নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি ॥ শেরপুরের নকলা থেকে অপহরণের ১৫ দিনের মাথায় গাজীপুর থেকে উদ্ধার হয়েছে নবম শ্রেণি পড়–য়া এক স্কুলছাত্রী (১৩)। ১০ মে শুক্রবার রাতে গাজীপুর শহরের হোতাপাড়া এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। একই সময় ওই ঘটনার নায়ক জাহাঙ্গীর আলম (২৪) কে গ্রেফতার করে পুলিশ। শনিবার দুপুরে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য তাকে জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ডাক্তারি পরীক্ষা শেষে আদালতে তার জবানবন্দি গ্রহণ করা হবে। একইসাথে দুপুরে গ্রেফতারকৃত জাহাঙ্গীরকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। অন্যদিকে ঘটনাটি প্রেমঘটিত বলে এলাকায় গুঞ্জন উঠেছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, নকলা উপজেলার রুনীগাও এলাকার আব্দুস সাত্তারের পুত্র জাহাঙ্গীর আলম পার্শ্ববর্তী মধ্য নকলা এলাকার ওই স্কুলছাত্রীকে প্রেম নিবেদনে ব্যর্থ হয়ে গত ২৬ এপ্রিল বিকেলে স্থানীয় মসজিদের সম্মুখ থেকে কয়েকজনের সহযোগিতায় অপহরণ করে। এরপর ওই ঘটনায় ২৯ এপ্রিল অপহৃতা স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে শেরপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে জাহাঙ্গীর আলমসহ ৫ জনকে আসামী করে অপহরণ ও সহায়তার অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন। ট্রাইব্যুনালের আদেশ মোতাবেক ওইদিনই তা নকলা থানায় নিয়মিত মামলা হিসেবে রেকর্ড হয়। এরপর তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় জাহাঙ্গীর ও ভিকটিমের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে শনিবার রাতে গাজীপুর পুলিশের সহায়তায় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ইউনুস আলী বিশ্বাস অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামী জাহাঙ্গীরকে গ্রেফতারসহ ভিকটিমকে উদ্ধার করেন।
এ ব্যাপারে নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী শাহনেওয়াজ জানান, ওই ঘটনায় ট্রাইব্যুনালের আদেশ মোতাবেক নিয়মিত মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। ভিকটিমকে উদ্ধারসহ প্রধান আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সেইসাথে ভিকটিমের ডাক্তারী পরীক্ষাসহ আদালতে জবানবন্দি গ্রহণের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে ঘটনাটি প্রেমঘটিত কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তা তদন্তে বেরিয়ে আসবে। তবে ভিকটিম নাবালিকা হওয়ায় ঘটনা প্রেমঘটিত হলেও মামলায় কোন সমস্যা হবে না।




