ads

শুক্রবার , ১৫ জুন ২০১৮ | ৩রা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

জমজমাট নতুন টাকার বাজার

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
জুন ১৫, ২০১৮ ৪:০৬ অপরাহ্ণ

শ্যামলবাংলা ডেস্ক : ঈদ উপলক্ষে রাজধানীতে জমে উঠেছে নতুন টাকার বাজার। ঈদের আগে আগে বেড়ে যায় নতুন টাকার চাহিদা। ঝকঝকে-চকচকে বিভিন্ন অঙ্কের নোট কিনতে সাধারণ মানুষ ঢাকার গুলিস্তানে ভিড় করেন।
নতুন টাকা ছোটদের ঈদ আনন্দ অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। ছোটদের মুখে হাসি ফোটাতেই বড়রা কিনছেন দুই টাকা থেকে শুরু করে ১০০ টাকার নতুন বান্ডিল। ঈদ বকশিশ নতুন টাকা না হলে কি জমে?
ঈদের দিনের সালামি মানেই নতুন টাকা। কড়কড়ে ৫০০ টাকা বা ১ হাজার টাকার একটি নোট পেলে কার না মুখে হাসি ফোটে। অন্তত নাকের কাছে নোটটি চলে আসবে, আহ্, কী সুন্দর গন্ধ। নতুন টাকা বলে কথা। ঈদের দিন নামাজ শেষে ভিক্ষা দেবেন, তার জন্য চাই ১০, ৫ আর ২ টাকার নতুন নোট। ঈদ সালামি, কাজের মানুষের বকশিশ, জাকাত, ফিতরা দিতে লোকজন কিনছেন নতুন টাকার নোট।
আর নতুন টাকার সর্বজনীন এ চাহিদা মেটাতে রাজধানীর ফুটপাতের ব্যাংকে নতুন টাকার নোট বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন শতাধিক লোক। নতুন টাকা বিক্রি করে উপার্জিত অর্থ দিয়েই তারা পরিবার-পরিজন নিয়ে ঈদের আনন্দ উপভোগ করে থাকেন।
রাজধানীর গুলিস্তানে ছোট ছোট টুলের ওপর বিভিন্ন মানের নতুন টাকার নোটের পসরা সাজিয়ে তারা ডাকছেন পথচারীদের। অনেকেই এ এলাকাকে ফুটপাতের ব্যাংক নামে ডাকে। পথচারী ছাড়াও ঢাকার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এখানে ছুটে আসেন অনেকেই নতুন টাকার আকর্ষণে।
একটু দরদাম করে কিনে হাসিমুখে বাড়ি ফেরেন তারা। আর সারা দিন বিক্রি শেষে বাড়তি আয়ে সন্তুষ্ট টাকা বিক্রেতা নারী-পুরুষ হকারদের মুখেও হাসি ফোটে। নতুন টাকা বিক্রি করে উপার্জিত অর্থ দিয়েই তারা পরিবার-পরিজন নিয়ে ঈদের আনন্দ উপভোগ করে থাকেন।
ঈদে সাধারণ মানুষের চাহিদা মেটাতে ক্রেতাদের ভিড়ে জমজমাট হয়ে উঠেছে নতুন টাকার এ ব্যবসা। ঈদ মৌসুমে পুরনো ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মৌসুমি ব্যবসায়ীরাও যোগ দিয়েছেন। নতুন টাকার ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করছেন শত শত মানুষ। ঈদ মৌসুমে তারা দৈনিক ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা বিক্রি করেন। স্বাভাবিক সময়ে ৫০০ টাকাও বিক্রি করতে পারেন না।
তারা জানান, নতুন টাকা বিক্রি করে যে অর্থ উপার্জন করেন তা দিয়েই তারা পরিবার-পরিজন নিয়ে ঈদ আনন্দ উপভোগ করেন। মানি লন্ডারিং আইন অনুযায়ী এভাবে টাকা বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ হলেও অবাধেই চলছে নতুন টাকার এ ব্যবসা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের খুব কাছেই মতিঝিলে সেনাকল্যাণ সংস্থার সামনে নতুন টাকা বিক্রির সবচেয়ে বড় অস্থায়ী বাজার গড়ে উঠেছে। তাছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের উত্তর গেটে, গুলিস্তান হলের সামনে, সদরঘাট, ফার্মগেটসহ বিভিন্ন স্থানে গড়ে উঠেছে নতুন টাকার ব্যবসা।
মতিঝিলে বাংলাদেশ ব্যাংকের পার্শ্ববর্তী এলাকা, গুলিস্তান, ফার্মগেট ঘুরে দেখা যায়, ঈদ সামনে রেখে জমজমাট হয়ে উঠেছে নতুন টাকার ব্যবসা। এসব স্থানে দুই টাকার নোটের বান্ডেল বিক্রি হচ্ছে ২৪০ থেকে ২৫০ টাকায়। পাঁচ টাকার নোটের বান্ডেল বিক্রি হচ্ছে ৫৮০ টাকায়। ১০ টাকার নোটের বান্ডেল বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৮০ থেকে ১ হাজার ৯০ টাকা দরে। ২০ টাকার নোটের বান্ডেল বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ১০০ টাকা এবং ৫০ টাকার নোটের বান্ডেল বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ৩০০ টাকায়। বিক্রেতারা জানান, এসব টাকার মধ্যে দুই, পাঁচ ও ১০ টাকার নোটের চাহিদা সবচেয়ে বেশি।

error: কপি হবে না!