ads

মঙ্গলবার , ২৯ নভেম্বর ২০২২ | ৩১শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

আর্জেন্টিনার চেয়ে ব্রাজিলে ১০ গুণ বেশি রপ্তানি বাণিজ্য বাংলাদেশের

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
নভেম্বর ২৯, ২০২২ ১:৪০ অপরাহ্ণ

ফুটবল বিশ্বের দুই পরাশক্তি আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল। বাংলাদেশে এই দেশ দুটির ফুটবল খেলা তুমুল জনপ্রিয়। আগের বিশ্বকাপগুলোর মতো কাতার আসরও উত্তাপ ছড়াচ্ছে ফুলবলপ্রেমীদের মাঝে। ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার ফুটবল নৈপুণ্য কিংবা জয়-পরাজয়ের আলোচনা এখন সর্বত্র। বিশ্বকাপে এ দুটি দলের সমর্থকের সংখ্যাই বাংলাদেশে বেশি।

Shamol Bangla Ads

ফুটবলের বাইরে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের রয়েছে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য। যদিও ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার সঙ্গে বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য দেশ দুটির পক্ষে। অর্থাৎ আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল বাংলাদেশ থেকে আমদানি করে কম, এ দেশে রপ্তানি করে বেশি। ফুটবলের মতো বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের চেয়ে অনেক এগিয়ে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল।

বাণিজ্য তথ্য বিশ্নেষণে দেখা যায়, আর্জেন্টিনার চেয়ে ব্রাজিলে ১০ গুণ বেশি পণ্য রপ্তানি করে থাকে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি পণ্য আমদানি করে এমন ২০টি দেশের মধ্যে ব্রাজিলের অবস্থান অষ্টম। আর্জেন্টিনার অবস্থান ১৯তম।
ব্রাজিলে রপ্তানির চেয়ে আমদানি ২০ গুণ : ব্রাজিল থেকে গত অর্থবছর বাংলাদেশের আমদানির পরিমাণ ছিল ২২৫ কোটি ডলার। এর বিপরীতে রপ্তানির পরিমাণ ছিল প্রায় ১১ কোটি ডলার। এর অর্থ ব্রাজিল বাংলাদেশ থেকে যা আমদানি করে, তার চেয়ে ২০ গুণ বেশি রপ্তানি করে এ দেশে। আর্জেন্টিনার মতো বড় ব্যবধান না হলেও বাংলাদেশ-ব্রাজিল আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যও একতরফা ব্রাজিলের অনুকূলে।

Shamol Bangla Ads

ব্রাজিল থেকে সাধারণত চিনি, তেলবীজ, খাদ্যশস্য, বিভিন্ন ধরনের ফল, আয়রন ও স্টিল আমদানি করে বাংলাদেশ। অন্যান্য দেশের মতো ব্রাজিলেও তৈরি পোশাকই বেশি রপ্তানি হয়ে থাকে বাংলাদেশ থেকে। গত অর্থবছরে দেশটিতে পোশাক খাতে নিটের রপ্তানি ছিল প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি ডলার, আর ওভেনের চার কোটির মতো। অর্থাৎ ব্রাজিলে শুধু পোশাক রপ্তানি হয়েছে সাড়ে ৯ কোটি ডলার, যা আর্জেন্টিনায় মোট রপ্তানির ১০ গুণ।

ব্রাজিলে রপ্তানি হওয়া অন্যান্য পণ্যের মধ্যে রয়েছে পিপিই, ওষুধ, চামড়াপণ্য, পাদুকা, ফার্নিচার, খেলনা ইত্যাদি। ব্রাজিলে রপ্তানিতে শুল্ক্কমুক্ত সুবিধা চেয়েছিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। তবে এখনও এ বিষয়ে কোনো উদ্যোগ নেয়নি ব্রাজিল।
আর্জেন্টিনায় রপ্তানির চেয়ে আমদানি ৮১ গুণ : গত ২০২১-২২ অর্থবছরে আর্জেন্টিনা থেকে ৭৯ কোটি ডলারের বিভিন্ন পণ্য আমদানি করেছে বাংলাদেশ। আর সেখানে রপ্তানির পরিমাণ ছিল মাত্র ৯৭ লাখ ডলার। আর্জেন্টিনা বাংলাদেশ থেকে যে পরিমাণ আমদানি করে, তার চেয়ে ৮১ গুণ বেশি রপ্তানি করে এ দেশে। অর্থাৎ দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য একতরফা আর্জেন্টিনার অনুকূলে। বাংলাদেশে ব্যাংক ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

আর্জেন্টিনা থেকে সাধারণত তুলা, খাদ্যশস্য, বিভিন্ন ধরনের তেল আমদানি করা হয়। আর বাংলাদেশ থেকে দেশটিতে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয় তৈরি পোশাকের নিট ক্যাটাগরির পণ্য। গত অর্থবছর ৪৫ লাখ ডলারের বেশি নিট পোশাক গেছে আর্জেন্টিনায়। ৩৮ লাখ ডলারের বেশি রপ্তানি হয়েছে শার্ট, প্যান্টসহ বিভিন্ন ওভেন পোশাক। অর্থাৎ নিট এবং ওভেন মিলে তৈরি পোশাকের রপ্তানির পরিমাণ ৮৩ লাখ ডলার, যা বাংলাদেশ থেকে আর্জেন্টিনার মোট আমদানির কাছাকাছি।

বিকেএমইএর সহ-সভাপতি ও বুন বক্স অ্যাপারেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আক্তার হোসেন অপূর্ব বলেন, আর্জেন্টিনা তৈরি পোশাকের বড় বাজার হতে পারে। প্রচলিত বাজারের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বাজার বৈচিত্র্য আনার চেষ্টায় আর্জেন্টিনা থেকে ভালো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। ক্রমেই দেশটিতে পোশাক রপ্তানি বাড়ছে।
আর্জেন্টিনায় বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি হয় এমন পণ্যের তালিকায় আরও রয়েছে খাদ্যশস্য, তেল-চর্বি, পিপিই, পাদুকা, খেলনা ইত্যাদি।

error: কপি হবে না!