ads

সোমবার , ৯ অক্টোবর ২০১৭ | ৩১শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর শাস্তির কথা ভাবছে ইইউ-যুক্তরাষ্ট্র

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
অক্টোবর ৯, ২০১৭ ২:০১ অপরাহ্ণ

শ্যামলবাংলা ডেস্ক : রোহিঙ্গা নির্যাতনের কারণে মিয়ানমারের উচ্চপদের সেনাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও যুক্তরাষ্ট্র। খবর রয়টার্সের। ওয়াশিংটন, ইয়াঙ্গুন ও ইউরোপভিত্তিক ডজনের ওপর কূটনীতিক ও সরকারি কর্মকর্তার কথায় মিয়ানমারের শীর্ষ জেনারেলদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে অনেকগুলো বিষয় নিয়ে ভাবনার কথা উঠে এসেছে বলে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
খবরে বলা হয়, ইয়াঙ্গুন ও ইউরোপভিত্তিক প্রায় এক ডজনের বেশি কূটনীতিক ও সরকারি কর্মকর্তা সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তারা মিয়ানমারের উচ্চপদের সেনাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন। তবে এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থাটি বলছে, এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। ওয়াশিংটন ও ব্রাসেলস এ জন্য আরও কিছু দিন সময় নিতে পারে। রাখাইনে সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সহায়তা বাড়ানোরও আলোচনা চলছে।
মিয়ানমারের ওপর চাপ প্রয়োগ নিয়ে ব্রাসেলসভিত্তিক একজন ইইউ কূটনীতিক বলেন, অবস্থার উন্নতি না হলে মিয়ানমারের উন্নয়নে কোনো বিনিয়োগ করবে না ইউরোপীয় কমিশন। অস্ত্র বাণিজ্যে নিষেধাজ্ঞাও রয়েছে। আমরা নিয়মিত আলোচনা করি, আমাদের কি মিয়ানমারে সংস্কারের পুরস্কার দেওয়া উচিত এবং ধীরে ধীরে ওই নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা উচিত, নাকি উল্টোটা করা উচিত।
ওয়াশিংটনে নিয়োজিত যুক্তরাষ্ট্রের একজন কর্মকর্তা বলেন, নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা না থাকলেও নভেম্বরের প্রথমার্ধে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এশিয়া সফর নাগাদ মিয়ানমার নিয়ে একটি কর্মপরিকল্পনায় পৌঁছানোর আশা করছে ওয়াশিংটন।
তিনি বলেন, মিয়ানমার সেনাবাহিনীকে একটি কড়া বার্তা দিতে চাইছে প্রশাসন। কিন্তু খুব দ্রুত কোনো পদক্ষেপ দেশটির ওপর চীনের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব আরও বাড়িয়ে দেওয়ার সুযোগ করে দেয় কি না তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। রাখাইন রাজ্যে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অভিযানের পর থেকে সহিংসতা থেকে বাঁচতে প্রায় পাঁচ লাখ রোহিঙ্গা সীমান্ত পার হয়ে বাংলাদেশে ঢুকেছে।

error: কপি হবে না!