ads

মঙ্গলবার , ১০ অক্টোবর ২০১৭ | ৩১শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শেরপুরে শিশু ধর্ষণ ॥ ঘৃণায় ধর্ষক জসিমকে তালাক দিয়েছে স্ত্রী

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
অক্টোবর ১০, ২০১৭ ৭:০৫ অপরাহ্ণ

৫ দিনেও গ্রেফতার হয়নি ধর্ষক

স্টাফ রিপোর্টার ॥ শেরপুরের পল্লীতে তৃতীয় শ্রেণি পড়ুয়া শিশু (১১) ধর্ষণের ৫ দিন পরও গ্রেফতার হয়নি ২ সন্তানের জনক ধর্ষক জসিম উদ্দিন (২৭)। অন্যদিকে ডাক্তারী পরীক্ষা না হওয়ার অভিযোগসহ একমাত্র আসামী গ্রেফতার না হওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েছে ধর্ষিতার পরিবার। এদিকে ওই ঘটনায় ধিক্কার জানিয়ে স্ত্রী জহুরা খাতুন ধর্ষক স্বামী জসিমকে তালাক দিয়ে বাবার বাড়িতে চলে গেছে। এ নিয়ে এলাকায় তোলপাড়ও শুরু হয়েছে।
শেরপুর সদরের চরশেরপুর ইউপ চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন সুরুজ অভিযোগ করে বলেন, কৃষ্ণপুর দশকাহনীয়া গ্রামের ধর্ষিতা ওই শিশুর ডাক্তারী পরীক্ষা না করেই তাকে সোমবার জেলা সদর হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দিয়ে দেওয়া হয়। এ নিয়ে তিনি স্থানীয় নারী সংগঠন, মানবাধিকার কর্মী ও সাংবাদিকদের কাছেও নালিশ জানান। ওই নালিশের সূত্র ধরে কয়েকজন গণমাধ্যম কর্মীর সাথে কথা বলেন জেলা মানবাধিকার কমিশনের সভাপতি, সমাজসেবী রাজিয়া সামাদ ডালিয়া। ধর্ষিতার পরিবারের লোকজনও প্রায় একই ধরনের নালিশ করে। জেলা সদর হাসপাতালের আরএমও ডাঃ নাহিদ কামাল জানান, মেডিকেল বোর্ড গঠনের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা সেরেই ওই শিশুকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। আগামী দু’একদিনের মধ্যে রিপোর্টও দিয়ে দেওয়া হবে। এরপরও বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলার কথা নয় এবং তা বিভ্রান্তিকর।
এ ব্যাপারে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সদর থানার এসআই শুভ্র সাহা জানান, ধর্ষিতা শিশুর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় ৬ অক্টোবর রাতে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তির পরই মেডিকেল বোর্ড গঠন হয়। কিন্তু পরেরদিন সরকারি বন্ধ থাকায় রবিবার ওই বোর্ডের মাধ্যমে তার প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন হয়। এরপর অনেকটা সুস্থ হয়ে উঠায় ওই শিশুকে সোমবার ছাড়পত্র দিয়ে দিলে তাকে আদালতে নিয়ে একজন সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে জবানবন্দি করানো হয়। এরপরও ধর্ষণের সময় পরিধেয় কাপড়-চোপড়, পায়জামা ও সালোয়ার কামিজ জব্দ করা হয়েছে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য। এক্ষেত্রে পরীক্ষা না করে ভিকটিমকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়ার ঘটনা দেখি না। অন্যদিকে ৫ দিন পরও একমাত্র আসামী ধর্ষক জসিম গ্রেফতার না হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, তাকে গ্রেফতারে মামলার পর থেকেই অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ইতোমধ্যে তার বাড়ির লোকজনও গাঁ ঢাকা দিয়েছে। এছাড়া ওই ঘটনায় ধিক্কার জানিয়ে স্ত্রী জহুরা খাতুন জসিমকে তালাক দিয়ে বাবার বাড়িতে চলে গেছে। তবে ইতোমধ্যে ঘটনার একজন প্রত্যক্ষ সাক্ষী পাওয়াসহ মামলার তদন্তে অনেকটাই অগ্রগতি হয়েছে এবং খুব শীঘ্রই তাকে গ্রেফতারের মাধ্যমে বিচারের মুখোমুখি করা হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
উল্লেখ্য, ৬ অক্টোবর বিকেলে সদর উপজেলার চরশেরপুর ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর দশকাহনীয়া গ্রামের হাতু মিয়ার ছেলে ২ সন্তানের জনক জসিম উদ্দিন (২৭) স্থানীয় হতদরিদ্র তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীকে (১১) জোরপূর্বক একটি ধান ক্ষেতে নিয়ে ধর্ষণ করে। ঘটনার পর ওই শিশু অসুস্থ হয়ে পড়লে রাতেই তাকে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি এবং সদর থানায় একটি মামলা দায়ের হয়।

error: কপি হবে না!