• সোমবার, ২৫ অক্টোবর ২০২১, ০৮:২১ অপরাহ্ন
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত নিউজপোর্টাল
শিরোনাম :
ঝিনাইগাতী উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত শেরপুর সদরে ১৩ ইউপির ৯টিতেই আ’লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী নকলায় ১৫ হাজার মিটার নিষিদ্ধ মাছ ধরার জাল জব্দ, ব্যবসায়ীকে জরিমানা ঝিনাইগাতী উপজেলা বিএনপির ৩১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন সালাহর হ্যাটট্রিকে ম্যানইউকে উড়িয়ে দিল লিভারপুল রিজভী-দুলুর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা শেরপুরে রোটারি ক্লাবের উদ্যোগে বিশ্ব পোলিও দিবস পালিত ক্যাচ মিসেই বাংলাদেশের হতাশার হার গফরগাওয়ে নকল ইলেট্রনিক সামগ্রী বিক্রির অভিযোগে আড়াই লাখ টাকা জরিমানা এবার পা দিয়ে লিখে বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা দিলেন শেরপুরের ছুরাইয়া

পেঁয়াজের আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার, কমানো হয়েছে চিনির শুল্ক

/ ১২৪ বার পঠিত
প্রকাশকাল : বৃহস্পতিবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২১

দাম বাড়তে থাকা পেঁয়াজের আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। একইসঙ্গে চিনি আমদানিতে থাকা নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক ১০ শতাংশ কমিয়ে ২০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। ১৪ অক্টোবর বৃহষ্পতিবার এনবিআর আলাদা আলাদা প্রজ্ঞাপনে নিত্য প্রয়োজনীয় এ পণ্য দুটির আমদানি শুল্ক কমিয়ে দেয়। এনবিআরের সদস্য (কাস্টমস নীতি) সৈয়দ গোলাম কিবরিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, জনস্বার্থে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৃহষ্পতিবার থেকেই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।

Shamol Bangla Ads

ভারতের প্রধান প্রধান পেঁয়াজ উৎপাদনকারী এলাকা নাসিক ও ব্যাঙ্গালোরে অতিবৃষ্টির কারণে উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এতে সম্প্রতি ভারতে পণ্যটির দাম সামান্য বেড়েছে। এ খবরে বাংলাদেশে পেয়াজের দাম ১৫ দিনের ব্যবধানে বেড়ে দ্বিগুণ হয়ে যায়। যদিও গত দুইদিন ধরে দাম কমছে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর বাজারগুলোতে প্রতি কেজি দেশি পেয়াজ ৬০ থেকে ৭০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। আমদানি করা পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৫৫ থেকে ৬০ টাকা। আর এদিকে প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা বা তার চেয়ে বেশি দরে। যদিও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় প্রতি কেজি খোলা চিনি ৭৫ টাকা আর প্যাকেটজাত চিনি প্রতি কেজি ৭৬ টাকা দর নির্ধারণ করে দিয়েছে।

আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধি ও সরবরাহ ঘাটতির কারণে এ দুটো পণ্যের দাম বাড়ছে বলে ব্যবসায়ীরা দাবি করছেন। এ প্রেক্ষিতে আমদানির মাধ্যম্যে সরবরাহ বাড়াতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় পণ্য দুটো থেকে আমদানি শুল্ক প্রত্যাহারের সুপারিশ করে গত সপ্তাহে এনবিআরে চিঠি পাঠায়। বৃহস্পতিবার এনবিআর পেঁয়াজ আমদানি থাকা ৫ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহার করেছে। আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিনা শুল্কে পেঁয়াজ আমদানি করতে পারবেন ব্যবসায়ীরা।

Shamol Bangla Ads

বাংলাদেশে প্রধানত শীতকালীন পেঁয়াজের চাষ হয়। নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে লাগানো পেঁয়াজ বাজারে আসে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময় থেকে। এরপর আরও ছয় মাস বাজারে দেশি পেঁয়াজের সরবরাহ থাকে। সেপ্টেম্বর থেকে দেশি পেঁয়াজের সরবরাহ অনেক কমে যায়। ফলে দামও কিছুটা বাড়ে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশে বছরে ২৫ লাখ টন পেঁয়াজের চাহিদা রয়েছে। এর ৮০ ভাগ স্থানীয় উৎপাদন থেকে মেটানো সম্ভব হলেও ২০ ভাগ আমদানি করতে হয়। আমদানির সিংহভাগ আসে ভারত থেকে। ফলে ভারতে দাম বাড়লে বা সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিয়ে এ সময়ে এসে বাংলাদেশের বাজারে তার প্রভাব পড়ে বেশি।

এর আগে পেঁয়াজের বাজারে স্থিতিশীলতা আনতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় টিসিবির মাধ্যমে বিক্রি বাড়িয়েছে। সংস্থাটি সারা দেশে দৈনিক দেড়শ টন পেঁয়াজ ডিলারদের মাধ্যমে প্রতি কেজি ৩০ টাকা দরে বিক্রি করছে। এছাড়া বন্দর থেকে পেঁয়াজ দ্রুত খালাস ও দ্রুত পরিবহণের জন্য সংশ্নিষ্টদের অনুরোধ জানিয়েছে।

আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ার অজুহাতে গত সেপ্টেম্বরে চিনির দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করে ব্যবসায়ীরা। ব্যবসায়ীদের দাবির প্রেক্ষিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় খুচরা পর্যায়ে খোলা চিনি প্রতি কেজি সর্বোচ্চ ৭৪ টাকা ও প্যাকেটজাত চিনি প্রতি কেজি সর্বোচ্চ ৭৫ টাকা নির্ধারণ করে দেয়। একইসঙ্গে জানানো হয়, কোনো ব্যবসায়ী এর চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করলে বাজার মনিটরিং কমিটি, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরসহ সংশ্নিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় আইনানূগ ব্যবস্থা নেবে। কিন্তু ব্যবসায়ীরা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এ নির্দেশনা মানেনি। প্রতি কেজি চিনি ৮০ টাকা বা তার বেশি দরে বেচাকেনা হচ্ছে। এই পণ্যটির দাম কমাতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আমদানি শুল্ক কমানোর প্রস্তাব করে। তার প্রেক্ষিতে এনবিআর চিনি আমদানিতে থাকা নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক ৩০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২০ শতাংশে নির্ধারণ করেছে। এ শুল্ক হার আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বহাল থাকবে।

Facebook Notice for EU! You need to login to view and post FB Comments!


এই বিভাগের আরও খবর
Shamol Bangla Ads

error: কপি হবে না!
error: কপি হবে না!