ads

বৃহস্পতিবার , ১০ নভেম্বর ২০২২ | ২০শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

বঙ্গবন্ধু রেল সেতু কাজের অগ্রগতি ৪৭ শতাংশ, চলবে ৮৮ ট্রেন

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
নভেম্বর ১০, ২০২২ ৮:২৪ অপরাহ্ণ

দেশের বৃহত্তম বঙ্গবন্ধু রেলওয়ে সেতু দিয়ে দৈনিক ৮৮টি ট্রেন চলবে। ৪ দশমিক ৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এ সেতুর কাজ শেষ হবে ২০২৪ সালের আগস্টে। এ সেতুর কাজের অগ্রগতি হয়েছে ৪৭ শতাংশ। বঙ্গবন্ধু বহুমুখী সেতু ব্যবহার করে বর্তমানে ৪৮টি ট্রেন চলাচল করছে।

Shamol Bangla Ads

২০২৪ সালে যখন বঙ্গবন্ধু রেল সেতু উদ্বোধন হলে উত্তরবঙ্গে উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় পণ্যবাহী ট্রেন চলাচল করবে। এতে উত্তরবঙ্গ থেকে সহজে পণ্য পরিবহন করা যাবে রাজধানীতে। বঙ্গবন্ধু সেতু ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় পারাপারের সময় গতি কমিয়ে দেওয়া হচ্ছে। নিষিদ্ধ রয়েছে ব্রডগেজ পণ্যবাহী ট্রেন চলাচলও। ১০ নভেম্বর বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু রেলসেতুর ৪২ নম্বর পিলারের পাশে যমুনা নদীতে স্থাপিত বার্জে প্রকল্প পরিচালক (পিডি) আল ফাত্তাহ মো. মাসুদুর রহমান এসব তথ্য জানান সাংবাদিকদের।
তিনি বলেন, এ প্রকল্পে জাইকা জাপানি মুদ্রা ইয়ানের মাধ্যমে অর্থায়ন করছে। সেজন্য চলমান ডলারের কোনো সংকট এ প্রকল্পে প্রভাব ফেলবে না। আর এখনই ব্যয় বাড়ারও সম্ভাবনা নেই। প্রকল্পে ১০০০ হাজার শ্রমিক কাজ করছে, যার মধ্যে ৩০০ জন বিদেশি।

রেল মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ঢাকা ও উত্তরবঙ্গের ২২টি জেলার সঙ্গে ট্রেন চলাচল সহজ করবে। এ প্রকল্পের মোট বরাদ্দ ১৬ হাজার ৭৮০ কোটি ৯৬ লাখ টাকায় দাঁড়িয়েছে। যার মধ্যে অর্থ ব্যয় হয়েছে ৬ হাজার ১৬৪ কোটি টাকা, যা মোট বরাদ্দের ৩৬ শতাংশ।
প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, নির্মাণাধীন বঙ্গবন্ধু রেলওয়ে সেতু দিয়ে সাধারণ ট্রেন ছাড়াও দ্রুতগতির (হাইস্পিড) ট্রেনও চালানোর উপযুক্ত করে নির্মাণ করা হচ্ছে। ফলে সেতুতে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২৫০ কিলোমিটার গতিতে ট্রেন চালানো যাবে। তবে শুরুতে (উদ্বোধনের এক বছর) সাধারণত ঘণ্টায় ১০০ থেকে ১২০ কিলোমিটার গতিতে ট্রেন চলাচল করবে।

Shamol Bangla Ads

বঙ্গবন্ধু রেল সেতুতে পাশাপাশি তিনটি স্টেশন বিল্ডিং, তিনটি প্লাটফর্ম ও শেড, তিনটি লেভেল ক্রসিং গেট ও ৬টি কালভার্ট নির্মাণ করা হচ্ছে। রেল সেতুর পূর্ব পাশে লুপ লাইনসহ প্রায় সাড়ে ১৩ কিলোমিটার, তেরটি কালভার্ট ও দুটি সংযোগ স্টেশন নির্মাণ করা হচ্ছে।
প্রকল্প পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির সদস্য গাজী মোহাম্মদ শাহনওয়াজ, পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক অসীম কুমার তালুকদার, বাংলাদেশ রেলওয়ের জ্যেষ্ঠ তথ্য কর্মকর্তা শরিফ আলম।

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

error: কপি হবে না!