ads

মঙ্গলবার , ১০ জুলাই ২০১৮ | ৩১শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

তদবির সংস্কৃতির বিরুদ্ধে গণমাধ্যমকে সোচ্চার হতে হবে : তথ্যমন্ত্রী

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
জুলাই ১০, ২০১৮ ৮:৪১ অপরাহ্ণ

শ্যামলবাংলা ডেস্ক : তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, মেধা, মান ও দক্ষতার অবমূল্যায়নকারীর তদবির সংস্কৃতির বিরুদ্ধে গণমাধ্যমকে সোচ্চার হতে হবে। সেই সঙ্গে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে জনগণের তথ্যসেতু ও তথ্য বাতায়ন রচনা করবে গণমাধ্যম। তিনি ১০ জুলাই মঙ্গলবার তেজগাঁওয়ে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন পরিষদ (এনএসডিসি) সচিবালয়ে দক্ষতা ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড অবহিতকরণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওই কথা বলেন।
ওইসময় তিনি বলেন, বাংলাদেশকে আরেক ধাপ এগিয়ে নিতে রাজনীতি ও অর্থনীতিতে সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে। আর এ কাজের জন্য প্রয়োজন দক্ষ, মেধাবী ও মানবসম্পন্ন কর্মীর।
তথ্যমন্ত্রী তদবির সংস্কৃতিকে নাগরিকদের মেধা, মান ও দক্ষতা মূল্যায়নের অন্তরায় বলে বর্ণনা করে বলেন, ‘কর্মে প্রবেশ, কর্মস্থলে কাজে এবং পদোন্নতিতে তদবিরবাজি দুর্নীতি ও তদবির বাণিজ্যের জন্ম দেয়। এ বিষয় গণমাধ্যমের বিশেষ নজরদারি প্রয়োজন।’
সরকারি ও বেসরকারি যেসব প্রতিষ্ঠান শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিদ্যুৎ, যোগাযোগ প্রভৃতি সেবাখাতে কাজ করে, তাদের দক্ষতার উন্নয়ন একান্ত জরুরি বিধায় এসব খাতের কর্মচারীদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে- বলেন ইনু।
এনএসডিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবিএম খোরশেদ আলমের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সরকার দেশব্যাপী জনদক্ষতা বৃদ্ধিতে যে ব্যাপক উদ্যোগ নিয়েছে, তা জনগণের সামনে তুলে ধরতে গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানান।
বিভিন্ন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে আয়োজিত কর্মশালায় এনএসডিসি’র পরিচালক (যুগ্ম সচিব) মো. রেজাউল করিম মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. এ এস এম আসাদুজ্জামান, গণস্বাক্ষরতা অভিযানের উপপরিচালক তপন কুমার দাশ প্রমুখ মূল প্রবন্ধের ওপর আলোচনায় অংশ নেন।

error: কপি হবে না!