স্টাফ রিপোর্টার ॥ অনলাইন গণমাধ্যম প্রিয় ডটকমের সাবেক সাব এডিটর ও রাজধানীর তেজগাঁও কলেজের ট্যুরিজম ও হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষার্থী, তরুণ সাংবাদিক ইহসান ইবনে রেজা ফাগুনের হত্যাকা-ের জট এখনও খুলেনি। মূল রহস্য রয়েছে অনুদঘাটিত। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত রেল পুলিশ ২ জনকে আটক করেছে। এছাড়া আরও দু’টি সংস্থা ওই হত্যাকা-ের রহস্য উদঘাটনে কাজ করছে বলে জামালপুর জিআরপি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন। তবে এ চাঞ্চল্যকর হত্যাকা-ের মূল রহস্য সাংবাদিকদের কাছে জানার চেষ্টা করে আসছেন সচেতন মহল।
এদিকে এখনও সাংবাদিক ফাগুন হত্যার তদন্তে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি না হওয়ায় শেরপুর প্রেসক্লাবের কার্য নির্বাহী কমিটির সভায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। ২ জুন রবিবার বিকেলে শেরপুর প্রেসক্লাব ভবনে ক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির জরুরি সভায় ওই উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রেসক্লাবের সভাপতি শরিফুর রহমান। ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো: মেরাজ উদ্দিনের সঞ্চালনায় ওই সভায় বক্তব্য রাখেন সাবেক সভাপতি এডভোকেট রফিকুল ইসলাম আধার, সিনিয়র সহ-সভাপতি জিএম বাবুল, সহ-সভাপতি আবুল কালাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাবিহা জামান শাপলা, যুগ্ম-সম্পাদক আদিল মাহমুদ উজ্জল ও এডভোকেট রেদওয়ানুল হক আবীর, সাংগঠনিক সম্পাদক মানিক দত্ত, কোষাধ্যক্ষ মলয় মোহন বল, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জিএইচ হান্নান, দপ্তর সম্পাদক আসাদুজ্জামান মুরাদ, ক্রীড়া সম্পাদক মহিউদ্দিন সোহেল, প্রচার সম্পাদক সোহেল রানা, সাহিত্য সম্পাদক মারুফুর রহমান, সিনিয়র সদস্য সুব্রত কুমার দে ভানু, আলমগীর হোসেন, আলমগীর কিবিরিয়া কামরুল, রওশন কবীর আলমগীর প্রমুখ। ফাগুন হত্যার বিচার দাবিতে শেরপুর প্রেসক্লাবের ডাকে টানা ৭ দিনের বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করা হয়েছে। এর মধ্যে জেলা সদরসহ প্রতিটি উপজেলাতেই বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়েছে। ওইসব কর্মসূচী পালন করায় সাংবাদিক নেতৃবৃন্দসহ সকল সাংবাদিককে ধন্যবাদ জানানো হয়। সভায় আরও সিদ্ধান্ত নেয়া হয়, ফাগুন হত্যার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য জামালপুর জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, রেলওয়ে কর্মকর্তাদের সাথে সাক্ষাৎ, ঘটনাস্থল পরিদর্শন, সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় ও জামালপুর শেরপুর জেলার সাংবাদিকদের যৌথ সমাবেশ।
এছাড়া প্রেসক্লাবের ৩৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনের জন্য কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়। এ উপলক্ষে স্মরণিকা প্রকাশ করার উদ্যোগ গ্রহণ এবং তা বাস্তবায়নের জন্য ক্লাবের সাহিত্য সম্পাদক মারুফুর রহমান ফকিরকে আহ্বায়ক করে ৫ সদস্য বিশিষ্ট উপ-কমিটি গঠন করা হয়। ক্লাবের সদস্যদের হালনাগাদ কাগজপত্র পর্যালোচনা এবং মাসিক চাঁদা আদায় ও সদস্য নবায়নের জন্য ক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি জিএম বাবুলকে আহ্বায়ক করে ৭ সদস্য বিশিষ্ট পৃথক কমিটিও গঠন করা হয়।




