ads

শুক্রবার , ২৭ জুলাই ২০১৮ | ৩রা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শেরপুরে অবশেষে দন্ত চিকিৎসক রতন ২ সহকারীসহ জামিনে মুক্ত

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
জুলাই ২৭, ২০১৮ ৪:৫৮ অপরাহ্ণ

স্টাফ রিপোর্টার ॥ বিশেষ চক্রের রোষানলের জের ধরে শেরপুরে ফের গ্রেফতার হওয়া ডিপ্লোমা দন্ত চিকিৎসক রতন চন্দ্র দাস (৩৪) ও তার ২ সহকারী মঞ্জুরুল ইসলাম (২৮) ও শুভ চন্দ্র দেব (২৫) অবশেষে জামিনে মুক্ত হয়েছেন। ২৭ জুলাই শুক্রবার বিকেলে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সরকার হাসান শাহরিয়ার উভয় পক্ষের শুনানী শেষে তাদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ ‘জামিনযোগ্য’ বিবেচনায় জামিনে মুক্তির আদেশ দেন। জামিনের বিষয়টি নিশ্চিত করে কোর্ট ইন্সপেক্টর আমিনুর রহমান বলেন, রতন চন্দ্র দাস ও তার সহকারীদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ জামিনযোগ্য হওয়ায় আদালত তাদের জামিনের বিষয়টি বিবেচনা করেছে।
বুধবার রাতে শহরের বটতলা এলাকাস্থ রতনস ডেন্টাল পয়েন্ট থেকে দন্ত চিকিৎসক রতন চন্দ্র দাস (৩৪) ও তার ২ সহকারীকে আটক করে র‌্যাব। পরদিন বিকেলে ভূয়া পরিচয়ের অভিযোগসহ তাদেরকে সদর থানায় সোপর্দ করে এবং বৃহস্পতিবার দুপুরে গণমাধ্যমে প্রেরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র‌্যাব তাদেরকে ‘ভূয়া ডাক্তার’ বলে দাবি করে। ওইদিনই সদর থানা পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে দ-বিধির ৪১৯/১০৯ ধারায় নিয়মিত মামলা নিয়ে শুক্রবার সকালে আদালতে সোপর্দ করে।
ওই ঘটনায় ডেন্টাল পরিষদের কেন্দ্রীয় মহাসচিব মোঃ কামাল হোসেন উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, দন্ত চিকিৎসক রতনের ৪ বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা কোর্সের প্রতিষ্ঠানিক সনদসহ প্র্যাকটিস করার অনুমোদন থাকার পরও তাকে ‘ভূয়া চিকিৎসক’ আখ্যায় আটকের বিষয়টি দুঃখজনক। একই কথা জানিয়ে ডেন্টিস্ট সোসাইটির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক উত্তম কুমার বলেন, বিষয়টি হয়রানীমূলক এবং উচ্চ আদালতের নির্দেশনাও অবমাননাকর।
এ ব্যাপারে জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও আসামীপক্ষের নিযুক্ত আইনজীবী খন্দকার মাহবুবুল আলম রকীব বলেন, মূলত রতন চন্দ্র দাস গ্রীনভিউ ইনস্টিটিউট অব হেল্থ টেকনোলজির ডেন্টাল বিভাগ হতে পাশ করে বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ কর্তৃক সনদ পেয়ে প্রাইভেট প্র্যাকটিস ও ক্লিনিক স্থাপনের বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক বিভাগের পরিচালকসহ জেলা সিভিল সার্জনের লিখিত অনুমোদনক্রমে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ট্রেড লাইসেন্স ও ড্রাগ লাইসেন্স গ্রহণ করে রতন ডেন্টালস পয়েন্ট নামক চেম্বার পরিচালিত করে আসছেন। ইতোপূর্বে দন্ত চিকিৎসা সংক্রান্ত পেশায় ঈর্ষান্বিত একটি মহলের যোগসাজসে তার চেম্বারে সিলগালাসহ তাকে আটক করা হলেও জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ের তদন্তে রতন চন্দ্র দাস বৈধ ডিপ্লোমা দন্ত চিকিৎসক হিসেবে প্রমাণিত হয়েছেন। এছাড়া জমিসংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে স্থানীয় একটি পক্ষের দায়ের করা ফৌজদারী মামলায় সে অব্যাহতি পাওয়ার পর ওই পক্ষের বিরুদ্ধে ৩০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের দাবিতে একটি দেওয়ানী মামলা দায়ের করায় এবং ওই মামলাটি বর্তমানে বিচারের চূড়ান্ত পর্যায়ে থাকায় তাকে আবারও হয়রানীর মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। একই কথা জানিয়ে রতন চন্দ্র দাসের বাবা মন্টু চন্দ্র দাসসহ পরিবারের লোকজন দাবি করেন, জমি-জমা ও মামলা-মোকদ্দমা সংক্রান্ত বিরোধে থাকা ইয়াছিন আলীর উপস্থিতিতেই এবার রতন ও তার ২ সহকারীকে আটক করা হয়েছে।

error: কপি হবে না!