• শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দেশের কৃষি এখন বাণিজ্যিকরণের দিকে যাচ্ছে : শেরপুরে খামারবাড়ির মহাপরিচালক আশ্রয়ণের ঘরের দরজা-জানালায় হাতুড়ি-শাবলের চিহ্ন পেয়েছি : প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর প্রক্রিয়া চলছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ট্রেন থেকে মিসাইল ছুড়ে পরীক্ষা চালালো উত্তর কোরিয়া শ্রীবরদীতে পাগলা কুকুরের কামড়ে আহত ১৫ আমার সমর্থকরা শ্রেষ্ঠ সমর্থক : সাকিব আল হাসান আট জেলায় শনাক্তের হার ৫% এর নিচে: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ১১ সাংবাদিক নেতার ব্যাংক হিসাব তলবে উদ্বেগের কিছু নেই : তথ্যমন্ত্রী দেশে করোনায় আরও ৫১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১ হাজার ৮৬২ ইভ্যালির সিইও রাসেল ও চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন গ্রেফতার

শেরপুরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি

/ ১৭২ বার পঠিত
প্রকাশকাল : শনিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২১

করোনাভাইরাসের কারণে প্রায় দেড় বছর বন্ধ থাকার পর অবশেষে ১২ সেপ্টেম্বর রবিবার থেকে সারা দেশের ন্যায় শেরপুরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোও চালু হচ্ছে। এজন্য জেলার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা, ধোয়ামোছাসহ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণের সব কাজ প্রায় শেষ হয়েছে। এখন চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি।
শুক্রবার সকালে সরেজমিনে শহরের বটতলা এলাকার সরকারি ভিক্টেরিয়া একাডেমিতে গিয়ে দেখা যায়, নির্দেশনা অনুযায়ী ইতোমধ্যে বিদ্যালয়ের সব শ্রেণিকক্ষ, বেঞ্চ, বারান্দা স্যাভলন ও ব্লিচিং পাউডার দিয়ে ধোয়ামোছার কাজ শেষ হয়েছে। এখন মাঠ পরিস্কারের কাজ চলছে। বিদ্যালয়ের মাঠের এক পাশে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বিদ্যালয়ের কর্মচারীদের পাশাপাশি বাইরের শ্রমিকদের নিয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। বিদ্যালয়ে শিক্ষকরা কাজের তদারকি করছেন। একই চিত্র দেখা যায় শহরের সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়েও। এদিকে জেলা শিক্ষা অফিস ও প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি পরিদর্শন করছেন।

শেরপুর সরকারি ভিক্টোরিয়া একাডেমির প্রধান শিক্ষিকা মোছা. লুৎফা বেগম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয় বন্ধ ছিল। নির্দেশনা পাওয়ার পর থেকেই বিদ্যালয়ের পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা শুরু হয়েছে। বিদ্যালয়ের প্রতিটি কক্ষ, বেঞ্চ ও বাথরুম ব্লিচিং পাউডার দিয়ে ধোয়ার পর স্যাভলন পানি দিয়ে জীবাণুমুক্ত করা হয়েছে। এখন শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি কার্যক্রম চলছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফেরদৌসী বেগম জানান, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা পাওয়ার পর থেকেই জেলার ৭৪২টি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ শুরু হয়েছিল। ইতোমধ্যে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে আসার মতো পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে। প্রতিটি বিদ্যালয়ে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও মাস্কের ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়া বিদ্যালয়ে প্রবেশের পূর্বেই থার্মাল স্ক্যানারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শরীরের তাপমাত্রা পরীক্ষা করা হবে।

জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রেজুয়ান জানান, প্রায় ১৮২টি মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শেষ পর্যায়ে। আমি বেশ কয়েকটি বিদ্যালয় পরিদর্শন করেছি। আশা করছি আজকের মধ্যে (শুক্রবার) সব বিদ্যালয়ের পরিচ্ছন্নতার কাজ শেষ হয়ে যাবে। শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি মেনে রোববার থেকে ক্লাশ শুরু করতে কোন সমস্যা হবে না ইনশাআল্লাহ। এখন সরকারের নির্দেশনা মেনে ক্লাসের রুটিন তৈরি করা হচ্ছে। সে অনুযায়ী বিদ্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।


এই বিভাগের আরও খবর
error: কপি হবে না!
error: কপি হবে না!