ads

বুধবার , ৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ | ২২শে মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

আধুনিকতার ছোঁয়ায় বদলে গেছে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
সেপ্টেম্বর ৯, ২০২০ ৩:১৫ অপরাহ্ণ

শ্যামলবাংলা ডেস্ক : পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত, চট্টগ্রামবাসীর বিনোদনের অন্যতম প্রধান স্থান। একদিকে সমুদ্রের আছড়ে পড়া বিস্তীর্ণ জলরাশি, অন্যদিকে কৃত্রিম উপায়ে তৈরি করা মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্য। দুইয়ে মিলে যেন এক নৈসর্গিক পরিবেশ। স্থানীয়রা তো বটেই, দূর-দূরান্ত থেকে পর্যটকদের ভিড়ে নিয়মিতই মুখরিত থাকে পতেঙ্গা।

Shamol Bangla Ads

এরইমধ্যে পুরোনো জরাজীর্ণ চেহারা থেকে মুক্তি পেয়েছে এই সৈকত। আউটার রিং রোড প্রকল্পের আওতায় পাল্টেছে সাগরপাড়ের চিত্র। নান্দনিক ফুল বাগান, পর্যটকদের জন্য সুসজ্জিত বসার স্থান, সাগরপাড়ের বিস্তৃত ওয়াকওয়ে সৌন্দর্যে যোগ করেছে এক নতুন মাত্রা। চলছে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটনকেন্দ্র গড়ার কার্যক্রম।

Shamol Bangla Ads

দিনের বেলায় যেমন দর্শনার্থীদের মনে মধুর দাগ কাটতে সক্ষম এই সৈকত, তেমনই রয়েছে এর রাতের সৌন্দর্য। সমুদ্র পাড়ের মৃয়মান আলো আর সমুদ্র থেকে উঠে আসা শীতল বাতাস, যে কারো প্রাণ জুড়াতে সক্ষম।
দেশে করোনা ভাইরাসের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ওই পর্যটন এলকায় জনসমাগম নিষিদ্ধ করে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। তাই সেখানে কিছুদিন ছিল শুনসান নীরবতা। কিন্তু বর্তমানে করোনার প্রভাব একটু কমায় সৈকতে মানুষের আনাগোনা আবারো বেড়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সৈকতে দর্শানার্থীদের উপচে পড়া ভিড়। সরকারি ছুটির দিনগুলোতে ভিড় থাকে বেশি। পরিবার-পরিজন, বন্ধু ও প্রিয় মানুষকে নিয়ে দর্শনার্থীরা চষে বেড়াচ্ছেন আধুনিক পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত। কেউ হাঁটছেন, কেউ বিশ্রাম নিচ্ছেন, কেউবা বাগানে ফোটা ফুলের ঘ্রাণে মুগ্ধ হয়ে উপভোগ করছেন সমুদ্রের বিশালতা। পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে পর্যটকদের হাঁটার জন্য নির্মাণ করা হয়েছে সাড়ে পাঁচ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে। তীরজুড়ে করা হয়েছে ফুলের বাগান। দর্শনার্থীদের জন্য বসানো হয়েছে ছোট ছোট বিশ্রাম চেয়ার এবং রঙ-বেরঙের পাথর। চলছে শিশুদের জন্য রাইড নির্মাণের কাজ। সব মিলিয়ে আধুনিকতা ও নান্দনিকতার ছোঁয়ায় নতুন রূপে সাজছে পতেঙ্গা সৈকত।
বিশ্বমানের পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সৈকতজুড়ে করা হয়েছে শত কোটি টাকার উন্নয়ন।

সিডিএ চেয়ারম্যান জহিরুল আলম দোভাষ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত ব্যবহার করে আসছি আমরা। কিন্তু বিনোদনের পর্যাপ্ত উপাদান ছিল না। বর্তমানে সেই শূন্যতা পূরণ হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য, আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধাসহ পতেঙ্গাকে একটি বিশ্বমানেরপর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা। সেই অনুযায়ী কাজ চলছে। আগামী ছয় মাসের মধ্যে চট্টগ্রামের এবং বাইরের মানুষ পতেঙ্গাকেআধুনিক সুযোগ-সুবিধাসংবলিত পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে দেখবে।
সিডিএ চেয়ারম্যান আরও জানান, সাড়ে ৫ কিলোমিটার ওয়াকওয়েতে একসঙ্গে ৫০ হাজার মানুষ হাঁটতে পারবে। এলাকাটিকে ২টি জোনে ভাগ করা হয়েছে। জোন ওয়ান ও জোন টু। জোন ওয়ান হচ্ছে সমুদ্র সৈকত। জোন টু হচ্ছে ৫ কিলোমিটার শেষে রিং রোড। সেখান থেকে আসা-যাওয়া করার জন্য ক্যাবল কারের ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়া পর্যায়ক্রমে ফাইভ স্টার হোটেল, কনভেনশন হল, শপিং মলসহ সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা থাকবে।

সিডিএর প্রধান প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক কাজী হাসান বিন শামস বলেন, আমরা খুব দ্রুত কাজ করছি। এরইমধ্যে জোন ওয়ান জনসাধারণের জন্য বিনোদনের উপযোগী করে তুলেছি। জোন ওয়ানের মধ্যে ৩০ ফিটের সাড়ে ৫ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে রয়েছে। এ জোনে একটি বিশাল প্লাজা থাকবে। ৭০০ গাড়ি রাখার জন্য পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। গাড়ি পার্কিংয়ের রাস্তাটি হবে টানেল এবং বিচ রোডের মাঝামাঝি। এখন বিচের প্রধান সড়ক যেটি আছে, সেটিকে ৮০ ফিট প্রশস্ত করা হচ্ছে। এ রোড দিয়ে মূলত সব গাড়ি প্রবেশ করবে এবং বের হবে। বিচ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য টিকেটের ব্যবস্থা করা হবে।
তিনি আরও বলেন, বিচ এলাকায় ছোট ও বড়দের জন্য বিভিন্ন রাইড থাকবে। শিশুদের জন্য কিছু সিম্পল রাইড থাকবে। এছাড়া ওয়াকওয়ের উপরে ক্যাবল কার থাকবে। ওই প্রজেক্টের জন্য বর্তমানে ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ আছে। জোন ওয়ানের কাজ শেষ করতে আরো প্রায় ২০ কোটি টাকা খরচ হবে।”

error: কপি হবে না!