছে। দ্বিতীয় ইনিংসে বল ভিজে যাওয়ার চিন্তায় রোববার শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে সিরিজের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে টস জিতে শুরুতে বোলিং করার বিষয়ে ভাবতে হয়নি নিয়মিত অধিনায়ক তামিম ইকবালের ইনজুরিতে নেতৃত্বভার পাওয়া লিটন দাসের। বল হাতে ভালোও করেন দলের বোলাররা।

ইনিংসের ষষ্ঠ ওভারে ডানহাতি স্পিনার মেহেদি মিরাজ ব্রেক থ্রু দেন। তিনি তুলে নেন শিখর ধাওয়ানকে (৮)। অন্য ওপেনার রোহিত রান তুলছিলেন। তর সঙ্গে কোহলি সেট হওয়ার চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু ভারতীয় অধিনায়ক ২৭ রান করে ফেরায় ওই জুটি জমেনি। রান পাননি সাবেক অধিনায়ক কোহলিও। তিনি ফিরে যান ৯ রান করে।
বিপদে পড়া দলকে টানছিলেন শ্রেয়াস আয়ার ও কেএল রাহুল। এর মধ্যে চারে নামা আয়ার আউট হন ২৪ রান করে। ক্রিজে এসে দৃঢ়তা দেখাতে শুরু করেন ওয়াশিংটন সুন্দর। তিনি ৪৩ বল খেলে ১৯ রান করে ফিরে যান। পঞ্চম ব্যাটার হিসেবে মাঠে আসা কেএল রাহুল দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৭৩ রানের ইনিংস খেলেন। নবম ব্যাটার হিসেবে ফিরে যাওয়ার আগে ৭০ বলে পাঁচটি চার ও চারটি ছক্কায় ওই রান তোলেন তিনি।

Shamol Bangla Ads

জবাব দিতে নেমে ইনিংসের প্রথম বলেই স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান ওপেনিং করতে নামা নাজমুল শান্ত। দলের ২৬ রানে ফেরেন তিনে নামা এনামুল হক। তিনি করেন ১৪ রান। ওই ধাক্কা ৪৪ রানের জুটি গড়ে সামলান লিটন দাস ও সাকিব আল হাসান। লিটনের ব্যাট থেকে আসে ৬৩ বলে তিন চার ও এক ছক্কায় ৪১ রান। দলীয় শতকের আগে সাকিব আল হাসান ৩৮ বলে ২৯ রান করে সাজঘরের পথ ধরেন।
তবু ম্যাচ পক্ষে ছিল বাংলাদেশের। পাঁচে ও ছয়ে নামা দুই অভিজ্ঞ মিডল অর্ডার ব্যাটার মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহ ধীরে ব্যাটিং করলেও দলকে টানছিলেন। রিয়াদ ৩৫তম ওভারের শেষ বলে ৩৫ বলে ১৪ রান করে আউট হন। পরের বলেই বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন মুশফিক। তিনি করেন ৪৫ বলে ১৮ রান। দলের রান তখন ১২৮। জিততে দরকার ৫৯।

তখনও ম্যাচ হাতছাড়া হয়নি বাংলাদেশের। ক্রিজে ছিলেন আফিফ ও মেহেদি মিরাজ। কিন্তু বাঁ-হাতি আফিফ জুটি দিতে পারেননি। তিনি ৬ রান করে ফিরে যান। পরেই এবাদত এসে হিট উইকেট হন। পেসার হাসান মাহমুদও রানের খাতা খুলতে পারেননি। হারের চিন্তা মাথায় না নিয়ে মুস্তাফিজকে নিয়ে মিরাজ লড়াই চালিয়ে যান এবং ভক্তদের ভাসান জয়ের উল্লাসে।

এর আগে বাংলাদেশ দলের হয়ে ১০ ওভারে ৩৬ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন সাকিব আল হাসান। ভারতের বিপক্ষে তৃতীয় স্পিনার হিসেবে পাঁচ উইকেট নেওয়ার কীর্তি গড়েন। ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ওয়ানডে খেলতে নামা পেসার এবাদত ৪৭ রান দিয়ে ৪ উইকেট তুলে নেন। ভারতের হয়ে মোহাম্মদ সিরাজ তিনটি এবং কুলদীপ সিং ও ওয়াশিংটন সুন্দর দুটি করে উইকেট নিয়েছেন। ভারতের বিপক্ষে সিরিজ নিশ্চিতের ম্যাচে ৭ ডিসেম্বর দ্বিতীয় ওয়ানডে খেলতে নামবে বাংলাদেশ।

error: কপি হবে না!