ads

মঙ্গলবার , ২৪ জুলাই ২০১৮ | ৩১শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

মুক্তিযোদ্ধা কোটা রেখেই সংস্কার : প্রধানমন্ত্রী

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
জুলাই ২৪, ২০১৮ ১২:৫৭ অপরাহ্ণ

শ্যামলবাংলা ডেস্ক : মুক্তিযোদ্ধা কোটা সংরক্ষণে উচ্চ আদালতের আদেশ, মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বাধীন কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কোটা সংস্কার হতে পারে। মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহাল রেখে দরকার হলে অন্যান্য কোটা সংস্কার করা যেতে পারে। এমন অভিমত ব্যক্ত করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কাযনির্বাহী সংসদের সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় উপস্থিত দলটির একাধিক নেতা ওই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নেতাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, সভায় কোটা সংস্কার আন্দোলন সম্পর্কে আলোচনার সূত্রপাত করেন দলের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন। তিনি বলেন, নেত্রী এই ইস্যুটির সমাধান হওয়া উচিত। এ আলোচনায় অংশ নেন দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম এনামুল হক শামীম, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন।
এ সময় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমি কীভাবে সমাধান করবো? আমি তো মুক্তিযোদ্ধা কোটা রাখার পক্ষে। ২০০১ সালে আমাকে বিশ্বব্যাংক যে প্রস্তাব দিয়েছিল তা মানলে আমি ক্ষমতায় আসতে পারতাম। মুক্তিযুদ্ধের প্রশ্নে আপস করলে আমার রাজনীতি করার দরকার কী?
তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের জন্য স্বাধীনতাবিরোধীরা পরিকল্পিতভাবে আন্দোলন করাচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধের প্রশ্নে একচুলও ছাড় দেয়া হবে না। রাজাকার, আলবদর, আলশামস বাহিনীর তালিকা করে তারা যেন কোনো সুযোগ-সুবিধা পায় সে ব্যবস্থা করতে হবে।
আলোচনায় অংশ নিয়ে দলের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আমাদের দুর্বলতা আছে। আমরাও এ আন্দোলনের শুরু দিকে আন্দোলনকারীদের সুরে কথা বলেছি। শুরু থেকেই স্বাধীনতার পক্ষের বুদ্ধিজীবী, নারী, মুক্তিযোদ্ধা ও বিভিন্ন অনগ্রসর অংশের মানুষ সক্রিয় হলে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না। আমাদের এ দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে তারা আজকে মাঠ দখল করে আছে।
কোটা সংস্কার আন্দোলনে ছাত্রলীগের ভূমিকা ছিল বলে অভিযোগ করেন দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য আনোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, ছাত্রলীগের সম্মেলন ঠেকানোর জন্য সংগঠনের একটি অংশ এ আন্দোলনে ইন্ধন দিয়েছিল।
এ সময় কোটা সংরক্ষণ নিয়ে উচ্চ আদালতের রায় ও সরকারের গঠিত কমিটির প্রসঙ্গ তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে কমিটি কাজ করছে। কমিটির রিপোর্ট পাওয়ার পর সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। তবে, কোটা বিষয়ে আদালতের নির্দেশনা রয়েছে। সেটা আমাদের বিবেচনায় নিতে হবে। মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাদ দেয়া যাবে না। মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহাল রেখে দরকার হলে অন্যান্য কোটা সংস্কার করা যেতে পারে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযোদ্ধা কোটা থাকবেই। মুক্তিযোদ্ধারা আগে পশ্চাৎপদ ছিল, তাদের পরিবারকে সামনে আনা হয়েছে। তাই এ কোটা থাকবেই। যে রাজাকারের তালিকা বঙ্গবন্ধু করেছেন তার আলোকে রাজাকার, আলবদর, আলশামসদের তালিকা করে তাদের পরিবারের কেউ যেন সুযোগ-সুবিধা না পায় সেটার দিকে নজর দেয়া হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

error: কপি হবে না!