ads

রবিবার , ১৬ জুন ২০১৯ | ৩রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শেরপুরে নির্যাতিতা সেই গৃহবধূর পাশে এবার জেলা প্রশাসক

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
জুন ১৬, ২০১৯ ২:১৩ অপরাহ্ণ

স্টাফ রিপোর্টার ॥ গাছে বেঁধে নির্যাতনের শিকার ডলি খানম নামে সেই গৃহবধূর পাশে দাঁড়িয়েছেন এবার শেরপুরের জেলা প্রশাসক আনার কলি মাহবুব। তিনি ১৬ জুন রবিবার সকালে জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই গৃহবধূর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে যান। ওইসময় তিনি গৃহবধূর বেডের পাশে দাঁড়িয়ে তার সাথে কথা বলেন এবং তার সুচিকিৎসার খোঁজ খবর নেন এবং ওই পরিবারের নিরাপত্তাসহ ঘটনার বিষয়ে ন্যায়বিচারের বিষয়ে সার্বিক সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন। একইসময় তিনি গৃহবধূর প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার জন্য সিভিল সার্জন ও সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের দায়িত্বশীল ও সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন। এছাড়া সাথে উপস্থিত থাকা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আমিনুল ইসলামের সাথে কথা বলে মামলার খোঁজ-খবর নেন। এর আগে ওই গৃহবধূ ডলির শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে শুক্রবার রাতে প্রথমে তাকে নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে শনিবার দুপুরে জেলা সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়।
জেলা প্রশাসকের সাথে নির্যাতিতা গৃহবধূ ডলিকে দেখতে ওইসময় অন্যান্যের মধ্যে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবিএম এহছানুল মামুন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আমিনুল ইসলাম, সিভিল সার্জন ডাঃ রেজাউল করিম, এনডিসি মেজবাউল আলম ভূঁইয়া, জেলা সদর হাসপাতালের চলতি দায়িত্বে থাকা আরএমও ডাঃ খাইরুল কবির সুমন, গাইনী বিশেষজ্ঞ ডাঃ চৌধুরী শামীমা, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) আলমগীর হোসেন শাহসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ১০ মে নকলা উপজেলার কায়দা গ্রামে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ডলি খানম নামে এক অন্ত:স্বত্ত্বা গৃহবধূকে গাছে বেঁধে বর্বরোচিত নির্যাতন এবং ওই নির্যাতনে গৃহবধূর গর্ভের সন্তান নষ্টের ঘটনা ঘটে। ঘটনার এক মাস পর নির্যাতনের একটি ভিডিও ভাইরাল হলে তোলপাড় শুরু হয় এবং গত ১১ জুন এক সেনা সদস্যসহ ওই গৃহবধূর ৩ ভাসুর ও জাসহ ৯ জনকে স্ব-নামে ও অজ্ঞাতনামা আরও ৩/৪ জনের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা গ্রহণ করা হয়।

Need Ads
error: কপি হবে না!