শ্যামলবাংলা ডেস্ক : সম্ভাবনা জেগেছিল আগের দিন বিকেলে। তৃতীয় দিন সকালে পেল পূর্ণতা। মেহেদী হাসান মিরাজের স্পিনে গুঁড়িয়ে গেল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। প্রতিপক্ষকে সবচেয়ে কম রানে গুটিয়ে বাংলাদেশ পেল প্রথমবার ফলো অন করানোর স্বাদ। রবিবার সকালে এক ঘণ্টারও কম সময়ে ৫ উইকেট হারিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রথম ইনিংসে গুটিয়ে গেছে ১১১ রানে। বাংলাদেশ পেয়েছে ৩৯৭ রানের লিড। ফলো অনের পর আবার ব্যাটিংয়ে নেমেছে ক্যারিবিয়ানরা। বাংলাদেশের বিপক্ষে এর আগে সবচেয়ে কম রানের ইনিংস ছিল ২০১৪ সালে জিম্বাবুয়ের ১১৪।
এর আগে বাংলাদেশ দুইশ রানের লিড পেয়েছিল একবারই। সবশেষ সিরিজেই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে লিড ছিল ২১৮ রানের। তবে সেবার ফলো অন করায়নি বাংলাদেশ।
৫৮ রানে ৭ উইকেট নিয়ে এবার ধ্বংসযজ্ঞের নায়ক মিরাজ। টেস্টে বাংলাদেশের তৃতীয় সেরা বোলিং এটি। তবে কোনো অফ স্পিনারের ৭ উইকেট এটিই প্রথম।
অথচ দিনের শুরুটা মিরাজের ছিল তিক্ত। নিজের প্রথম বলেই ছক্কা হজম করেছিলেন শিমরন হেটমায়ারের ব্যাটে। পট পরিবর্তনের শুরুও সেই হেটমায়ারকে ফিরিয়ে। বিপজ্জনক ব্যাটসম্যানকে ফিরতি ক্যাচে ৩৯ রানে থামান মিরাজ।
সেটি কেবলই শুরু। পরের ওভারেই শিরাজের শিকার দেবেন্দ্র বিশু। তার পরের ওভারে কেমার রোচ। ওয়েস্ট ইন্ডিজ তখন ৮ উইকটে ৯২। প্রথমবার প্রতিপক্ষকে একশর নিচে গুটিয়ে দেওয়ার হাতছানি বাংলাদেশের সামনে।
শেন ডাওরিচ টিকে ছিলেন বলে সেটি হয়নি। তবে খুব বেশি দূর যেতেও পারেনি তারা। ডাওরিচকে ৩৭ রানে থামিয়ে মিরাজ নেন সপ্তম উইকেট। শেষ উইকেট নিয়ে ইনিংস শেষ করে দেন সাকিব। হাসিমুখে মাঠ ছেড়ে বাংলাদেশ অধিনায়ক আবার ব্যাটিংয়ে পাঠান ক্যারিবিয়ানদের।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৫০৮

ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ৩৬.৪ ওভারে ১১১ (আগের দিন ৭৫/৫)(হেটমায়ার ৩৯, ডাওরিচ ৩৭, বিশু ১, রোচ ১, ওয়ারিক্যান ৫*, লুইস ০; সাকিব ১৫.৪-৪-২৭-৩, মিরাজ ১৬-১-৫৮-৭, নাঈম ৩-০-৯-০, তাইজুল ১-০-১০-০, মাহমুদউল্লাহ ১-১-০-০)।




