• মঙ্গলবার, ১৮ মে ২০২১, ০৮:০৮ পূর্বাহ্ন

ঝিনাইগাতীতে ঝুলে আছে সেচ পাম্পের বিদ্যুৎ সংযোগের আবেদন ॥ বিপাকে শতশত কৃষক

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
/ ৫৩০ বার পঠিত
প্রকাশকাল : বুধবার, ২ জানুয়ারি, ২০১৯

খোরশেদ আলম, ঝিনাইগাতী (শেরপুর) ॥ শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে ঝুলে আছে সেচ পাম্পে বিদ্যুৎ সংযোগের ২ শতাধিক আবেদন। ফলে বিদ্যুৎ সংযোগের অনুমতি না পেয়ে সেচ পাম্প মালিকসহ শতশত কৃষক দিশেহারা হয়ে পড়েছে। এতে চলতি মৌসুমে বেশ কিছু এলাকায় বোরো আবাদ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
জানা যায়, গভীর নলকূপের বিদ্যুৎ সংযোগ পেতে প্রথমে বিএডিসি ও পরে উপজেলা সেচ কমিটির কাছে অনুমতির প্রয়োজন হয়। আর সেই অনুমতি পেতে দীর্ঘ প্রায় ২ মাস পূর্বে এ উপজেলা থেকে প্রায় ২শ গভীর নলকূপ (সেচ পাম্প) মালিক বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য আবেদন করেন বিএডিসিতে। কিন্তু বোরো মৌসুমের উপযুক্ত সময় অতিবাহিত হতে চললেও এখনও তারা বিদ্যুৎ সংযোগের অনুমতি পাননি। ফলে বিদ্যুৎ সংযোগের অভাবে সেচ পাম্প চালু ও তাদের জমিতে সেচ দিতে পারছেন না বেশ কিছু এলাকার কৃষকরা।
সরেজমিনে গেলে কথা হয় উপজেলার নাচনমহুরী গ্রামের আবেদনকারী সেচ পাম্প মালিক কাবুল হোসেন, দড়িকালিনগর গ্রামের মতিউর রহমান, ফরিদ হোসেন, কোনাগাঁও গ্রামের আব্দুর রহমান, পানবর গ্রামের আনোয়ার হোসেন, মোজাফফর, কাংশা গ্রামের ইদ্রিস আলীসহ বেশ কয়েকজন সেচ পাম্প মালিকের সাথে। তারা বলেন, সেচ পাম্পে বিদ্যুৎ সংযোগ পেতে ইতোপূর্বে তারা উপজেলা চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন করেছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে উপজেলা চেয়ারম্যান সেচ কমিটির সভাপতির পদ থেকে বাদ যাওয়ায় তাদেরকে বর্তমান সেচ কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছ থেকে নতুন করে অনুমতি সংগ্রহ করতে হচ্ছে। এ হিসেবে গত ২ মাস পূর্বে তারা বিএডিসিতে আবেদন করেছেন। বিএডিসি সরেজমিনে তদন্ত করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে প্রতিবেদন দাখিলের পর তা অনুমোদন দেয়ার কথা। কিন্তু দীর্ঘ ২ মাস পরও তাদের সেই অনুমোদন মেলেনি। ফলে আবেদনকারী শতাধিক গভীর নলকূপ মালিকসহ শতশত কৃষক দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
এ ব্যাপারে বিএডিসি’র ঝিনাইগাতী উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত মাঠ কর্মকর্তা ওবায়দুল হক বলেন, নির্বাচনের কারণে কাজে কিছুটা বিঘœ ঘটেছে। তবে আবেদনগুলো সরেজমিন প্রতিবেদনসহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। সপ্তাহখানেকের মধ্যেই ছাড়পত্র দেয়া হবে। তবে সেচ কমিটির প্রধান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবেল মাহমুদ বলেন, আবেদনগুলো এখনও আমার হাতে পৌঁছেনি। হাতে পেলেই দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।


এই বিভাগের আরও খবর