বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান অভিযোগ করে বলেছেন, ‘সরকার জনগণকে সত্য ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে।’ শনিবার গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে তিনি এই অভিযোগ করেন। নজরুল ইসলাম বলেন, ‘১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্য রাতে বাংলাদেশে যিনি প্রথম বলেছিলেন, আমরা বিদ্রোহ করলাম। সেই মানুষটার নাম মেজর জিয়াউর রহমান। সেখান থেকে তিনি তার ইউনিটে ফিরে যান, তাঁর কমান্ডার, একজন পাঞ্জাবি অফিসার, তাঁকে বন্দী করেন, হত্যা করেন। তাঁর (জিয়াউর রহমান) কণ্ঠেই প্রথম আমরা স্বাধীনতার ঘোষণা শুনেছি রেডিওতে।’

বিএনপি নেতা বলেন, ‘কেউ এখন আইন করে কিংবা কোনো আদালত রায় দিয়ে যদি আমাকে বলে, তুমি নিজের কানে যা শুনেছ সেটা বিশ্বাস করো না। আমি কি করে তা মানব? আমি তো কারও কাছ থেকে শোনা কথা বলছি না। কিন্তু আমাদের মুক্তিযুদ্ধে ইতিহাসের সত্য ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। আমি বলব, অপচেষ্টা হচ্ছে। দেশকে এই ধরনের অপরাধ থেকে মুক্ত করতে হবে। যার যা প্রাপ্য সেটা তাকে দিতে হবে।’
নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমরা যে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়েছিলাম, সেটা একদিনের প্রস্তুতি না। মহান ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে অনেক সংগ্রাম-আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমরা স্বাধীনতার সংগ্রামে পৌঁছে স্বাধীনতার যুদ্ধ করেছি। এই সময়গুলোতে যারা নেতৃত্ব দিয়েছেন, তারা সবাই আমাদের শ্রদ্ধা পাওয়ার যোগ্য।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, ‘১৯৭০ এর নির্বাচনে যারা বিজয়ী হয়েছিলেন এবং গণতন্ত্রের স্বাভাবিক নিয়মে যাদের রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পাওয়ার কথা তাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়নি বলেই তো আমাদের যুদ্ধ করতে হয়েছিল। গণতন্ত্রের জন্য, গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য সে সময়ে যারা রাজনৈতিক নেতৃত্ব দিয়েছেন, তাদেরও আমাদের শ্রদ্ধা করতে হবে, তারাও শ্রদ্ধা পাওয়ার যোগ্য।’




