ads

বৃহস্পতিবার , ৫ মে ২০২২ | ১১ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শেরপুরের গারো পাহাড়ের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে ভ্রমণপিপাসুদের ঢল

জুবাইদুল ইসলাম
মে ৫, ২০২২ ৯:১১ অপরাহ্ণ

ঈদের পর শেরপুরের গারো পাহাড়ের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে পর্যটকদের ঢল নেমেছে। করোনা পরিস্থিতিতে দীর্ঘ দুই বছর খোলামেলা আনন্দ উপভোগ করতে পারেননি পর্যটকরা। তবে এবার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় গারো পাহাড়ের গজনী অবকাশ ও মধুটিলা ইকোপার্কে বাধভাঙ্গা জোয়ারের মতো ছুটে আসছে ভ্রমণপিপাসু মানুষ। এতে পর্যটনকেন্দ্রগুলোও ফিরে পেয়েছে পরিপূর্ণতা। কেন্দ্রগুলোর ব্যবসায়ীরা বলছেন, এবার যেভাবে পর্যটকদের ভিড় বেড়েছে, তাতে তারা অনেকটাই করোনা পরিস্থিতিতে হওয়া ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবেন।

Shamol Bangla Ads

জানা যায়, সীমান্তবর্তী গারো পাহাড়ের নৈসর্গিক প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য ঝিনাইগাতী উপজেলার গজনী অবকাশ কেন্দ্র ও নালিতাবাড়ী উপজেলার মধুটিলা ইকোপার্ক গড়ে তোলা হয়েছে। সাম্প্রতিককালে পর্যটনকেন্দ্র দুটিতে নান্দনিক কারুকাজসহ ভিন্ন ভিন্ন সংযোগে অত্যন্ত আকর্ষণীয় করা হয়েছে। ফলে করোনা পরিস্থিতি শিথিল হওয়ার পরপরই ওই দুটি কেন্দ্রে ভ্রমণপিপাসুদের যাতায়াতে যোগ হয়েছে ভিন্ন মাত্রা। এদিকে গত দুই বছর করোনা মহামারীর কারণে ওইসব পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ ছিল। কিছুদিন আগে পর্যটনকেন্দ্রগুলো খুলে দেওয়া হলেও বিধিনিষেধের কারণে প্রাণভরে ঘুরতে পারেননি পর্যটকরা। তবে এবার ঈদে কোন বিধিনিষেধ না থাকায় এবং লম্বা ছুটি পেয়ে মানুষ এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য দলে দলে ছুটে আসছেন। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঈদের অন্যরকম আনন্দ উপভোগ করছেন তারা। গারো পাহাড়ে আগত পর্যটকরা যাতে নির্বিঘ্নে ঘোরাফেরা করতে পারে এজন্য বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা। পুলিশের কয়েকটি টিমের পাশাপাশি গজনী অবকাশের বিভিন্ন পয়েন্ট লাগানো হয়েছে ৩২টি সিসি ক্যামেরা। গজনী অবকাশ কেন্দ্রে নতুন করে ঝুলন্ত ব্রিজ, ক্যাবলকার, রুফওয়ে, প্যাডেল বোট, সাম্পান নৌকা সংযোগসহ সৌন্দর্য বৃদ্ধি করায় এখানে দর্শনার্থীদের আকর্ষণ বেশী। বিশেষ করে শিশু ও মহিলারা অনেক আনন্দ পায় এখানে এসে।

গজনী অবকাশে ঘুরতে আসা সরকারি চাকুরিজীবী সাইফুল ইসলাম বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে পরিবার-পরিজন নিয়ে কোথাও প্রাণ খুলে ঘুরতে পারিনি। এবার সে পরিস্থিতি পাল্টে যাওয়ায় নতুন করে সাজানো গজনী অবকাশে ঘুরতে এসেছি। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঘুরতে এসে অনেক স্বাচ্ছন্দ্য উপভোগ করলাম। তার মতো একই ধরনের অভিব্যক্তি ব্যক্ত করেন স্কুল শিক্ষক মাহবুব হাসান রুবেল, উন্নয়ন সংস্থার কর্মকর্তা বিল্লাল হোসেনসহ বেশ কয়েকজন।

Shamol Bangla Ads

গজনী অবকাশের ব্যবসায়ী মো. শাহিন মিয়া বলেন, করোনার কারণে দুই বছর ব্যবসায় আমরা লস খাইছি। এখন এবারের মতো পর্যটক থাকলে সেই লস কিছুটা কাটায়া উঠতে পারমু। খেলনা বিক্রেতা মো. আব্দুস সামাদ বলেন, করোনা শেষ হওয়ার পর এখন পর্যটকদের আগমন বেড়েছে। আর পর্যটক বাড়ায় আমাদের বিক্রিও বাড়ছে।

এ ব্যাপারে শেরপুরের জেলা প্রশাসক মো. মোমিনুর রশীদ বলেন, জেলার পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে বিশেষ করে গজনী অবকাশে পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়াতে ইতোমধ্যে বেশ কিছু রাইড যুক্ত করা হয়েছে। ঈদুল ফিতর উপলক্ষে পর্যটনকেন্দ্রগুলোকে পূর্বেই সাজিয়ে রাখা হয়েছিল। এজন্য ভ্রমণপিপাসুরা নির্বিঘ্নে সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারছেন। সামনে পর্যটক বাড়াতে আরও উন্নয়ন কাজ করা হবে।

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

error: কপি হবে না!