ডারবান টেস্টে আম্পায়ারের অনেকগুলো সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ দলের বিপক্ষে গেছে। লেগ বিফোরের ক্লোজ কলগুলোয় আম্পায়ার সাড়া দেননি। এমনকি ম্যাচে স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা স্লেজিংয়ের সীমা ছাড়িয়ে গালাগালিও করেছে। কিন্তু টাইগার টেস্ট কাপ্তান মুমিনুল হকের দাবি, আম্পায়ার সেগুলো এড়িয়ে গেছেন।

ম্যাচ শেষে মুমিনুল হক বলেন, ‘আমি মনে করি, স্লেজিং খেলারই অংশ। ক্রিকেটে এটা স্বাভাবিক। কিন্তু আমার মনে হয়েছে, ওরা অনেকবার সীমা ছাড়িয়ে গেছে। ওরা আমাদের গালাগালি করেছে। কিন্তু আম্পায়ার বিষয়টি খেয়ালই করেননি। আম্পায়ার বিষয়টিকে গুরুত্ব না দিলে আমাদের করার কিছু থাকে না।’
করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় আইসিসি’র কাছে নিরপেক্ষ আম্পায়ারের দাবি তুলেছেন, সাকিব আল হাসান। তার সঙ্গে সুর মিলিয়েছেন টাইগার টিম ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ সুজন। নিরপেক্ষ আম্পায়ার নিয়ে ভাববার সময় এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। এবার মুমিনুলও বললেন একই কথা, ‘যেহেতু করোনা কমে গেছে, আইসিসি’র উচিত নিরপেক্ষ আম্পায়ারের বিষয়টি ভেবে দেখা।’

এর আগে ম্যাচের চতুর্থদিন দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটারদের সীমা ছাড়িয়ে স্লেজিং করার বিষয়টি আম্পায়ারকে জানান দলের সিনিয়র ক্রিকেটার তামিম ইকবাল। পেটের পীড়ার কারণে ডারবান টেস্ট খেলতে না পারলেও চতুর্থ দিন শেষে তিনি মাঠে প্রবেশ করে আম্পায়ার এরাসমাসকে স্লেজিং নিয়ে সতর্ক করেন।
তামিম এরাসমাসকে বলেন, ‘আমাদের তরুণ খেলোয়াড়দের সঙ্গে আপনারা যে আচরণ করেছেন, সেটা ঠিক না। একটা জুনিয়র ক্রিকেটারকে (এবাদত হোসেন) আপনারা দু’জন মিলে সতর্ক করেছেন। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটাররা প্রত্যেকদিন যা-তা বলছে, তখন কিছুই বলছেন না কেন? শেষ ম্যাচে তো আমি খেলব, আমিও কিন্তু কথা বলবো।’




